BHRC By-lawsBHRC Press ReleaseBHRC By-lawsBHRC ConferenceIHRCIRD ActivitiesLegal StatusBHRC BoardBHRC BranchesElection Monitoring Acid and Trauma VictimsBHRC BrochureBHRC Forms

ContactHOME

 

 

 

Cover May 2019

English Part May 2019

Top

 

Bangla Part

         নারী ও শিশু সংবাদ        পুলিশ ও কারাগার সংবাদ

স্বাস্থ্য সংবাদ          আইন কনিকা

 

বিবিধ সংবাদ

 

                                 


জঙ্গিবাদ দমনে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

 

মানবাধিকার রিপোর্টঃ

জঙ্গিবাদ দমনে দেশবাসীকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার (২৮ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদ অধিবেশনে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের মসজিদ, শ্রীলঙ্কার গির্জা ও হোটেলে সন্ত্রাসী হামলা এবং ফেনীর সোনাগাজীতে মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ এবং এ সকল সন্ত্রাসী যৌন নিপীড়নের ঘটনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল সংসদ, সরকার ও নাগরিকদের প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে আনীত সাধারণ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, এ ধরণের সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের ঘটনা মেনে নেয়া যায় না। সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এর বিরুদ্ধে দেশের সকল মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। দেশের কোথাও এতটুকু জঙ্গি-সন্ত্রাসবাদের আলামত দেখলে সঙ্গে সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে খবর দিন। আমরা এ ধরণের সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ বাংলাদেশে আর দেখতে চাই না। বাংলাদেশকে উন্নত ও শান্তির দেশ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
ফেনীর ছাত্রী নুসরাত হত্যাকাণ্ডসহ যৌন নিপীড়নের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে কঠোর আইন প্রণয়ন করা হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারাই এ ধরণের ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। জড়িতরা কে কোন দলের তা দেখা হবে না। যৌন নিপীড়ন যারা করবেন তাদেরও রেহাই নেই। অনেকেই কঠোর আইনের কথা বলেছেন। প্রয়োজন হলে আরও কঠোর আইন আমরা করবো। তাদের যেন সর্বোচ্চ শাস্তি হয় সেই ব্যবস্থাই আমরা করবো।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শান্তিপূর্ণ দেশ নিউজিল্যান্ডেও একজন খুনি ক্যামেরা মাথায় নিয়ে নামাজ পড়া অবস্থায় ৫৩ জন মুসলিমকে হত্যা করে। সে একজন উগ্রবাদী খ্রিস্টান ছিল। আমাদের জাতীয় ক্রিকেট টিমের সদস্যরা অল্পের জন্য বেঁচে যান। ফেনীর সোনাগাজীতে মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাতকে ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ যৌন নির্যাতন করে।
 

 
বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের অনুসন্ধান প্রতিবেদন

 এপ্রিল ২০১৯ মাসে মোট হত্যাকান্ডের সংখ্যা ১৯৭ জন
 

মানবাধিকার রিপোর্টঃ
বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন-BHRC’র বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও পৌরসভার শাখা থেকে প্রাপ্ত তথ্য এবং বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে BHRC’র ডকুমেন্টেশন বিভাগ অনুসন্ধান এবং ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস কমিশন-IHRC’র সহযোগিতায় প্রতিবেদন সম্পন্ন করে। জরিপে এপ্রিল ২০১৯ মাসে সারা দেশে মোট হত্যাকান্ড সংঘটিত হয় ১৯৭টি। এ ধরনের হত্যাকান্ড অবশ্যই আইন শৃংখলা পরিস্থিতির চরম অবনতি। কমিশন এই হত্যাকান্ডের হার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এপ্রিল ২০১৯ মাসে গড়ে প্রতিদিন হত্যাকান্ড ঘটে ৬ এর অধিক। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও সরকারের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভাগের কর্মকর্তাদের অবশ্যই অধিক দায়িত্ববান হতে হবে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার গতিশীল কার্যক্রমের মাধ্যমে হত্যাকান্ড কমিয়ে শুন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব। বাংলাদেশের গণতন্ত্র ব্যবস্থাপনাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান এবং মানবাধিকার সম্মত সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে অবশ্যই সর্বস্তরে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই কেবলমাত্র এ ধরণের ক্রমবর্ধমান হত্যাকান্ড হ্রাস করা সম্ভব। সম্প্রতি শিশু নির্যাতন ও হত্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় গভীর উদ্ধেগ ও এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সরকার ও আইন শৃংখলা বাহিনীর কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের ডকুমেন্টেশন বিভাগের জরিপে দেখা যায়, ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে হত্যাকান্ডের শিকার ১৯৭ জন।
এর মধ্যে যৌতুকের কারণে হত্যা ৭ জন, পারিবারিক সহিংসতায় হত্যা ৩০ জন, সামাজিক সহিংসতায় হত্যা ৬১ জন, রাজনৈতিক কারণে হত্যা ৭ জন, আইন শৃংখলা বাহিনীর হাতে হত্যা ২৭ জন, বিএসএফ কর্তৃক হত্যা ২ জন, চিকিৎসকের অবহেলায় মৃত্যু ৬ জন, অপহরণ হত্যা ৯ জন, গুপ্ত হত্যা ৭ জন, রহস্যজনক মৃত্যু ৩৫ জন, ধর্ষণের পর হত্যা ৪ জন, এসিড নিক্ষেপে হত্যা ২ জন।
বিভিন্ন দুর্ঘটনায় নিহতের মধ্যে পরিবহন দুর্ঘটনায় মৃত্যু ২৫৯ জন এবং আত্মহত্যা ২৩ জন।
এপ্রিল ২০১৯ সালে কতিপয় নির্যাতনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলীর মধ্যে ধর্ষণ ৯৩ জন, যৌন নির্যাতন ৭ জন, যৌতুক নির্যাতন ৬ জন, এসিড নিক্ষেপ ২ জন, সাংবাদিক নির্যাতন ২ জন।
 

 

 BHRC’র কক্সবাজার মানবাধিকার কনভেনশন অনুষ্ঠিত
 


মানবাধিকার রিপোর্ট’
বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন-BHRC চট্টগ্রাম বিভাগের আয়োজনে ৬ এপ্রিল ২০১৯ রোজ শনিবার সকাল ১০টায় কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র মিলনায়তনে কক্সবাজার মানবাধিকার সম্মেলন-২০১৯ অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম বিভাগসহ সারা বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা অধিভুক্ত উপজেলা ও পৌরসভা শাখার মানবাধিকার কর্মীগণ এই সম্মেলনে যোগ দেন।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় গভর্নর সেতারা গাফফার এর সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন BHRC’র প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব ড. সাইফুল ইসলাম দিলদার।
কনভেনশন উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য এবং BHRC কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি কানিজ ফাতেমা আহমেদ।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস-IHRC এর সাধারণ সম্পাদক দিল ফারজানা বীথি, BHRC’র চট্টগ্রাম অঞ্চল ও চট্টগ্রাম মহানগর গভর্নর সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম কমু, ঢাকা মহানগরের গভর্নর সিকান্দার আলী জাহিদ, BHRC’র সিনিয়র ডেপুটি গভর্নর আক্তারুজ্জামান বাবুল, ডেপুটি গভর্নর আমিনুল হক বাবু, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখার সভাপতি অজিত কুমার দাশ, BHRC’র বিশেষ প্রতিনিধি মোঃ হারুন-অর রশিদ, মোস্তাক আহমেদ ভূইয়া, চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণ শাখার সভাপতি মোঃ নওশাদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণ শাখার সভাপতি মোঃ নওশাদ চৌধুরী, BHRC’র বিশেষ প্রতিনিধি গোলাম কিবরিয়া মোল্লা, কক্সবাজার জেলা শাখার নির্বাহী সভাপতি এটিএম জিয়াউদ্দিন জিয়া, মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মোঃ নূরুল ইসলাম ছত্তার, কক্সবাজার জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রফিক মাহমুদ এবং চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম চৌধুরী, লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার উপদেষ্টা মমতাজ বেগম, সভাপতি মোঃ সামছুল করিম খোকন ।
কনভেনশন পরিচালনা করেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুদ্দিন।
কক্সবাজার মানবাধিকার কনভেনশনে সারা দেশে থেকে সহস্রাধিক মানবাধিকার কর্মী যোগ দেন। 
 

   মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী রাখাইনে ফের হামলা চালাচ্ছে : জাতিসংঘী
                                                                 


মানবাধিকার রিপোর্ট’
মিয়ানমার সামরিক বাহিনী আবারও নিজেদের নাগরিকদের ওপর হামলা চালাচ্ছে যা যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করতে পারে জানিয়ে জাতিসংঘ বলছে, সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহ ধরে রাখাইনে হামলার ঘটনায় তারা (জাতিসংঘ) ‘ব্যাপকভাবে বিরক্ত’।
‘দায়মুক্তির পরিণাম ভয়াবহ হবে’ উল্লেখ করে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার রাভিনা শামদাসানি শুক্রবার জেনেভায় এ কথা বলেন। অতীতের বছরগুলোতে বেসামরিক জনগণের ওপর হামলার ব্যাপারগুলো জবাবদিহির আওতায় আনার পদক্ষেপের মধ্যেই আবারও এমন হামলার খবর পাওয়া গেল।
সংবাদ সম্মেলনে রাভিনা জানান, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী দ্বারা পরিচালতি নির্বিচারে হামলা ও বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা এবং রাখাইনে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের ওপর চলমান হামলার নিন্দা জানিয়েছেন তারা।’
তাতমাদাও নামে পরিচিত মিয়ানমার সামরিক বাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যকার সংঘাতে বেসামরিক নাগরিক হত্যা, তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া, নির্বিচারে গ্রেপ্তার, অপহরণ, বেসামরিক এলাকায় আগুন এবং সাংস্কৃতিক সম্পদ ধ্বংস হয়েছে।
জেনেভার সংবাদ সম্মেলন অনুসারে, এসব হামলা ও সংঘাত রাখাইন ও চিন প্রদেশের রাখাইন, রোহিঙ্গা, চিন, ম্রো এবং ডায়েগনেটসহ অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর প্রভাব ফেলেছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর থেকে পাওয়া প্রতিবেদন অনুসারে, রাখাইন রাজ্যে সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহের সংঘাতে বুথিডং, রাথেডং, টিয়্যাকটো, ম্রক-ইউ এবং সিট্টে এলাকার ২০ হাজার রোহিঙ্গা বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মানবিক সহায়তা দেওয়ার ওপর সরকারের বাধা আরোপের পর থেকে রাখাইনের উত্তরাঞ্চলে বেসামরিক জনগণের ওপর সহিংসতা বেড়েছে।
স্থানীয় সূত্র বলছে, গত ৩ এপ্রিল সন্ধ্যায় দুটি সামরিক হেলিকপ্টার দক্ষিণ বুথিডংয়ে হপন নিও লেইক গ্রামের ওপর গুলিবর্ষণ করলে অন্তত সাতজন নিহত ও ১৮ জন আহত হন।
 

 

চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণের মানবাধিকার সম্মেলন অনুষ্ঠিত
 

মানবাধিকার রিপোর্ট’

বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন-BHRC চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণ শাখার উদ্যোগে ২০ এপ্রিল ২০১৯ রোজ শনিবার সকাল ৯:৩০টায় চট্টগ্রাম বোর্ড কাব মিলনায়তন, পতেঙ্গা, চট্টগ্রামে “চট্টগ্রাম মহানগর মানবাধিকার সম্মেলন-২০১৯” অনুষ্ঠিত হয়।
সম্মেলন উদ্বোধন করেন BHRC’র প্রতিষ্ঠাতা ও সেক্রেটারী জেনারেল ড. সাইফুল ইসলাম দিলদার।
চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণ শাখার সভাপতি মোঃ নওশাদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম. নাছির উদ্দিন।
সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জহিরুল আলম দোভাষ, চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সদস্য সচিব মোঃ অহিদ সিরাজ চৌধুরী স্বপন, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন-BHRC’র চট্টগ্রাম বিভাগীয় গভর্নর সেতারা গাফফার, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক গভর্নর সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম কমু, BHRC ঢাকা মহানগর গভর্নর সিকান্দার আলী জাহিদ, ডেপুটি গভর্নর আমিনুল হক বাবু।
সম্মানিত বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শাখার সভাপতি নিয়াজ মোর্শেদ এলিট, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন আঞ্চলিক শাখার সভাপতি জসিম আহমেদ, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখার সভাপতি অজিত কুমার দাশ, চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর শাখার নির্বাহী সভাপতি আবু হাসনাত চৌধুরী, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখার নির্বাহী সভাপতি আল-সাদাত দোভাষ (সাগর), চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণ শাখার নির্বাহী সভাপতি মোঃ শফিউল আলম, BHRC’র বিশেষ প্রতিনিধি গোলাম কিবরিয়া মোল্লা, চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর শাখার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবুল বশর, চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণ শাখার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখার সাধারণ সম্পাদক এসএম ইশতিয়াক-উর- রহমান, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাফিজ আল আছাদুর রহমান, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনিরুল ইসলাম চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুদ্দিন ময়মনসিংহ বাণিজ্যিক শাখার সভাপতি মতিউর রহমান রবিন প্রমুখ।
সম্মেলন পরিচালনা করবেন চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণ শাখার সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ নুরুজ্জামান।
চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর, দক্ষিণ, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা অধিভুক্ত সকল শাখার পাঁচশতাধিক মানবাধিকার কর্মীগণ এই সম্মেলনে যোগ দেন।


BHRC দক্ষিণ চট্টগ্রাম আঞ্চলিক মানবাধিকার সম্মেলন-২০১৯ অনুষ্ঠিত


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন-BHRC দক্ষিণ চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখা কর্তৃক ৫ এপ্রিল ২০১৯ রোজ শুক্রবার দুপুর ২;৩০টায় লোহগড়া উপজেলা পাবলিক হলে দক্ষিণ চট্টগ্রাম আঞ্চলিক মানবাধিকার সম্মেলন-২০১৯ অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম দক্ষিণ অঞ্চলের মানবাধিকার কর্মীগণ এই সম্মেলনে যোগ দেন।
সম্মেলন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন BHRC’র প্রতিষ্ঠাতা ও সেক্রেটারী জেনারেল ড. সাইফুল ইসলাম দিলদার। সম্মেলন উদ্বোধন করেন দক্ষিণ চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখার সভাপতি রিজিয়া রেজা চৌধুরী।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় গভর্নর সেতারা গাফফার, আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান ইউনিভার্সিটি কলেজের অধ্যক্ষ একে ফজলুল হক, সাতকানিয়া সার্কেল এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান, BHRC’র ঢাকা মহানগর গভর্নর সিকান্দার আলী জাহিদ, সিনিয়র ডেপুটি গভর্নর আক্তারুজ্জামান বাবুল, ডেপুটি গভর্নর আমিনুল হক বাবু, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখার সভাপতি অজিত কুমার দাশ, চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণ শাখার সভাপতি মোঃ নওশাদ চৌধুরী, BHRC’র বিশেষ প্রতিনিধি গোলাম কিবরিয়া মোল্লা, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলাসাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দক্ষিণ চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং লোহাগড়া উপজেলা শাখার সভাপতি প্রফেসর হামিদুর রহমান।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন লোহাগড়া উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ জুনাইদ চৌধুরী।
দক্ষিণ চট্টগ্রাম অঞ্চল অধিভুক্ত পাঁচশতাধিক মানবাধিকার কর্মী এই সম্মেলনে যোগ দেন।

 


 

BHRC পার্বত্য আঞ্চলিক মানবাধিকার সম্মেলন-২০১৯ অনুষ্ঠিত
 

মানবাধিকার রিপোর্টঃ
বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন-BHRC রাঙ্গামাটি জেলা শাখার উদ্যোগে ১৯ এপ্রিল ২০১৯ রোজ শুক্রবার সকাল ৯:৩০টায় রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ মিলনায়তনে পার্বত্য আঞ্চলিক মানবাধিকার সম্মেলন-২০১৯ অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন BHRC’র প্রতিষ্ঠাতা ও সেক্রেটারী জেনারেল ড. সাইফুল ইসলাম দিলদার।
প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক অনির্বান বড়–য়া।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর গভর্নর সিকান্দার আলী জাহিদ, BHRC’র বিশেষ প্রতিনিধি নু. শৈ. প্র“., বিশেষ প্রতিনিধি গোলাম কিবরিয়া, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূর উদ্দীন।
সম্মেলনে বিশেষ সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সভাপতি এড. মহিউদ্দিন কবীর, সাধারণ সম্পাদক নিগার সুলতানা, রাঙ্গামাটি জেলা শাখার নির্বাহী সভাপতি বিজয় রতন দে, বান্দরবান জেলা শাখার নির্বাহী সভাপতি নীলিমা আক্তার নীলা, কাপ্তাই উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, মাটি রাঙ্গা থানা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক সাহিদুর রহমান, রাঙ্গামাটি জেলা শাখার আইন বিষয়ক সম্পাদক সৈকত রঞ্জন চৌধুরী, ময়মনসিংহ বাণিজ্যিক শাখার সভাপতি মতিউর রহমান রবিন প্রমুখ।
সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন রাঙ্গামাটি জেলা শাখার সভাপতি ডা. সুপ্রিয় বড়–য়া।
সম্মেলন স্বাগত বক্তব্য রাখেন রাঙ্গামাটি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তপন কান্তি বড়–য়া।
পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়ি জেলা অধীভুক্ত সকল উপজেলা, থানা এবং পৌরসভা শাখার মানবাধিকার কর্মীগণ এই সম্মেলনে যোগ দেন।

 

পাঙ্গাশের আচার ও পাউডার উদ্ভাবন্দ


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) মৎস্য প্রযুক্তিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. একেএম নওশাদ আলম ও তার গবেষক দল পাঙ্গাশ মাছের সব পুষ্টিগুণ ঠিক রেখে সস্তায় লোভনীয় স্বাদ ও গন্ধের মচমচে পাঙ্গাশের আচার ও পাউডার উদ্ভাবন করেছেন। কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তায় মিঠা পানির মাছের আহরণোত্তর ক্ষতি প্রশমন ও মূল্য সংযোজন প্রকল্পের আওতায় গবেষণাটি পরিচালিত হয়।
সস্তা ও সহজলভ্য পাঙ্গাশ মাছ গরিবের আমিষ হিসেবে পরিচিত। তাড়াতাড়ি বড় হওয়ার কারণে থাইল্যান্ডের একটি জাত আমাদের দেশে চাষ হচ্ছে। ভিয়েতনাম বা থাইল্যান্ড উন্নত চাষ পদ্ধতি ব্যবহার করে উন্নতমানের সাদা ফিলেট তৈরি করে ইউরোপের বাজারে রফতানি করছে। আমাদের দেশে নানা কারণে পাঙ্গাশ চাষ পদ্ধতি উন্নত ও আধুনিক করা যাচ্ছে না ফলে রফতানি সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে অন্যান্য মাছের উৎপাদন ও জোগান বেড়ে যাওয়ায় পাঙ্গাশের বাজার মূল্য পড়ে গেছে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে পাঙ্গাশের উৎপাদন ছিল ৭.৫ লাখ মেট্রিক টন। বর্তমানে উৎপাদন কমে অর্ধেকে নেমে এসেছে। খাদ্যসহ অন্যান্য উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় চাষীরা লোকসান গুনছেন। অনেকে পাঙ্গাশ চাষ ছেড়ে দিয়েছেন। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য পাঙ্গাশ মাছ থেকে পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে মূল্য সংযোজন করা প্রয়োজন। ড. একেএম নওশাদ আলম ও তার গবেষক দল দীর্ঘ দু’বছর গবেষণা করে পাঙ্গাশের দুটি মজাদার পণ্য উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছেন। তাদের উদ্ভাবতি আচারটি শুকনো ও মচমচে হওয়ায় দীর্ঘদিন প্রায় এক বছরের অধিক কক্ষ তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা যাবে। আচারটিতে পুষ্টিমান পাওয়া গেছে শতকরা ৩৭ ভাগ আমিষ, ২৮ ভাগ স্নেহ, ১৬ ভাগ মিনারেল ও ১১ ভাগ ফাইবার। এক কেজি পাঙ্গাশ থেকে ৩৫০ গ্রাম পাঙ্গাশ আচার পাওয়া যায়। ৩৫০ গ্রাম আচার ৪০০-৪৫০ টাকায় বিক্রয় করা সম্ভব। সাধারণ রান্নার যন্ত্রপাতি ও তৈজসপত্র দিয়ে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ বজায় রেখে যে কেউ মচমচে পাঙ্গাশ আচার তৈরি করতে পারবে। এছাড়া এক কেজি পাঙ্গাশ থেকে ২০০-২৫০ গ্রাম পাউডার তৈরি করা সম্ভব। পাঙ্গাশের পাউডার দীর্ঘদিন প্রায় এক বছরের অধিক কক্ষ তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা যাবে। পাঙ্গাশের পাউডার দিয়ে আচার, ভর্তা, স্যুপ, নুডলস, তরকারি, খিচুরি ইত্যাদি বানানো যায় অথবা একে পাউডার দুধ বা নবজাতকের খাবার, বেকারি পণ্য, বিস্কুট চিপস বা অন্যান্য যে কোনো খাদ্যদ্রব্যে মিশিয়ে পুষ্টিগুণ বাড়ানো যায়। দ্রুতই পাঙ্গাশের পণ্য দুটি বাজারে পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধান গবেষক অধ্যাপক ড. একেএম নওশাদ আলম।
 

BHRC নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক মানবাধিকার সম্মেলন অনুষ্ঠিত


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন-BHRC নারায়ণগঞ্জ জেলা এবং মহানগরের উদ্যোগে ২৫ এপ্রিল ২০১৯ “নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক মানবাধিকার সম্মেলন-২০১৯” চৌরঙ্গী ফ্যান্টাসি পার্ক, বরফকল গোদারাঘাট সংলগ্ন, নারায়ণগঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়।
BHRC ঢাকা দক্ষিণ বিভাগের গভর্নর এবং নারায়ণগঞ্জ মহানগর শাখার সভাপতি কুতুব উদ্দিন আকসির-এর সভাপতিত্বে সম্মেলন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়া। সম্মেলন উদ্বোধন করেন BHRC’র প্রতিষ্ঠাতা ও সেক্রেটারী জেনারেল ড. সাইফুল ইসলাম দিলদার।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মমতাজ বেগম, BHRC ঢাকা মহানগর গভর্নর সিকান্দার আলী জাহিদ, নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী এবং নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম, BHRC’র বিশেষ প্রতিনিধি মোস্তাক আহমেদ ভূইয়া, বিশেষ প্রতিনিধি সৈয়দ আজমুল হক, বিশেষ প্রতিনিধি গোলাম কিবরিয়া মোল্লা এবং বিশেষ প্রতিনিধি মনোয়ারা বেগম মুন্নী।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব রফিক উদ্দিন ভূইয়া, নরসিংদী জেলা শাখার সভাপতি মনজুর এলাহী, নারায়ণগঞ্জ মহানগর শাখার নির্বাহী সভাপতি আঞ্জুমান আরা বেগম, নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিন মন্টু, মুন্সীগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শেখ সাইদুর রহমান টুটুল, নরসিংদী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট উম্মে সালমা মায়া, নারায়ণগঞ্জ জেলা মহিলা শাখার সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা ফরিদা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক মেহেনাজ আক্তার, সোনারগাঁও থানা শাখার সভাপতি জাহানারা আক্তার।
সম্মেলন পরিচালনা করেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নাজমুল হাসান রুমি।
সম্মেলনে নারায়ণগঞ্জ মহানগর, নারায়ণগঞ্জ জেলা, নরসিংদী এবং মুন্সীগঞ্জ জেলা অধিভুক্ত সকল শাখার মানবাধিকার কর্মীগণ যোগ দেন।



মোদীর কাজকর্ম দেখলে হিটলার আত্মহত্যা করতেন : মমতা


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
সপ্তদশ লোকসভা প্রথম দফার ভোট শুরুর আগে রাজনৈতিক মহলের উত্তাপ বেড়েই চলেছে। একে অপরকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে চলেছেন রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সমানে নিশানা করে চলেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাল্টা দিচ্ছেন মোদি। এই পাল্টপাল্টির ধারাবাহিকতায় এবার মমতা বললেন, মোদীর কাজকর্ম দেখলে হিটলার আত্মহত্যা করতেন।
গণহত্যা এবং মানুষে মানুষে বিভাজনের রাজনীতিকে মোদির রাজনৈতিক হাতিয়ার বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী বলেন প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন সমস্ত ফ্যাসিবাদী শাসকদের রাজা।
রায়গঞ্জের নির্বাচনী জনসভা থেকে মঙ্গলবার তিনি আরও বলেন, বিরোধীদের দমন করতে কেন্দ্রীয় সংস্থার অপপ্রয়োগ করছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। নিজের নামে ছবি তৈরি করেন। মনে রাখতে হবে এই লোকটাই গুজরাটে দাঙ্গা লাগিয়েছিল। সেকথা কেউ ভুলে যায়নি।
এনআরসি নিয়ে আরও একবার সরব হয়ে মমতা বলেন, বাংলায় এসব করবে বলছে। করুক না কী হয় তারপর। প্রথম দিন থেকেই মমতা বলে আসছেন বাংলায় এনআরসি করতে দেওয়া হবে না।
পশ্চিমবঙ্গে এসে শিলিগুড়ি সভা থেকে মমতাকে ‘স্পিড ব্রেকার’ বলে কটাক্ষ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, এত বড় ভিড় না দেখলে বুঝতেই পারতাম না দিদির নৌকা ডুবতে চলেছে। আপনাদের ভালবাসা আছে বলেই চৌকিদার টক্কর নিতে পারে। গোটা দেশের মতো গতিতে বাংলায় কাজ হয়নি। পশ্চিমববঙ্গে স্পিড ব্রেকার আছে। লোকে তাকে দিদি বলে। দিদি গরিবের কথা ভাবেন না। রাজনীতি করেন। গরিবকে গরিব রাখাই ওদের লক্ষ্য। গরিবের যাতে ভাল না হয় সেটা দেখেন। গরিবের ভাল হলে ওদের রাজনীতি শেষ। চিটফান্ড কাণ্ডে দিদির মন্ত্রী বিধায়করা গরিবদের সর্বশান্ত করেছেন। নিজের সঙ্গীদের নিয়ে গরিবকে সর্বশান্ত করেছেন মমতা।
এরপর কোচবিহাররের সভা থেকেও চিটফান্ড প্রসঙ্গে সরব হন তিনি। পাল্টা নাম না করে মুকুল রায়কে জড়িয়ে মোদীকে নিশানা করেছেন মমতা।

 

  আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
সমাজে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় নিজ নিজ অবস্থান থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকে অবদান রাখার আহবান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ। ২৮ এপ্রিল, জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে তিনি এ আহবান জানান।
‘আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের উদ্যোগে ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস ২০১৯’ পালিত হচ্ছে জেনে রাষ্ট্রপতি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের সংবিধানে সকল নাগরিকের আইনের সমান আশ্রয়লাভের অধিকারকে অন্যতম মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। অসচ্ছলতা, অজ্ঞতা ও নানাবিধ আর্থ-সামাজিক প্রতিকূলতার কারণে দেশের গরিব-দুঃখী ও সহায় সম্বলহীন জনগণ অনেক ক্ষেত্রে আইনের সমান আশ্রয়লাভের অধিকার থেকে বঞ্চিত হন। সংবিধানে বর্ণিত ‘আইনের সমান আশ্রয়লাভ’ এর অধিকারকে বাস্তব রূপ দেয়ার জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান আইন ২০০০’।

 

 লালদিয়ারচরের ১২ সহস্রাধিক মানুষকে পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ না করার আহ্বানে


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী ১৯৭২-৭৩ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে ঢাকা এবং চট্টগ্রামে ছিন্নমুল বস্তিবাসীদের পুনর্বাসন করা হয়। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার চনপাড়া বাস্তুহারা শিবিরে ঢাকার ছিন্নমুল বস্তিবাসীদের এবং চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থানার লালদিয়ারচরে চট্টগ্রাম শহরের ছিন্নমুল বস্তিবাসীদের পুনর্বাসন করা হয়। বর্তমানে চট্টগ্রাম লালদিয়ারচর বস্তিতে ১২ হাজারের অধিক নারী, পুরুষ এবং শিশু বসবাস করছে। কোনরূপ কারণ দর্শানো ছাড়াই সম্প্রতি লালদিয়ারচরে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি জরিপ দল লাল পতাকা উত্তোলন এবং লালদিয়ারচরের জনগণকে উচ্ছেদ করা হবে বলে হুমকি প্রদর্শন করে। বিষয়টি বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন-ইঐজঈ’র দৃষ্টিগোচর হলে গত ২০ এপ্রিল ২০১৯ বিকেলে ইঐজঈ’র সেক্রেটারী জেনারেল ড. সাইফুল ইসলাম দিলদার এর নেতৃত্বে একটি শীর্ষ কর্মকর্তা দল লালদিয়ারচর পরিদর্শন করেন এবং লালদিয়াচরের জনসাধাণের অভিযোগের বিষয়গুলো ধৈর্যসহকারে শোনেন। অন্যান্যদের মধ্যে স্থানীয় ওয়ার্ড কমিশনার, স্কুল শিক্ষক সহ ইঐজঈ’র ঢাকা মহানগর গভর্নর সিকান্দার আলী জাহিদ, চট্টগ্রাম অঞ্চলের ডেপুটি গভর্নর আমিনুল হক বাবু এবং বিশেষ প্রতিনিধি গোলাম কিবরিয়া মোল্লা পরিদর্শনকালে সেক্রেটারী জেনারেল এর সাথে উপস্থিত ছিলেন। পুনর্বাসন ছাড়া লালদিয়ারচরের ১২ হাজার মানুষকে উচ্ছেদের হুমকি প্রদর্শন বা উচ্ছেদ করা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। ইঐজঈ বিশ্বাস করে পুনর্বাসন ছাড়া লালদিয়ারচরের জনগণকে বর্তমান সরকার উচ্ছেদ করবে না। লালদিয়ারচরের জনগণকে পুনর্বাসন ব্যতিরেকে উচ্ছেদ না করতে ইঐজঈ প্রধানমন্ত্রীর নিকট একটি আবেদন করেছেন।


কঠোর শাস্তির আওতায় আসছেন বাড়িওয়ালারা


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
বাড়ি ভাড়া নিয়ে দেশের শহরগুলোয় রীতিমতো নৈরাজ্য চলছে। সবচেয়ে বেশি নৈরাজ্য চলছে রাজধানীতে। বাড়ির মালিকরা বছরের শুরুতেই কারণ ছাড়াই ভাড়া বাড়িয়ে দেন। কষ্ট হলেও ভাড়াটিয়ারা মুখ বুজে সহ্য করে যান।
বাড়ির মালিকদের এ অন্যায় দেখার যেন কেউ নেই। তবে বাড়ি ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য ঠেকাতে পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। ভুক্তভোগী ভাড়াটিয়ারা বাড়ির মালিকদের অন্যায় কাজের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করতে পারবেন।
অযৌক্তিকভাবে ভাড়া বাড়ানো হলে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে বাড়িওয়ালাসহ সংশ্লিষ্টদের। সম্প্রতি ভোক্তা অধিকার আইন-২০০৯ সংশোধন করে ভোক্তা অধিকার আইন-২০১৮ নামে একটি খসড়া তৈরি করেছে অধিদফতর। সেই খসড়া পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানা গেছে।
জানতে চাইলে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম লস্কর যুগান্তরকে বলেন, ‘অধিদফতর ভোক্তার অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখতে কাজ করে যাচ্ছে। সপ্তাহের ৬ দিন ৩টি করে বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। রমজানকে ঘিরেও বিশেষভাবে বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। এছাড়া ভোক্তারা যেন আরও বেশি সুফল পান, এজন্য আইনে বেশকিছু ধারা পরিবর্তন ও সংযোজন করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে আইনের খসড়া তৈরি করা হয়েছে, যা চূড়ান্ত করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘কেবিনেটে এ আইনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। সেখান থেকে ভেটিংয়ে পাঠানো হবে। পরে তা জাতীয় সংসদে আইন পাস হবে বলে আশা রাখছি। আর আইনটি চূড়ান্ত হলে ভোক্তা আইন-২০০৯-এর পরিবর্তে ২০১৮ নামে অভিহিত হবে। সেখানে বাড়ি ভাড়াসহ আরও নতুন বিষয়ে ভোক্তারা সুফল পাবেন।’



 

  নৈতিক অবক্ষয়েই ধর্ষণের ঘটনা বেড়েছে : হাইকোর্ট

 

মানবাধিকার রিপোর্টঃ
দেশে অব্যাহত নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনায় উষ্মা প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, নৈতিক অবক্ষয়ের কারণেই দেশে ধর্ষণের ঘটনা বেড়েছে। এ ধরনের ঘটনা রোধে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। এজন্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও রাজনীতিবিদদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার এক গৃহবধূকে ‘ধর্ষণের’ পর বিষপানে আত্মহত্যার ঘটনায় দায়ের করা রিটের শুনানিতে মঙ্গলবার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর উদ্দেশে আদালত এ কথা বলেন। বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি হয়।
শুনানি শেষে আদালত এ ঘটনায় রুল জারি করেন। রুলে ধর্ষণ ও আত্মহত্যার ওই ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতা কেন অবৈধ হবে না এবং ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ মীমাংসার নামে তথাকথিত সালিশি বৈঠক কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়েছেন।
সুবর্ণচরের মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চরমাকছুমুল গ্রামে গত ২ মার্চ এক নারীকে ধর্ষণ ও আত্মহত্যার ঘটনা সালিশে মীমাংসা হয়। এ ঘটনায় হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী মুনতাসির মাহমুদ রহমান। শুনানিতে তিনি বলেন, ধর্ষণের ঘটনাটি ৬০ হাজার টাকায় মীমাংসা করে দেন স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরু। পরে ধর্ষক আলাউদ্দিনকে ছেড়ে দেয়া হয়।
এ পর্যায়ে আদালত বলেন, ফৌজদারি মামলা হয়েছে কি? যিনি ইউপি সদস্য তাকে আসামি করা হয়েছে? ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার বলেন, দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় আত্মহত্যার মামলা হয়েছে।
এ ধরনের ঘটনা গ্রাম আদালতে বিচারের সুযোগ নেই। ইউপি সদস্য বেআইনিভাবে এ কাজ করেছেন। আত্মহত্যার শিকার ওই নারীর বাবা থানায় মামলা করেছেন। এ পর্যায়ে আদালত বলেন, মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনায় একজন বাবা যদি বিচার না পান, তাহলে সমাজ কোথায় চলে গেছে?
এ সময় আদালত বলেন, নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে দেড় বছরের শিশু থেকে ছয় সন্তানের জননী ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। এ জন্য রাজনীতিবিদ ও শিক্ষকদের সচেতনতা সৃষ্টিতে ভূমিকা পালন করতে হবে। এ পর্যায়ে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, শিক্ষকদের কেউ কেউ ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির ঘটনায় জড়িত হয়ে পড়ছেন। যেমন ফেনীর সোনাগাজীতে নুসরাতের ঘটনা অন্যতম।
আদালত বলেন, নুসরাতের শ্লীলতাহানির ঘটনায় মামলার পর অধ্যক্ষের মুক্তির দাবিতে গভর্নিং বডির সদস্যরা মিছিল করেছেন। যদি শুরুতে ওই শ্লীলতাহানির ঘটনায় মাদ্রাসার গভর্নিং বডি ও স্থানীয় প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা নিত তাহলে নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনা ঘটত না। আদালত বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজে বিষয়টি নজরদারি করছেন। তদন্তও অনেকদূর এগিয়েছে।
 

দারিদ্র্য থেকে ৬৮ কোটি লোককে বের করা হবে


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৬৮ কোটি হতদরিদ্র মানুষকে গরিবের তালিকা থেকে বের করে আনা হবে। এ জন্য বিশ্বের ১৮৯টি দেশকে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ।
এ আহ্বান জানানোর মধ্য দিয়ে সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের আট দিনব্যাপী বসন্তকালীন বৈঠক শেষ হয়েছে। বৈঠকে সম্প্রতি বাণিজ্য প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগ কমে যাওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দাভাবের আভাস দিয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
তবে এ ঝুঁকির মধ্যেও বাংলাদেশসহ এশিয়া অঞ্চলের দেশগুলোর অর্থনীতি স্থিতিশীল আছে। উল্লেখ্য, বর্তমান বিশ্বে ৭০ কোটি মানুষ দৈনিক ১৬১ টাকা আয় করে চরম দারিদ্র্যসীমার মধ্যে বসবাস করছে।
৮-১৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের বৈঠকে বাংলাদেশসহ ১৮৯টি দেশ অংশ নিয়েছে। বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের সদর দফতরে বৈঠকের সময় এর বাইরে রাস্তায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ-বিরোধীরা। এ সময় সদর দফতরের আশপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। দফতরের পাশের দুটি রাস্তায় গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়।
শেষ দিনের বৈঠকে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ডেভিড মালপাস বলেন, বিশ্বের অনেক দেশ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। এর প্রতি আমরা মনোযোগ দিয়েছি। বর্তমান বিশ্বে ৭০ কোটি মানুষ চরম দরিদ্রতার নিচে বাস করছে। তাদের আয় বৃদ্ধি ও সমৃদ্ধ অর্জন অপ্রতুল।
এ জন্য তাদের তুলে আনতে চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে। এ ছাড়া অর্থনীতিতে নারী ও যুবকদের পুরোপুরি অন্তর্ভুক্ত করে আরও শক্তিশালী ও স্থিতিশীল বিশ্ব অর্থনীতি গড়ে তুলতে হবে। এ জন্য বিশ্বব্যাংক নিরলসভাবে কাজ করছে।
এ বৈঠকে দারিদ্র্য বিমোচন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা ও বিশ্ব অর্থনীতির মতো বিষয় গুরুত্ব পায়। বলা হয়, এ মুহূর্তে ৭০ কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে। তাদের প্রত্যেকের গড় আয় প্রতিদিন ১৬১ টাকা (১ দশমিক ৯০ ডলার)। এ দারিদ্র্যের হার দুই দশকের (১৯৯০ ও ২০০০) চেয়ে বেশি। তবে এ দারিদ্র্যের সংখ্যা বেশি হচ্ছে সাব-সাহারা অঞ্চলে।
আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে ৬৮ কোটি দরিদ্র মানুষকে দারিদ্র্যসীমা থেকে বের করে আনতে একমত পোষণ করেন বিশ্ব অর্থনৈতিক নেতারা। এ কাজটি সুন্দরভাবে সফল করতে প্রতিটি দেশকে নিজস্ব কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা (অ্যাকশন প্ল্যান) জরুরি ভিত্তিতে প্রণয়নের আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিশ্ব অর্থনীতিতে এক ধরনের মন্দার পূর্বাভাস বিরাজ করছে বলে বৈঠকে আভাস দেয়া হয়। পাশাপাশি এ মুহূর্তে বৈশ্বিক বাণিজ্য হ্রাস পাওয়া এবং বিনিয়োগের সম্ভাবনা কমে যাওয়ার বিষয়কেও তুলে ধরা হয়।
এ জন্য চাকরির বাজার কমছে ও ঋণ দুর্বলতা অব্যাহত আছে। নানা সূচক পর্যালোচনা করে এগুলো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলেও মন্তব্য করা হয়। এ উদ্বেগগুলো নিয়ে বিশ্বব্যাংক কাজ করছে বলে বৈঠক বলা হয়।
বৈঠকে বিশ্ব অর্থনীতির দিকগুলো তুলে ধরে বলা হয়- উন্নয়নশীল দেশগুলোর মানুষ নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। ২০১৮ অর্থবছরে শেষ কোয়ার্টারে প্রবৃদ্ধি তিন দশমিক তিন শতাংশ কমেছে।
বৈঠকে বাংলাদেশও বিভিন্ন প্রস্তাব উত্থাপন করেছে। বিশেষ করে রোহিঙ্গাদের বর্তমান অবস্থান তুলে ধরে সহায়তা চাওয়া হয়েছে। দেশে আধুনিকমানের শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্যও সহায়তা চাওয়া হয়েছে।
 

 

শ্রম নিরাপত্তায় স্বীকৃতি মিলেছে বাংলাদেশের


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
একটি শিল্প দুর্ঘটনা কীভাবে একটি দেশের শ্রম নিরাপত্তায় (কমপ্লায়েন্স) ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে - তার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বাংলাদেশ। ঠিক ছয় বছর আগে ২০১৩ সালের এই দিনে ঢাকার অদূরে রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় ১ হাজার ১৩৮ জন শ্রমিক নিহত হন। আহত হয় আরো প্রায় দুই হাজার শ্রমিক। এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্ শিল্প দুর্ঘটনা হিসেবে পরিচিতি পায়। বিশ্বব্যাপী ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে বাংলাদেশ।
শুধু তা-ই নয়, বাংলাদেশ থেকে পোশাক ক্রয় করা আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ও ক্রেতারা চাপে পড়ে। বাংলাদেশ থেকে শ্রমিকের রক্তমাখা পোশাক না কিনতে ইউরোপব্যাপী বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দোকানের সামনে মানববন্ধনও করা হয়। কোনো কোনো ক্রেতা বাংলাদেশের মত একটি ‘দুর্বল শ্রম নিরাপত্তার’ দেশ থেকে পোশাক না কেনারও সিদ্ধান্ত নেন। ওই সময়ে রফতানির প্রায় ৮০ শতাংশ অবদান রাখা গার্মেন্টসের এমন নাজুক পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে বাংলাদেশ।
এর পরের ছয় বছরের গল্প কেবল উঠে দাঁড়ানোর। ইউরোপ ও আমেরিকার ক্রেতাদের সমন্বয়ে গঠিত অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স বাংলাদেশের গার্মেন্টস কারখানার ভবন, অগ্নি ও বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরীক্ষা করে সংস্কারের উদ্যোগ নেয়। তাদের সংস্কারের আওতায় থাকা প্রায় দুই হাজার দুইশ’ কারখানায় ইতিমধ্যে ৯২ শতাংশের বেশি সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। পাঁচ বছরের সংস্কার কাজ শেষ করে গত ডিসেম্বর কার্যক্রম গুটিয়ে নিয়েছে অ্যালায়েন্স। এ সময় অ্যালায়েন্সের প্রধান জিম মরিয়ার্টির মূল্যায়ন ছিল, গার্মেন্টসে বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপত্তাহীন কর্মপরিবেশ থেকে এখন সবচেয়ে নিরাপদ কর্মপরিবেশের দেশ।
অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের আওতার বাইরে থাকা প্রায় দেড় হাজার কারখানার সংস্কার কাজ দেখভাল করছে শ্রম মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর (ডিআইএফই)। এছাড়া ইউরোপ ও আমেরিকার কয়েকটি দেশের উদ্যোগে গঠিত হয়েছে ‘সাসটেইনেবিলিটি কমপ্যাক্ট’। এটিও সময়ে সময়ে এদেশে গার্মেন্টসে কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকের নিরাপত্তা ও শ্রম অধিকার পর্যালোচনা করে।
কারখানা মালিকদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, গত ছয় বছর ধরে কারখানাকে কমপ্লায়েন্ট করতে এক একটি কারখানাকে গড়ে ৫ কোটি টাকা করে খরচ করতে হয়েছে। কারখানার তদারককারী সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতাও বাড়ানো হয়েছে। এসব কারণে গত ছয় বছরে গর্মেন্টসে বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা দেখা যায়নি। কিছু দুর্ঘটনা ঘটলেও তাতে তেমন জীবনহানির ঘটনা ঘটেনি।
ফলে ধীরে ধীরে বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা বাড়াতে আস্থা ফিরছে ক্রেতাদের মধ্যে। এর প্রমাণ দেখা গেছে রফতানির চিত্রেও। গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে গার্মেন্টস রফতানি বেড়েছিল ৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ। একই বছরে গার্মেন্টস রফতানি ৩০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছাড়ায়। আর চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত ৯ মাসে পূর্বের অর্থবছরের চেয়ে বেড়েছে ১৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ। রফতানির পরিমাণ ২ হাজার ছয়শ’ কোটি ডলার।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত ছয় বছরে দুই দফা শ্রম আইনের সংশোধন করে শ্রমিকবান্ধব করার চেষ্টা করা হয়েছে। ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের কিছু বাধা দূর করা হয়েছে। ফলে শ্রমিকদের মধ্যে ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের হারও বেড়েছে। ২০১৩ সালে যেখানে ট্রেড ইউনিয়নের সংখ্যা ছিল ৫০-এর নিচে, বর্তমানে তা ৭৫৩টিতে দাঁড়িয়েছে। দুর্ঘটনায় শ্রমিকের ক্ষতিপূরণ বেড়েছে।


 

 সুশাসন ও মানবাধিকার ইস্যুতে গুরুত্বারোপ

 


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন যুক্তরাজ্যের স্থায়ী অন্ডার সেক্রেটারী স্যার সায়মন ম্যাকডোনাল্ড। ছবি সংগৃহীত
বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে কৌশলগত তৃতীয় সংলাপে সুশাসন, মানবাধিকার, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের ভিসাসহ বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক ইস্যু গুরুত্ব পেয়েছে। সংলাপে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, শিক্ষা ও দক্ষতা, সুশাসন এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন, ভবিষ্যৎ উন্নয়ন অংশীদারিত্ব, অভিবাসন এবং নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, পারস্পরিক স্বার্থের আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে আলোচনা হয়।
রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান খুঁজে বের করার বিষয়টি অধিক গুরুত্বের সঙ্গে নেয়া হয়। সংলাপে মোট ১৭টি পয়েন্টে আলোচনা হয় বলে জানানো হয়েছে। তারেক রহমানকে ফিরিয়ে আনা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আর কিছু জানা যায়নি।
বুধবার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে তৃতীয় কৌশলগত সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক এবং যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন দেশটির পররাষ্ট্র ও কমনওয়েলথ বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি সায়মন ম্যাকডোনাল্ড। যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধি দলে পররাষ্ট্র দফতর, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অধিদফতর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, যুক্তরাজ্য সীমান্ত এজেন্সি, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা রয়েছেন। পরে তারা যৌথ ব্রিফিং করেন।
একইদিন বিকালে রাজধানীর বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে ‘যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়ন পরিত্যাগের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক’ শীর্ষক এক আলোচনায় অংশ নেন ম্যাকডোনাল্ড। বিআইএসএস এর আয়োজন করে। এ সময় যুক্তরাজ্যে অবস্থানকারী বাংলাদেশি সাজা প্রাপ্তদের ফিরিয়ে দেয়ার বিষয়ে ম্যাকডোনাল্ড বলেন, এটি সেনসিটিভ ইস্যু। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা কাজ করি। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সব ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
সায়মন ম্যাকডোনাল্ড বলেন, এবারের সংলাপে আমার নেতৃত্বে ২১ সদস্যের অংশগ্রহণ স্পষ্ট যে বাংলাদেশের সঙ্গে কৌশলগত আলোচনায় এবং সম্পর্ক বৃদ্ধিতে সংলাপে ব্রিটেন কতটা মনোযোগী। ভূ-রাজনৈতিক অবস্থানসহ বাংলাদেশের সঙ্গে ভবিষ্যতে সম্পর্ককে আরও গভীর করতে দেশটির আগ্রহ আছে জানিয়ে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বাংলাদেশও এতে আগ্রহী।
তিনি বলেন, আমরা সংলাপে সহযোগিতার নতুন নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধান, আঞ্চলিক সংযুক্তি ও স্থিতিশীলতার মতো পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেছি। ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শেষে বাংলাদেশ যাতে দেশটির বিশেষ বাণিজ্য অংশীদার থাকে তা নিয়েও কথা হয়েছে।
সংলাপ নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রচার করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়- সংলাপে ভিসা সহজীকরণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ভিসা অফিস সরিয়ে নেয়া হলেও ঢাকা ও সিলেটে আবেদনকারীদের হাই কোয়ালিটি সার্ভিসে ব্রিটেনের যে অঙ্গীকার রয়েছে তা বাস্তবায়নের তাগিদ দেয়া হয়েছে।
ব্রিটেনে অবৈধ হয়ে পড়া বাংলাদেশিদের ফেরানোর বিষয়ে বাংলাদেশের যে অঙ্গীকার তা নিয়েও কথা হয়েছে। ব্রিটিশ সরকার বাংলাদেশের নীতির প্রশংসা করেছে এবং স্বাগত জানিয়েছে। রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দানের জন্য বাংলাদেশের ফের ভূয়সী প্রশংসা করেছে ব্রিটেনের নেতৃত্ব। শ্রীলংকা ও নিউজিল্যান্ডে সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানানো হয়েছে ঢাকার সংলাপে।
এর আগে সংলাপ শেষে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শহিদুল হক প্রেস ব্রিফিং করেন। এতে তিনি বলেন, এটি অত্যন্ত গঠনমূলক আলোচনা ছিল। আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক এবং বহুপাক্ষিক সব ধরনের বিষয়ে আলোচনা করেছি। স্বাধীনতার সময় থেকেই যুক্তরাজ্য সরকার এবং তার নাগরিকদের সঙ্গে আমাদের গভীর বিশ্বস্তপূর্ণ দীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে।
 



Top

 শিক্ষার্থীদের সামনে শিক্ষকদের ধূমপান নিষেধ

মানবাধিকার রিপোর্টঃ
উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে এবং শিক্ষার্থীদের সামনে পান, জর্দা ও গুল গ্রহণ না করার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের বিদ্যালয়ের ভেতরে এবং বিদ্যালয়ের বাইরে শিক্ষার্থীদের সামনে ধূমপান না করার নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)।
মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক মো. আবদুল মান্নান স্বাক্ষরিত ‘ধূমপান ও তামাকজাতীয় দ্রব্য পরিহার সংক্রান্ত’ নির্দেশনা বুধবার (২৪ এপ্রিল) সব উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকদের পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়, কোনো কোনো শিক্ষক বিদ্যালয় কিংবা বিদ্যালয়ের বাইরে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে ধূমপান করেন, বিষয়টি শিক্ষকসুলভ আচরণ ও জনস্বাস্থ্যের পরিপন্থি।
‘এই মর্মে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের নির্দেশনা প্রদান করা যাচ্ছে যে, তারা বিদ্যালয়ের ভেতরে ধূমপান করবেন না এবং বিদ্যালয়ের বাইরে অন্তত শিক্ষার্থীদের সামনে ধূমপান থেকে বিরত থাকবেন।’
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, কোনো কোনো শিক্ষক প্রচুর পরিমাণ পান, জর্দা ও গুল গ্রহণ করে ক্লাসরুমে যান কিংবা শিক্ষার্থীদের উপস্থিতে কথা বলেন, এতে শিক্ষার্থীদের ভেতর বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।
‘শিখন-শিখানো কার্যক্রম পরিচালনার সময় কিংবা শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে শিক্ষকদের পান, জর্দা ও গুল গ্রহণ না করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হলো।’
স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য তালিকা দিতে হবে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের
শিক্ষার্থীদের সুস্বাস্থ্য গঠনের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) পুষ্টিবিজ্ঞান বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী তাদের জন্য খাদ্য তালিকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই তালিকা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিতরণ করতে উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধানদের নির্দেশনা দিয়েছে মাউশি। স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যতালিকা সরবরাহ সংক্রান্ত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, তালিকা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস তৈরির লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশনা দেওয়া হলো। তালিকাটি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিতরণ করতে হবে। ‘স্কুল গেটে এবং আশেপাশে ভ্যানগাড়িতে বা দোকানে যে সব খাবার বিক্রি করা হয় তাদেরও তালিকা সম্পর্কে অবহিত করতে হবে এবং বিভিন্ন সময়ে তদারকি করতে হবে।’
স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণের বিষয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সচেতন করতে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও শিক্ষকদের অভিভাবক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা করতেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বই
বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার হিসেবে ক্রোকারিজ সামগ্রী না দিয়ে বই অথবা শিক্ষা সহায়ক উপকরণ দিতে উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধানদের নির্দেশনা দিয়েছে মাউশি।
নির্দেশনায় বলা হয়, প্রতিযোগিতায় পুরস্কার হিসেবে বই অথবা শিক্ষা উপকরণ প্রদান’ এ সংক্রান্ত নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, বিদ্যালয়গুলোর সহশিক্ষাক্রমিক কার্যক্রমের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রতিযোগীদের মধ্যে পুরস্কার হিসেবে ক্রোকারিজ সামগ্রী দেওয়া হয়।
‘এ ধরনের পুরস্কার শিক্ষার্থীদের শিখন-শেখানো কার্যক্রমের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এ প্রেক্ষিতে গুণগত শিক্ষা অর্জনের লক্ষ্যে সব অনুষ্ঠানে প্রতিযোগী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার হিসেবে বয়স উপযোগী মানসম্মত বই অথবা শিক্ষা সহায়ক উপকরণ দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হল।’

 

Top

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা শিশু নির্যাতনের নামান্তর

মো. দ্বীন ইসলাম হাওলাদার



শিক্ষা মানুষের মৌলিক মানবিক অধিকার সমূহের মধ্যে অন্যতম। অর্থনীতি, সমাজনীতি, রাষ্ট্রনীতি, ধর্মনীতি, শিক্ষাছাড়া সব কিছুই অচল। তাই যে জাতি যত শিক্ষিত; সে জাতি তত উন্নত। শিক্ষা মানে সনদ প্রাপ্তি নয় বরং শিক্ষা হচ্ছে মানুষের মনোজগতের কাঙ্খিত মানবিক উন্নয়ন সাধন। পৃথিবীর সকল দেশই শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। খরচ করছে কোটি কোটি ডলার। বাংলাদেশ সরকার তথা শেখ হাসিনার সরকারও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। তবে আমাদের শিক্ষাবিদরা অনেকাংশে মানবিক বিকারগ্রস্থ। তারা শিক্ষা ব্যবস্থাকে শিশু নির্যাতনের যাঁতাকলে পরিণত করেছেন। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সকাল ৯/৯:৩০ থেকে বিকাল ৪/৪:৩০ টা পর্যন্ত শিশুদেরকে প্রতিষ্ঠানে আটকে রাখা হয়। অনেক প্রতিষ্ঠানে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি এবং দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৪:৩০ পর্যন্ত তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত শ্রেণী সময়। আবার অনেক প্রতিষ্ঠানে সকল ক্লাস সকাল ৯টায় শুরু করা হয় এবং ১২ টায় প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি ছুটি দিয়ে তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বিকাল ৪:৩০ টায় ছুটি দেওয়া হয়। মাধ্যমিক বিদ্যালয় গুলোতেও শ্রেণী সময় এমনই। অথচ শিক্ষা ব্যবস্থার এই দুই স্তরে (প্রাথমিক ও মাধ্যমিক) সকলের শৈশব কাটে। যখন ৪/৪:৩০ টায় ছুটির পরে শিশুরা বাড়ির দিকে ছুটতে থাকে। তখন তাদেরকে দেখলে মনে হয় তারা যেন চৈত্রের দুপুরের রোদে পোঁড়া চারা গাছের ন্যায় ঢলে পড়ছে। কিন্তু মানসিক বিকারগ্রস্থ কারিকুলাম বিশেষজ্ঞরা তা উপলব্ধি করতে ব্যার্থ। ব্যর্থ হওয়ারও কথা। কারণ তারা প্রতিমাসে নানা অজুহাতে রাজকোষের বিপুল পরিমান অর্থ তছরূপ করেন। থাকেন বিলাস বহুল বাড়িতে; চলেন বিলাস বহুল গাড়িতে। আর রাজকোষের অর্থে দেশ বিদেশ ভ্রমণতো আছেই। তাদের সন্তানদের লেখাপড়া চলে বিদেশে, নয়তো রাজধানীর কোনো বড় বড় প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে যেখানে কারাবন্ধীর মতো এতো দীর্ঘ সময় থাকতে হয় না। এসি গাড়িতে যাতায়াত, গাড়ি ভতি নাস্তা আর ৩/৪ ঘন্টা পরে বাসায় ফিরে যাওয়া। কতনা বিলাসিতা। আর গ্রামের শিশুদের সেই প্রত্যুষে দু’মুঠো পানি ভাত খেয়ে সকাল ৯টা থেকে ৪:৩০ টা পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানে অবস্থান কতটা কষ্টের তা তাদের না বোঝারই কথা। উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্লাস করে না। তা নিয়ে কোনো জোড়াজুড়ি নাই। প্রতিদিন তাদের ক্লাস থাকে না এবং দুপুর ১/২ টার পরে তাদের কোনো ক্লাস থাকে না, অনার্স/মাস্টার্সের শিক্ষার্থীরা আরো স্বাধীন, তাদের ক্লাস সপ্তাহে ৪/৫ টা। বইগুলোও সেমিস্টার ভিত্তিক ভাগ করা। অথচ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের উপর চাপানো হয়েছে বিশাল বইয়ের খড়গ। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর শিক্ষাবিদরা অনার্স/মাস্টার্সের বই চাপাতে পারলেই মনে হয় তাদের সাধ মিটতো। কারিকুলাম বিশেষজ্ঞরা বয়স ও শ্রেণি ভেদে শ্রেণির সময়, বইয়ের সংখ্যা ও বইয়ের ভলিয়ম নির্ধারণে চরম ব্যর্থতার ছাপ রেখেছেন।
আবার সৃজনশীল নামের শীল মশাইয়ের আক্রমনে শিক্ষার্থীরা দিশেহারা। আমাদের শিক্ষাবিদ তথা কারিকুলাম বিশেষজ্ঞরা সৃজনশীলের মানে বোঝেন কিনা তাই সন্দেহ। সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর পড়ার জন্য যদি শিক্ষার্থীদের গাদা গাদা গাইড পড়তে হয়, তবে তা কেমন সৃজনশীল? যেখানে গাইড বই পড়া নিসিদ্ধ অথচ পরীক্ষায় গাইড নির্ভর প্রশ্ন করা হয়। সরকাার প্রদত্ত বইয়ের ভলিয়মই অত্যন্ত বড়। যেখান থেকে সরাসরি প্রশ্ন করলে তাও বাড়াবাড়ি হয়ে যায়। অতিরিক্ত বই ও বইয়ের বড় ভলিয়মের কারণে এত দীর্ঘ সময় শ্রেণী কক্ষে শিক্ষার্থীদেরকে আটকে থাকতে হয় এবং ক্লাসের পূর্বে ও পরে প্রাইভেট ও কোচিং করতে হয়। শিক্ষার্থীদেরকে এখন যন্ত্র মানব বানানো হয়েছে। কিন্তু অতিরিক্ত বই আর দীর্ঘ সময় ক্লাসে থেকে শিক্ষার্থীরা কি শিখছে? গত ২৭/০২/২০১৯ তারিখে বিশ্ব ব্যাংকের প্রাথমিক লার্নিং টু বিয়ালাইজেশন এডুুকেশন প্রমিজ ২০১৮ এর প্রতিবেদন বলা হয়েছে-প্রাথমিকের ৭৫% শিক্ষার্থী বইয়ের অংক বোঝে না এবং ৬৫% শিক্ষার্থী বাংলা দেখে পড়তে পারছে না। যা অতিরিক্ত ও বড় বড় ভলিয়মের বইয়ের ফলাফল। এ ছাড়াও সারা বছর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের র‌্যালি আর সমাবেশের নামে মানসিক চাপে রাখা হয়। অথচ এসকল শিশুদের দুপুর ১/২ টার পরে মধ্যভোজ শেষে বিশ্রাম/ঘুমের দরকার, তার পর কিছু সময় বাড়িতে লেখাপড়া, বিকেলে খেলাধূলার প্রয়োজন। কিন্তু আমাদের শিশুরা তা থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত। শিক্ষকেরাও একটানা সকাল থেকে দুপুর ১/২ টার পরে ভালো কিছু শিক্ষা দিতে পারেন না। শিক্ষকরাও এখন যন্ত্রমানব। শুধু সরকারের আইন মানছে।
শ্রেণী সময় ৯ টা থেকে ১ টা/ সকাল ১০ টা থেকে ২টার বেশি এবং অতিরিক্ত ও বড় বড় ভলিয়মের বই চাপিয়ে দেয়া অমানবিক শিশু নির্যাতন ছাড়া আর কিছুই নয়। তাই শিক্ষমন্ত্রণালয়সহ কারিকুলাম বিশেষজ্ঞদেরকে অনুরোধ করবো আপনারা মানসিক বিকারগ্রস্ত না হয়ে, বাস্তবতা বিবর্জিত না হয়ে মানসম্মত শিক্ষা কারিকুলাম তৈরির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদেরকে অমানবিক নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচানোর উপায় খুজে বের করুন।

 

বিশ্বের বৃহত্তম হীরা মিলল বোতসোয়ানায়

 

মানবাধিকার রিপোর্টঃ
বিশ্বের বৃহত্তম হীরক খণ্ডের সন্ধান মিলেছে আফ্রিকার বোতসোয়ানায়। বৃহস্পতিবার মধ্য-পূর্ব বোতসোয়ানার একটি খনিতে হীরাটি পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার মধ্য-পূর্ব বোতসোয়ানার কারোয়ে খনিতে ওই হীরার সন্ধান মেলে। এখন পর্যন্ত এর চেয়ে বড় আকারের হীরার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
খননকার্য চালিয়ে কানাডার একটি মাইনিং কোম্পানি হীরাটি উদ্ধার করে। এটি ১,৭৫৮ ক্যারাটের।
উদ্ধার হওয়া হীরাটির ওজন ৩৫২ গ্রাম যার মাপ ৮৩ মিমি ঢ ৬২ মিমি ঢ ৪৬ মিমি। প্রসঙ্গত, বোতসোয়ানায় বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ গুণগত মানের হীরে পাওয়া যায়।
 

ফিলিস্তিনি শিশুরা ইসরায়েলে পাশবিক নির্যাতনের শিকার


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
দশকের পর দশক ধরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের নির্যাতন ক্রমাগত চলছেই। শান্তি প্রতিষ্ঠায় এখনো পর্যন্ত জোরালো কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে। এরই মধ্যে চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে নারী ও শিশুসহ অন্তত ১ হাজার ৬০০ জন ফিলিস্তিনিকে আটক করেছে ইসরায়েল। তাদের মধ্যে ২৩০ জন শিশু ও কমপক্ষে ৪০ জন নারী। এই আটক অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি ফিলিস্তিন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (পিএলও) পাবলিক ডিপ্লোমেসি ও পলিসি বিভাগের পক্ষ থেকে এই হিসাব দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের শুরু থেকে ইসরায়েল যেসব ফিলিস্তিনিদের আটক করেছে তাদের মধ্যে ৫০০ জনকে প্রশাসনিকভাবে আটক করা হয়েছে।

 

আদালতে সাংবাদিকরা যা দেখবেন তাই লিখবেন: প্রধান বিচারপতি

 


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেছেন, ‘আদালতে সাংবাদিকরা যা দেখতে পাবেন তাই লিখবেন’। মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সুপ্রিম কোর্ট সাংবাদিকদের সংগঠন ‘ল রিপোর্টার্স ফোরাম’ (এরআরএফ) এর ২০১৯-২০ সালের কার্যনির্বাহী কমিটির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আদালতে সাংবাদিকরা যা দেখতে পাবেন তাই লিখবেন। বিচার বিভাগের মর্যাদা ও ভাবমূর্তি যাতে বহাল থাকে সাংবাদিকদের সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে’।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে অংশ নেন ফোরামের সভাপতি দৈনিক সমকালের ওয়াকিল আহমেদ হিরন ও সাধারণ সম্পাদক দৈনিক মানব জমিনের নাজমুল আহসান রাজু, ফোরামের সাবেক সভাপতি দৈনিক কালের কন্ঠের এম. বদি-উজ-জামান, ডেইলি স্টারের আশুতোষ সরকার ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার দিদারুল আলম দিদার।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ফোরামের সহ-সভাপতি দৈনিক সময়ের আলোর হিরা তালুকদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের মতলু মল্লিক, কোষাধ্যক্ষ জাগো নিউজের ফজলুল হক মৃধা, সাংগঠনিক সম্পাদক রেডিও টুডের মনজুর হোসাইন, দফতর সম্পাদক দৈনিক ভোরের কাগজের তানভীর আহমেদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রাইজিং বিডির মেহেদী হাসান ডালিম, প্রশিক্ষণ ও কল্যাণ সম্পাদক চ্যানেল টোয়েন্টি ফোরের মাসউদুর রহমান এবং কমিটির চার কার্যনির্বাহী সদস্য আমাদের নতুন সময়ের এস এম নূর মোহাম্মদ, ডিবিসি টেলিভিশনের জাহিদ হাসান, ইত্তেফাক অনলাইনের খাদেমুল ইসলাম এবং বাংলা ট্রিবিউনের মো. বাহাউদ্দিন আল ইমরান।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ড. জাকির হোসেন, আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার বদরুল আলম ভূঞা, স্পেশাল অফিসার ব্যারিস্টার সাইফুর রহমান, রেজিস্ট্রার জেনারেলের একান্ত সচিব জিবরুল হাসানসহ প্রমুখ।




ধর্ষণ বা যৌন হয়রানির রেকর্ড নেবেন শুধু নারী ম্যাজিস্ট্রেট


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতনের শিকার নারী বা শিশুদের জবানবন্দি শুধুমাত্র একজন নারী ম্যাজিস্ট্রেট গ্রহণ করবেন- এমন নির্দেশনা দিয়ে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রতি সার্কুলার জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।
ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতন ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের স্বার্থে ১৫ এপ্রিল প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের আদেশক্রমে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ড. মো. জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত এ সার্কুলার জারি করা হয়।
আজ মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের স্পেশাল অফিসার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান এ-সংক্রান্ত সার্কুলার জারির কথা সাংবাদিকদের জানান।
 

ভাড়ায়চালিত বাইকে মেয়েরা কতটা নিরাপদ

মানবাধিকার রিপোর্টঃ
দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছাতে এখন অনেকে অ্যাপ ভিত্তিক ভাড়ায় চালিত মোটরবাইকে চলাচল করছেন। ভাড়ায় মোটরবাইক চালাচ্ছেন অনেক নারী রাইডারও। এছাড়া সাধারণ বাইকারদের বাইকেও যাতায়াত করছেন অনেক নারী। বৃহস্পতিবার রাজধানীর
শেরেবাংলা নগর এলাকায় কাভার্ড ভ্যানের চাপায় মারা যান ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাহমিদা হক লাবণ্য। তিনি ভাড়ায় চালিত একটি মোটরবাইকে করে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছিলেন। তার এমন মৃতুর পর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে নারীদের এভাবে মোটরবাইকে চলাচল কতোটা নিরাপদ। পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নারীদের গণপরিবহনে চলাচল করা এমনিতে নানা কারণে অনিরাপদ। মোটরবাইকে চলাচলটা আরও অনিরাপদ।
সংশ্লিষ্টদের মতে শুধু নারী না, নিয়ম কানুন না থাকায় ভাড়ায় চালিত মোটরবাইকে চলাচল অন্য যাত্রীদের জন্যও তেমন নিরাপদ না। কারণ চালকদের অনেকের প্রশিক্ষণ নেই। অনেকে রাজধানীর সড়ক সম্পর্কে যথেষ্ট পরিচিত নয়।
ব্র্যাকের করা এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর ১৯ শতাংশ প্রাণ যায় বাস বা অন্য যানের যাত্রীদের। মোটরসাইকেল বা থ্রী হুইলার আরোহী মারা যান ১৬ শতাংশ। ১৯৯৮ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত হওয়া দুর্ঘটনা প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে সড়ক দুর্ঘটনা ইনস্টিটিউট (এআরআই) বলছে, ৯০ শতাংশ দুর্ঘটনার পেছনে অতিরিক্ত গতি ও চালকের বেপরোয়া মনোভাব দায়ী। বুয়েটের দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের (এআরআই) সহকারী অধ্যাপক কাজী সাইফুন নেওয়াজ বলেন, এখানে সামাজিক নিরাপত্তার কোনো সমস্যা নেই বলে মনে করছি। রোড সেফটির প্রশ্নে মোটরসাইকেলের যাত্রীর জন্য বড় বিষয় হচ্ছে হেলমেট। এক্ষেত্রে যাত্রী যেন মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার করে। হেলমেটের ভেতরে যেন অবশ্যই কোশন থাকে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তৌহিদুল হক বলেন, ট্র্যাফিক জ্যামের কারণে প্রথম দিকে আমরা এই ধরনের পরিবহনগুলোকে স্বাগত জানিয়েছি। পাঠাও অথবা উবারের মাধ্যমে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আরামদায়কভাবে ও দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছনো সম্ভব। কিন্তু দুঃখের বিষয় এগুলো যেভাবে পরিচালিত হচ্ছে বিশেষ করে রাজধানীতে মেয়েদের পরিবহন হিসেবে আমাদের সমাজ এটাকে ওভাবে সমর্থন করেনা। পাশাপাশি রোড সেফটিরও একটি বিষয় থেকে যায়। আমরা সম্প্রতি যে ঘটনাগুলো দেখছি তারই প্রেক্ষিতে বলতে চাই এসব পরিবহনকে অবশ্যই মনিটরিং এর মধ্যে আনতে হবে। গণপরিবহন বিশেষজ্ঞ ড. এস এম সালেহ উদ্দিন বলেন, মোটরসাইকেলে চড়ে যাত্রী যাতায়াতের ব্যবস্থা এটা অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ। এটা কোনো নিরাপদ বাহন হতে পারে না। পরিবহন চালক হিসেবে তাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে যেটা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই থাকে না। দ্বিতীয়ত হচ্ছে, মহাসড়কে ১০টি মোটরসাইকেল একটি বাসের সমান জায়গা দখল করে। ১০টি মোটরসাইকেলে যাত্রী নেয় ১০ জন। আর একটি বাসে যাত্রী নেয় ৬০ জন। রাজধানীতে সড়কে জায়গার অভাব থাকা সত্ত্বেও আমরা মোটরসাইকেল দিয়ে সারা ঢাকা শহর ভরে ফেলেছি। যেখানে কিছু সংখ্যক বাস দিয়ে এই যাত্রীদের যাতায়াতের ব্যবস্থা করা যায়। আমি মনে করি, মোটরসাইকেলে মেয়েদের যাতায়াতে নিরাপত্তাতো নেইই। পাশাপাশি ছেলেদের জন্যও এটা ঝুঁকিপূর্ণ। যদি সাময়িকভাবে মোটরসাইকেলকে গণপরিবহন হিসেবে রাখা হয় সে ক্ষেত্রে তাদের জন্য আলাদা লেনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. নেহাল করিম মনে করেন নানা কারণেই ভাড়ায় চালিত সাধারণ বাইকে মেয়েদের যাতায়াত নিরাপদ নয়। এ কারণে তাদের দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বেশি।


 

মানুষের মাথায় মেমোরি কত জিবি, জানেন কী?


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
আমরা প্রায়ই কথা বলতে শুনি- মেমোরি কার্ড, ল্যাপটপ, কম্পিউটার হার্ডডিস্ক ও ইউএসবি ফ্লাশ ড্রাইভ এসব নিয়ে।
মেমোরির ক্যাপাসিটি বা ধারণক্ষমতা নিয়ে আমরা আলাপ করি প্রতিনিয়ত। বাজারে ১ জিবি, ২ জিবি এভাবে ১২৮ জিবি বা আরও বেশি জিবির মেমোরি কার্ড বা পেনড্রাইভ পাওয়া যায়। কিছু কিছু হার্ডডিস্ক ও পেনড্রাইভ ১০০০ থেকে ২০০০ গিগাবাইট পর্যন্ত মেমোরি ধারণ করতে পারে।
কিন্তু আমরা কি ভেবে দেখেছি সৃষ্টিকর্তা আমাদের ব্রেনে কত জিবি মেমোরি দিয়েছেন?
বিজ্ঞানীরা আজও মানুষের ব্রেনের ক্যাপাসিটি বা ধারণক্ষমতা নির্ণয় করতে সক্ষম হননি। তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, আপনি যদি ৩০ লাখ ঘণ্টা বা ৩৪২ বছর একনাগাড়ে মস্তিষ্কের মেমোরি কার্ডে সারাক্ষণ ভিডিও ধারণ করেন, তাতেও আপনার মস্তিষ্ক নামের সুপার কম্পিউটারের মেমোরি স্পেস পূরণ হবে না।
মস্তিষ্কের মেমোরি স্পেস নিয়ে গবেষণা তথ্যে নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোলজির অধ্যাপক ড. পল রেবার উল্লেখ করেছেন, মানুষের মস্তিষ্কে রয়েছে ১০০ কোটি বা এক বিলিয়ন নিউরন। প্রতিটি নিউরন একে অপরের সঙ্গে গড়ে তুলেছে ১ হাজার সংযোগ, যার গাণিতিক সংখ্যা হবে এক ট্রিলিয়নের বেশি।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, যদি প্রতিটি নিউরন একটি করে মেমোরি ধারণ করে তা হলেও কারও জীবদ্দশায় কখনও মেমোরি স্পেস শেষ হবে না। বরং এক একটা নিউরন অসংখ্য মেমোরি ধারণ করতে সক্ষম।
তিনি আরও বলেন, অধ্যাপক পল রেবর উল্লেখ করেছেন, ব্রেন যদি কোনো সর্বাধুনিক ডিজিটাল ভিডিও রেকর্ডারের মতো মেমোরি ধারণ করে, তা হলে সেই মেমোরি যদি কোনো টিভিতে অবিরাম সম্প্রচার করা হয়, তা হলে তিন শতাধিক বছর লাগবে তা প্রচার করতে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, ব্রেনের মেমোরি ধারণক্ষমতা কমপক্ষে ২ দশমিক ৫ পেটাবাইট অথবা ১ মিলিয়ন জিবি বা ১০ লাখ গিগাবাইট ধারণক্ষমতা রয়েছে মস্তিষ্কের মেমোরি কার্ডের।
৫৭৬ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার শক্তি আছে মানুষের চোখে
মানবাধিকার রিপোর্টঃ
ছবি বা ভিডিও ধারণে আমরা ক্যামেরা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সবার আগে দেখি সেটি কত মেগাপিক্সেল। এই পিক্সেল হচ্ছে ছবির প্রাণ। ছবির ক্ষুদ্রতম এ অংশ যা খালি চোখে দেখা যায় না। একটি ছবিকে সফটওয়্যারের মাধ্যমে জুম বা বড় করতে থাকলে ছবিটির মধ্যে সবশেষ অসংখ্যা চার কোণা আকৃতির টুকরো দেখা যায়।
একে ছবির আয়তনের একক বলা হয়। একটি ছবিতে যদি ১০ লাখ এমন টুকরো থাকে তাহলে সেটিকে এক মেগাপিক্সেল বলা হয়। বাজারে প্রচলিত সাধারণ ক্যামেরায় সর্বোচ্ছ প্রায় ৪১ মেগাপিক্সেল ছবি তোলার ক্ষমতা থাকে। তবে প্রফেশনাল ভিডিও ক্যামেরায় এটি অনেক বেশি।
কিন্তু এই ৪১ মেগাপিক্সেলের চেয়ে প্রায় ১৪ গুণ বা ৫৭৫ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার শক্তি রয়েছে মানুষের চোখে। সেকারণে আমরা প্রায় ১ কোটি রঙ আলাদাভাবে দেখতে পাই। সাধারণত একটি ছবির দৈর্ঘ্য ৩ হাজার পিক্সেল আর প্রস্থে ২ হাজার পিক্সেল হলে পুরো ছবির আয়তন দাঁড়ায় ৬০ লাখ পিক্সেল; এটি হবে ৬ মেগাপিক্সেলের ছবি।
সাধারণত বলা হয়ে থাকে যে, স্থির দৃষ্টিতে একটি স্থিরচিত্র হিসেবে মানুষের চোখ ৫৭৬ মেগা পিক্সেলের ছবি গ্রহণ করতে পারে। তবে চলমান ছবি বা ভিডিও মানুষের চোখ ৭৭৭.৬গিগাপিক্সেল/সেকেন্ড পর্যন্ত চিত্রগ্রহণ করতে সক্ষম।

 

 ১১ বছর ধরে সাঁতার কেটে অফিসে যাতায়াতা

 

মানবাধিকার রিপোর্টঃ
অফিসে যেতে পাড়ি দিতে হয় লম্বা রাস্তা। তারপর রয়েছে যানজট। সব মিলিয়ে ঘণ্টাখানেকের মামলা। এসব ঝক্কি থেকে বাঁচতে তাই সাঁতার কেটেই পাড়ি জমান অফিসে। এই ব্যক্তির নাম ঝু বিয়ু।
৫৩ বছরের ব্যক্তি কাজ করেন চীনের হুবেই এলাকার একটি অফিসে। সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের খবরে বলা হয়, বাড়ি থেকে অফিসে যেতে ঝুয়ের সময় লাগে এক ঘণ্টার বেশি। রাস্তাঘাটে জ্যাম থাকলে অফিসে যেতে সময় নষ্ট হয় আরও। সময় বাঁচাতে ১১ বছর ধরে তিনি সাঁতরে অফিসে যাচ্ছেন। এই অভ্যাসের জন্য স্থানীয়দের কাছে তারকা হয়ে উঠেছেন ঝু।
ডেইলি মেইল জানায়, সাঁতার কেটে আধা ঘণ্টার মধ্যেই অফিসে পৌঁছে যাচ্ছেন ঝু। এজন্য পাশের ইয়াংঝে নদীতে রোজ প্রায় দুই কিলোমিটার সাঁতার কাটতে হয় তাকে। কমলা রঙের দুটি ভাসমান বেলুন নিয়ে ওই পথ পাড়ি দেন তিনি।
ঝু জানান, সাঁতার কেটে অফিসে যাওয়ার জন্য তার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এছাড়া শরীর বেশ চাঙ্গাও লাগে তার। ঝুয়ের এই উদ্যোগ স্থানীয়দের মনেও ধরেছে। সম্প্রতি বেশ কয়েকজন সাঁতার কেটে ঝুয়ের অফিস যাওয়ার সঙ্গীও হয়েছেন।

 

Top

না জানিয়ে সেলফি তুললে ৬ মাসের জেল, জরিমানা কোটি টাকা

 


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
কারো অসম্মতিতে বা কাউকে না জানিয়ে সেলফি তুললে যেতে হবে জেলে। সেইসঙ্গে জরিমানা হিসেবে দিতে হবে বাংলাদেশি মুদ্রায় কোটি টাকার বেশি। এমন আইন করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। খালিজ টাইমস
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোন বিয়ে বাড়িতে বা প্রাইভেট পার্টিতে নিজের ইচ্ছে মত সেলফি তুলছেন। এজন্য আপনাকে বিপদের মধ্যে পড়তে হতে পারে। জেল এবং জরিমানা হতে পারে।
খবরে বলা হয়েছে, নিজে বা নিজেরা সেলফি তুলছেন কিন্তু সেই সেলফিতে অপরিচিত জনের ছবি চলে এসেছে, যা গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এজন্য ছয় মাসের জেল এবং বাংলাদেশি টাকায় জরিমানা দিতে হবে এক কোটি টাকার ওপরে।
দেশটির এক আইনজীবী নওরা সালেহ আল হাজরি বলেন, গত তিন বছরে বিয়ে এবং প্রাইভেট পার্টিতে ‘ছবি তোলা সম্পর্কিত’মামলার পরিমাণ অনেক বেড়েছে।
এর আগে অতিরিক্ত সেলফি তোলাকে মানসিক রোগ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল একদল গবেষক।

 
 


 

নারী ও শিশু সংবাদ


 


 

শিশুদের ওপর বর্বরতার শেষ কোথায়?

 

মানবাধিকার রিপোর্টঃ

ডেমরায় নুর-ই মদিনা মাদ্রাসার ছাত্র শিশু মো. মনির হোসেনকে মুক্তিপণের টাকা পাওয়ার আগেই হত্যা করা হয়েছে। ছেলেকে ফিরে পেতে মুক্তিপণের কিছু টাকাও জোগাড় করে নিয়ে গিয়েছিলেন মনিরের বাবা। নির্ধারিত জায়গায় টাকা নিয়ে সারা রাত বসে ছিলেন। ডেমরার ডগাইর নতুন পাড়ার সাইদুল হকের দুই মেয়ে ফাতেমা আক্তার (১২), মুন্নি আক্তার (৯) ও ছেলে মো. মনির হোসেন (৮) ডগাইর নতুনপাড়ার নূর-ই মদিনা মাদ্ রাসায় লেখাপড়া করত। প্রতিদিনের মতো ৭ই এপ্রিল তারা সকাল সাতটায় মাদ্ রাসায় যায়। বেলা ১১ টার দিকে মেয়ে মুন্নি বাসায় এসে বাবাকে জানায়, মনিরকে মাদ্ রাসায় খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তখন সাইদুল হক তাঁর স্ত্রীসহ মেয়েদের নিয়ে মাদ্ রাসায় এবং আশপাশে সম্ভাব্য সব জায়গায় ছেলেকে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাননি। ছেলে নিখোঁজের তথ্য জানিয়ে এলাকায় মাইকিং করা হয়।
ওই দিনই ডেমরা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন তিনি।
ঘটনার দিন রাতে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি সাইদুল হকের মোবাইল ফোনে কল করে মনিরের মুক্তি পণ হিসেবে তিন লাখ টাকা দাবি করে। মুক্তিপণের টাকা মসজিদুল-ই-আয়েশা জামে মসজিদের ভেতরে জানাজার খাটিয়ার নিচে রেখে আসার কথা বলে। টাকা না দিলে ছেলের লাশ পাবে না বলে হুমকি দেন ওই ব্যক্তি। বিষয়টি পুলিশকে জানালে, ডেমরা জোনের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে ডেমরা থানা-পুলিশ সম্ভাব্য সকল জায়গায় ছেলেকে উদ্ধারে অভিযান চালায়। উদ্ধার অভিযানের একপর্যায়ে ৮ই এপ্রিল বিকাল পাঁচটার দিকে মসজিদুল-ই-আয়েশা জামে মসজিদের দ্বিতীয় তলা থেকে তৃতীয় তলায় ওঠার সিঁড়ির চৌকিতে সিমেন্টের বস্তার ভেতরে রশি দিয়ে প্যাঁচানো অবস্থায় মনিরের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ডেমরা থানায় একটি হত্যা মামলা হয়। হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ফরিদপুরে আড়াই বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ৮ই এপ্রিল বিকাল সাড়ে চারটার দিকে ফরিদপুর সদরে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মহিলা ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। রিকশাচালক বাবার তিন মেয়ের মধ্যে শিশুটি মেজ। শিশুর পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বিকালে শিশুটি বাড়ির পাশের একটি মাঠে খেলছিল। ওই সময় মিন্টু শেখ (১৯) নামের এক তরুণ শিশুটিকে পাশের একটি বাঁশঝাড়ে নিয়ে ধর্ষণ করে। শিশুর চিৎকারে এলাকার লোকজন এগিয়ে এলে মিন্টু পালিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় শিশুটিকে উদ্ধার করে সন্ধ্যায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। ৭ই এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার ধর্মপুর গ্রামে ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে রাতভর ধর্ষণ শেষে ভোরে রাস্তায় ফেলে চলে যায় ধর্ষক ও তার সহযোগীরা। এ ঘটনায় ওইদিন সন্ধ্যায় কিশোরীর মা কসবা থানায় ধর্ষণের মামলা করেন। পুলিশ ওই কিশোরীর ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিচারিক হাকিমের আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি নেন। পরে তাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কসবা সদরের একটি স্কুল ছুটি হওয়ার পর ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া শিক্ষার্থী বাড়ি যাচ্ছিল। পথে ধর্মপুর গ্রামে আবদুর রশিদের ছেলে ফারুক মিয়া (২৮) একই গ্রামের শাহরিয়া এবং মিঠু পাঠানের সহযোগিতায় জোরপূর্বক অটোরিকশায় করে তাকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। রাতে ফারুকের বাড়িতে এনে পুরনো একটি ঘরে আটকে রাতভর ধর্ষণ করে। স্কুল থেকে বাড়ি না ফেরায় বিকাল থেকে রাতভর বাড়ির লোকজন মেয়েটির সন্ধানে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে যোগাযোগ করেন শিক্ষার্থীর মা। পরদিন সোমবার সকালে ফারুক এবং তার সহযোগীরা মেয়েটিকে চলন্ত অটোরিকশা থেকে তার বাড়ির পাশে ফেলে চলে যায়। তার আর্তচিৎকার শুনে লোকজন তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যায়। শিশুটির মা ফারুকসহ তিনজনকে আসামি করে কসবা থানায় ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন।
সম্প্রতি শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, বলাৎকার, হত্যাসহ নানা ধরনের ঘটনা ঘটছে। এগুলোর বেশির ভাগই স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, মসজিদ থেকে শুরু করে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে হচ্ছে। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে এগুলো বেশি হচ্ছে।
এ বিষয়ে অপরাধ বিজ্ঞানী তৌহিদুল হক বলেন, সমসাময়িক সময়ে শিশু নির্যাতন বিশেষ করে শিক্ষার্থী নির্যাতন, অপহরণ, হত্যা, ধর্ষণ বেড়ে যাচ্ছে। এসব ঘটনার পেছনে দেশের প্রেক্ষাপটে মূলত তিন ধরনের কারণ আমরা দেখতে পাই। প্রথম কারন হচ্ছে, অতীতে এই ধরনের ঘটনার বিচার না হওয়ার সংস্কৃতি বা প্রবণতা।
 

পাটগ্রামে বাল্যবিয়ের দায়ে বরসহ চারজন কারাগারে
 


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
পাটগ্রাম উপজেলায় পৃথক দু’টি বাল্যবিয়েতে বর ও আয়োজনকারী তিনজনকে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল করিম এ দণ্ডাদেশ দেন। তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৬৫ বাড়ি খেংটি এলাকার এক বাড়িতে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে বিয়ে করে নিয়ে যাওয়ার সময় জগতবেড় ইউনিয়নের শহিদুল ইসলামের ছেলে বর শাকিল ইসলামকে (২১) তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
অপরদিকে রাত ১টার পর উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নে ইসলামপুর গ্রামের এক বাড়িতে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীর বাল্যবিয়ের আয়োজনের সময় প্রতিবেশী দেবার উদ্দিনের ছেলে রফিকুল ইসলাম, কনের বড় ভাই মিলন হোসেন ও কনের চাচা মোকলেছার রহমানকে ভ্রাম্যমাণ আদালত দশ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল করিম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বাল্যবিয়ের দায়ে বরকে তিন মাস ও অপর একটি বাল্যবিয়ের আয়োজনের চেষ্টার সময় তিনজনের প্রত্যেককে দশ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
পাটগ্রাম থানা অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) সুমন কুমার মহন্ত জানান, দণ্ডপ্রাপ্তদের শনিবার লালমনিরহাট কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


বোয়ালমারীতে বাল্যবিয়ের সহযোগীদের কারাদণ্ড


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
বাল্যবিয়েতে সহযোগিতা করার কারণে কনের মামা ও খালুকে ৭ দিন করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকির হোসেন। বিকালে ইউএনওর নিজ কার্যালয়ে আদালত বসিয়ে এ সাজা প্রদান করা হয়। আদালত সূত্র জানায়, উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের এক গ্রামের মাদ্রাসার ৭ম শ্রেণীর ছাত্রীর বিয়ে ঠিক ছিল শুক্রবার। খবর পেয়ে দুপুরে ওই বাড়িতে হাজির হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। ইউএনওর উপস্থিতি টের পেয়ে মেয়ে, মেয়ের মা-বাবা, বরসহ সবাই পালিয়ে যায়। তখন মেয়ের মামা মো. নাজির শেখ ও খালু কোবাদ শেখকে আটক করে।
এদিকে কমলগঞ্জ উপজেলার শমসেরনগর হাজী উস্তাওয়ার উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর ছাত্রী তার নিজের বাল্যবিয়ে রুখতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সাহায্য চেয়ে আবেদন করে। বাবা অপ্রাপ্ত বয়সে মেয়ের বিয়ে দিতে পাত্রপক্ষকে নিয়ে ২৮ এপ্রিল আলোচনায় বসবেন। ছাত্রীটি আরও লেখাপড়া করে প্রাপ্ত বয়সে বিয়ে করতে চায়। অবশেষে নিজেই বাল্যবিয়ে রোধ করতে সাহায্য চেয়ে ২৭ এপ্রিল বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত আবেদন করে।
ছাত্রীর আবেদন পেয়ে বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নুরে আলম সিদ্দিক শনিবার দুপুরেই কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।


নারী নিপীড়ন ও নির্যাতনবিরোধী কমিটি গঠন


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
নারী নিপীড়ন এবং যৌন নির্যাতনবিরোধী অভিযোগ কমিটি’ গঠন করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ওই কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসংক্রান্ত একটি অফিস আদেশও জারি করা হয়েছে।
জানা গেছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নারী নিপীড়ন এবং যৌন নির্যাতনবিরোধী অভিযোগ কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন গবেষণা অনুবিভাগের মহাপরিচালক নওরীন আহসান। এ ছাড়া সদস্য হিসেবে আছেন রিজিওনাল অর্গানাইজেশন অনুবিভাগের মহাপরিচালক নাহিদা রহমান সুমনা।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বিদেশে বাংলাদেশের যেকোনো দূতাবাসের যেকোনো নারী কর্মকর্তা, কর্মচারী ও তাঁদের পরিবারের সদস্য মন্ত্রণালয় বা দূতাবাসের পুরুষ কর্মকর্তা ও কর্মচারী দ্বারা নিগৃহীত এবং বিভিন্ন দেশে কর্মরত ও বসবাসরত যেকোনো বাংলাদেশি নারী এ কমিটির কাছে অভিযোগ করতে পারবেন। অফিস আদেশে বলা হয়েছে, অফিস সময়ে বা ই-মেইলে যেকোনো সময় অভিযোগ পাঠানো যাবে।

 

 


 


 

 

Top
 

 

পুলিশ ও কারাগার সংবাদ

 


 

 পুলিশ পরিদর্শকের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
ঢেমশা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়াছির আরাফাত ও সাইফুল-মিন্টু বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ সাতকানিয়ার ঢেমশা ও চরতি ইউনিয়নের বাসিন্দারা। তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ভিটেমাটি ছেড়ে গেছে এলাকার ১০ পরিবার। নারী ও শিশুসহ এসব পরিবারের প্রায় অর্ধশতাধিক লোকজন গত পাঁচ মাস ধরে নিজেদের ভিটেবাড়ি থেকে উচ্ছেদ হওয়ার পর উদ্বাস্তুর মতো দিনযাপন করছেন। পুলিশ পরিদর্শক ইয়াসির আরাফাত এলাকায় মূর্তিমান আতঙ্কে পরিণত হয়েছেন। তিনি এসআই থাকা অবস্থায় সাতকানিয়া থানায় চার বছর চাকরি করেন। এরপর পরিদর্শক হিসেবে পদোন্নতি পাওয়ার পর আবারও সাতকানিয়া থানায় যোগদান করেন।
২৭ এপ্রিল দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন চরতি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মঈনুদ্দিন চৌধুরী। সংবাদ সম্মেলনে ভিটে-বাড়ি থেকে উচ্ছেদ হওয়া নুরুল আমিন, আবুল খায়ের, সরওয়ার, ফারুক, বশর, কবির আহমদ, আবদুল করিম, আবদুর রহিম এবং মেজবাহ উল হকের মা জয়নাব নুরী উপস্থিত ছিলেন।
ইয়াসির আরাফাত চরতি ও ঢেমশা এলাকার নিরীহ লোকজনকে ধরে টাকা নিয়ে নিয়ে ছেড়ে দেন। টাকা দিতে অক্ষম হলে অস্ত্র ও ইয়াবা মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২১ এপ্রিল এলাকা থেকে উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর এক নিকটাত্মীয় মারা যায়। ২৪ এপ্রিল ওই আত্মীয়র জিয়াফতে যান উচ্ছেদ হওয়া পরিবারের কয়েকজন সদস্য। কিন্তু জিয়াফত স্থলেই উচ্ছেদ হওয়া পরিবারের লোকজনকে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ঘিরে ফেলে সাইফুল-মিন্টু বাহিনী। এরমধ্যে নুরুল আমিনের ছেলে কায়েসকে মারধর করে তারা। একইদিন সন্ধ্যায় দক্ষিণ চরতি কাটাখালী ব্রিজের পাশে সাবেক ইউপি সদস্য মোজাহেরুল হকের ছেলে মেজবাহ উল হককে প্রচণ্ড মারধর করে সাইফুল-মিন্টু বাহিনী। দা-ছুরি দিয়ে মারধরের পর গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে আবার নিজেদের অস্ত্র দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয় তারা।
মঈনুদ্দিন চৌধুরী আরও বলেন, সাইফুল নারী নির্যাতন মামলা ও মিন্টু সরকারি সার পাচার মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। তারপরও পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে না। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করে বলেন, চরতি এলাকায় তারা আবুল খায়ের, সরওয়ার, নুরুল আমিন, ফারুক, বশর, কবির আহমদ, আবদুল করিম ও আবদুর রহিমের ঘর-বাড়ি ও দুটি মুদির দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এ সময় এসব পরিবারের নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের মারধর করে ভিটে-বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে দেয়। তাদের ঘরের আসবাবপত্র। এমনকি ভিটেবাড়িতে থাকা গাছপালাগুলো পর্যন্ত বিক্রি করে দেয় তারা। অভিযোগের ব্যাপারে ঢেমশা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়াছির আরাফাত যুগান্তরকে বলেন, যারা অভিযোগ দিয়েছেন সবগুলোই মিথ্যা। আমি এসবের মধ্যে জড়িত নই।

 

যশোরে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদির মৃত্যু


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আবদুল মজিদ (৫০) নামে এক কয়েদি মারা গেছেন। ২০১৭ সালের অক্টোবর মাস থেকে তিনি সাজাভোগ করছিলেন। ২২ এপ্রিল সকালে হাসপাতালে নেয়া হলে তিনি মারা যান।
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবু তালেব জানান, একটি হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজা হওয়ার পর আবদুল মজিদকে যশোর কারাগারে পাঠানো হয়। তখন থেকেই তিনি এ কারাগারে ছিলেন। ২২ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ তিনি বুকে ব্যথা অনুভব করছিলেন। তাকে কারাগার থেকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তার শফিউল্লাহ জানান, হাসপাতালে আনার আগেই মজিদ মারা যান। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর জানা যাবে কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। মজিদ যশোর সদরের কিসমত নওয়াপাড়া এলাকার মোজাম ড্রাইভারের ছেলে।

খুলনা কারাগারে দুদকের অভিযান
 

মানবাধিকার রিপোর্টঃ
দর্শনার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, কয়েদিদের নিম্নমানের খাবার সরবরাহ ও অর্থের বিনিময়ে সুস্থ আসামিদের হাসপাতালের প্রিজন সেলে রাখার অভিযোগে খুলনা জেলা কারাগারে ঝটিকা অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গত ২০ এপ্রিল দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে প্রায় তিন ঘণ্টার অভিযানে দর্শনার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের প্রমাণ পায় দুদক। এ সময় এ বিভাগে কর্মরত তিন কারারক্ষীকে বরখাস্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয় দুদক। অভিযুক্ত কারারক্ষীরা হলেন মো. শামীম হাসান, হুমায়ুন কবির ও মাহাবুবুর রহমান। পরে দুদক টিম খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেলে অভিযান চালায়। দুদকের সমন্বিত খুলনা জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক নীলকমল পাল বলেন, ‘অভিযানে দর্শনার্থীদের কাছ থেকে ১০০ টাকায় সাধারণভাবে ও ৩০০ টাকায় বিশেষভাবে কয়েদিদের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রমাণ মিলেছে।’ তিনি জানান, ‘প্রকৃতপক্ষে কয়েদিদের সঙ্গে সাক্ষাতে কোনো অর্থের প্রয়োজন হয় না। অভিযানকালে টাকা আদায়ের রসিদও উদ্ধার করা হয়েছে।’

 

স্ত্রীকে খুনের দায়ে লন্ডনে বাংলাদেশির যাবজ্জীবন


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
স্ত্রীকে হত্যার দায়ে যুক্তরাজ্য প্রবাসী এক বাংলাদেশিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
ওল্ড বেথনাল গ্রিন রোডের মোহাম্মদ আনহার আলীর এই সাজার খবর ১৭ এপ্রিল এসেছে বিবিসিতে।
তার কথা জীবনযাপনে রাজি না হওয়ায় আনহার তার স্ত্রী নাজিয়া আলীকে হত্যা করেন।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কট্টর মুসলিম আনহার তার দুই মেয়েকে পশ্চিমা ধাঁচে বড় করার জন্য তার স্ত্রীর চেষ্টার চরমবিরোধী ছিলেন।
নাজিয়া দুই সন্তানকে নিয়ে ইস্ট লন্ডনের বো-তে আলাদা বাসায় থাকছিলেন। গত বছরের অক্টোবরে ওই বাসায় গিয়েই ছুরিকাঘাতে ও শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করেন আনহার।
৩২ বছরের আনহারকে এখন ২৬ বছর কারাভোগ করতে হবে।
বাংলাদেশ থেকে আনহার যুক্তরাজ্যে যাওয়ার কিছু দিন পরই নাজিয়ার সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল। তার কিছুদিনের মধ্যে গর্ভধারণ করেন নাজিয়া।
দুটি মেয়ে হওয়ার পর তাদের সংসারে ভাঙন ধরে। নাজিয়া এই বিয়ে টিকিয়ে রাখতে না চাওয়ার কথা জানানোর পরদিনই তাকে হত্যা করা হয়।


রংপুরে ইয়াবাসহ পুলিশের এসআই গ্রেফতার


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
রংপুরের পীরগাছা থেকে ইয়াবাসহ পুলিশের এক এসআই ও তার পাঁচ সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ এপ্রিল) রাতে পীরগাছা উপজেলার অন্নদানগর এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। জাগো নিউজ
পীরগাছা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজিমুদ্দিন জানান, ইয়াবার বড় চালান হাতবদল হচ্ছে- এমন সংবাদের ভিত্তিতে অন্নদানগরে অভিযান চালানো হয়। এ সময় কুড়িগ্রাম সদর থানার এসআই ইজ্জত আলী ও স্থানীয় পাঁচ যুবককে ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়।
ইজ্জত আলী অন্নদানগর ইউনিয়নের পঞ্চানন গ্রামের মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে। গ্রেফতারকৃত অপর পাঁচজন হলেন- মামুন মিয়া, আরিফ হোসেন, জিয়াউর রহমান, পিয়াল ও পিংকু। তারা সবাই পীরগাছা উপজেলার বাসিন্দা। এদিকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হলেও ইয়াবার পরিমাণ নিয়ে তথ্য দিতে অপারগতা দেখিয়েছেন থানার ওসি রেজাউল করিম। তবে থানা সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে ২৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার দেখানো হয়েছে।


কারাগারে বন্দিদের ডাটা বেইস তৈরি বন্ধ!


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
দেশে কারাগারে বন্দিদের তথ্য সংরক্ষণের জন্য তিন বছর আগে যে ডাটা বেইস তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল তা নভেম্বর থেকে প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে বলে র‌্যাব সূত্রে জানা গেছে। র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন ও কারা কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে এ কাজ শুরু করেছিল। তবে কয়েকটি কারাগারে এখনো সেই কার্যক্রম চালু আছে। শুরুর পর থেকে গত নভেম্বর পর্যন্ত চার লাখ ৩৫ হাজার বন্দির তথ্য ডাটা বেইসে সংরক্ষণ করা গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
দেশে একের পর এক ব্লগার হত্যাকাণ্ড চলার পর জঙ্গিসহ সব অপরাধীর তথ্য রাখার জন্য শুরু হয় ওই ডাটা বেইস তৈরির কাজ। ২০১৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ‘র‌্যাব-প্রিজন ইনমেইট ডাটা বেইস’ নামে এই ডাটা বেইস তৈরির কাজ শুরু করা হয়। র‌্যাব সূত্র জানায়, শুরুতে দেশের ৬৮টি কারাগারের মধ্যে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারসহ ৪৫টি কারাগারে বন্দিদের ডাটা বেইস তৈরি শুরু হয়। গত বছরের নভেম্বর পর্যন্ত চার লাখ ৩৫ হাজার বন্দির তথ্য রাখা হয় ডাটা বেইসে।


 


 


 

Top



Top
 



 

স্বাস্থ্য সংবাদ


 


ডায়াবেটিসের শত্র“ করলার রস

 

মানবাধিকার হেলথ ডেস্কঃ
বিশ্বজুড়ে মহামারি আকারে দেখা দিয়েছে ডায়াবেটিস। ডায়াবেটিস হলে শরীরে আরো অনেক ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। তাই ডায়াবেটিস হওয়ার আগে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা ভালো।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য আমাদের দেশি তিনটি সবজি যথেষ্ঠ। এসব সবজি হচ্ছে মুলা, ঢেঁড়স ও করল্লা।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে করলার জুস খুবই উপকারী। উপমহাদেশ ও চীনের গ্রামাঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসের ওষুধ হিসেবে করলার রস পান করে আসছেন।
এছাড়া বাত রোগে, লিভার ও শরীরের কোনো অংশ ফুলে গেলে তা থেকে পরিত্রাণ পেতে করলা ভালো পথ্য। নিয়মিত করলা খেলে জ্বর, হাম ও বসন্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়।
ডায়াবেটিস কি?
স্বাভাবিকের চেয়ে রক্তে বেশি শর্করা বা সুগার থাকলে তাকে বলা হয় ডায়াবেটিস মেলাইটাস বা সংক্ষেপে ডায়াবেটিস। বাংলায় এই রোগকেই মধুমেহ বলা হয়। কেন করলার জুস খাবেন?
কেন করলার জুস বা রস খাবেন?
করলায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি ও সি রয়েছে। একই সঙ্গে এতে বিটা-ক্যারোটিন, লুটেইন, আয়রন, জিঙ্ক, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। তাই করলার জুস শরীরের জন্য অনেক উপকারী।
করলার রস দিয়ে জুস তৈরি করে খেতে পারেন। আসুন জেনে নেই করলার রস দিয়ে কীভাবে জুস তৈরি করবেন?
যেভাবে তৈরি করবেন করলার জুস গাঢ় সবুজ রঙের কাঁচা করলা নিয়ে টুকরো করে কাটতে হবে। বিচিগুলো সরিয়ে ফেলতে হবে। তিতা কমাতে চাইলে করলা কেটে ঠাণ্ডা লবণ পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে।
এরপর ব্লেন্ডারে জুস তৈরি করে নিতে হবে। প্রয়োজন মত লবণ দেয়া যেতে পারে।
উপকারিতা
তিতা করলার রস পানে অগ্ন্যাশয় ক্যানসারের কোষ ধ্বংস হয় বলে সম্প্রতি গবেষকরা জানিয়েছেন। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে করলার রস সহায়তা করে। করলার আয রন হিমোগ্লোবিন তৈরি করতে সাহায্য করে। দাঁত ও হাড ভালো রাখে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে ও চোখের সমস্যা সমাধানে করলার বিটা ক্যারোটিন খুবই উপকারী। ত্বক ও চুল ভালো রাখার জন্যও একান্ত জরুরি। চর্মরোগ সারাতে সাহায্য করে। এছাড়া করলার রস ক্রিমিনাশক।


মাছি থেকে খাবারে বিষক্রিয়া, তাড়াতে কী করবেন?


মানবাধিকার হেলথ ডেস্কঃ
রান্নাঘর হয়তো আপনার মনের মতো। সব সময় পরিষ্কারও রাখেন। তবে মাছির উৎপাত লেগেই আছে। রান্নাঘরে অনেক কিছুই আপনাকে রান্না করে রাখতে হয়। কিন্তু রান্না করা গরম খাবারের মধ্যে যদি মাছি পড়ে তবে কিন্তু সর্বনাশ।
খাবারের চারপাশে যদি দেখেন মাছি ভনভন করছে, তবে কিন্তু মুশকিলের ব্যাপার। মাছি ভনভন করে ঘুরে মুহূর্তের অস্বাস্থ্যকর ও খাবারও বিষাক্ত ছাড়াবে।
গবেষকরা বলছেন, ঘরোয়া মাছি প্রায় ৩৫১ রকম জীবাণু বহন করে। মাছি পা, পায়ের পাতা এবং পাখার সাহায্যে এসব ব্যাকটেরিয়া এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় খুব দ্রুত ছড়িয়ে দেয়।
তাই মাছি যদি খাবারে বসে তবে পেটের রোগ থেকে বড় ধরনের বিষক্রিয়াও হতে পারে। তাই ঘরের মাছি তাড়ানো জরুরি।
আসুন জেনে নেই মাছি তাড়াতে কী করবেন?
১.মাছি তাড়তে রান্নাঘরে ছোট পুদিনা পাতার গাছ লাগান। পুদিনা পাতার গন্ধে মাছি পালাবে।
২. রান্নাঘরের কোণগুলোতে ভিনিগার স্প্রে করতে পারেন। ভিনিগার মাছির যম। ২. ল্যাভেন্ডার বা লেবুর গন্ধওয়ালা অ্যাসেনশিয়াল অয়েল সপ্তাহে ক দিন স্প্রে করুন রান্নাঘরে।
৩. রান্নাঘরের জানালায় দু'টুকরো দারুচিনি রাখুন।
৪. রান্নাঘরে লবঙ্গ ছড়িয়ে রাখন। ৫. প্রতিদিন সন্ধ্যায় ধুনো জ্বালাতে পারেন। ভালো ফল পেতে ধুনোয় কর্পূর ফেলে দিন।
কোনোভাবেই খাবার খোলা রাখা চলবে না। খাবার ঢেকে রাখুন।


লাউয়ের যত গুণ


মানবাধিকার হেলথ ডেস্কঃ
এই গরমে হঠাৎ করে শরীরে বিভিন্ন রকমের সমস্যা দেখা যায়। সাধারণত এই মৌসুমে খাদ্যাভ্যাসে আসে অনেক পরিবর্তন। তাই গরমের সময় কোন খাবার বেশি খাওয়া বেশি স্বাস্থ্য সম্মত, সেটা নিয়ে অনেককেই দ্বিধায় থাকে। গরমে শরীরের আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়ায় সমস্যার মাত্রা তীব্র করে। যার কারণে লাউ গরমের জন্য আদর্শ সবজি হতে পারে। আর তাই লাউয়ে সমস্ত গুন সম্পর্কে জানা দরকার।
সময় সংবাদ অনলাইন পাঠকদের জন্য গরমে লাউ খাওয়ার উপকারিতা তুলে ধরা হলো–
লাউয়ের বিস্ময়কর যত গুণ:
* হজমে সাহায্য করে, সঙ্গে কোষ্ঠ্যকাঠিন্যে, অর্শ, পেট ফাঁপার সমস্যাও প্রতিরোধ করে লাউ।
* হার্ট সুস্থ রাখতে সাহায্য করে লাউ।
*চুলের গোড়া শক্ত করে এবং চুল পেকে যাবার হার কমায়।
* লাউ ত্বকের আর্দ্রতা ঠিক রাখতে সহায়তা করে।
* লাউয়ে রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস। যা দেহের ঘামজনিত লবণের ঘাটতি দূর করে। দাঁত ও হাড়কে মজবুত করে।
* ক্যালরির পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য লাউ প্রচুর উপকারী। ডায়েটিং কালে লাউ ভালো ফল দেয়।
* শরীর ঠাণ্ডা রাখে। লাউয়ের ৯২ শতাংশ জলীয় হওয়ার দরুন দেহে জলের প্রয়োজন মেটায়।
* ডায়াবেটিসের রুগীদের রক্তে শর্করার মাত্রা ও রক্তচাপ ঠিক রাখতে সহায়ক লাউ।
* ক্যালরির মাত্রা কম থাকায় ওজন কমাতে সহায়ক লাউ।
* দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে লাউ। ইনসমনিয়া বা নিদ্রাহীনতা দূর করে পরিপূর্ণ ঘুমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
* ইউরিনারি ট্র‌্যাক্ট ইনফেকশন কমায়।
* স্ট্রেস কমাতে সহায়ক লাউ।
* এতে থাকা ভিটামিন সি, বি, কে, এ, আয়রন, ফোলেট, পটাশিয়াম শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
* দেহে ক্ষতিকারক কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সহায়ক লাউ।
* উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য এটি আদর্শ সবজি।
* প্রসবের সংক্রামণজনিত সমস্যা দূর করে। কিডনির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
* পোস্ট ওয়ার্কআউট ড্রিঙ্ক হিসেবে লাউয়ের রস খেলে দেহে গ্লুকোজ লেভেল ঠিক থাকে।
লাউয়ে যেসব ভিটামিন রয়েছে:
১০০ গ্রাম একটি লাউয়ে রয়েছে ক্যালসিয়াম- ২০ মি.গ্রা., ফ্যাট- ০.৬ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট- ২.৫ গ্রাম, প্রোটিন- ০.২ গ্রাম, বি-২, আয়রন, ভিটামিন-সি- ৬ গ্রাম, ফসফরাস- ১০ মি.গ্রা., নিকোটিনিক অ্যাসিড- ০.২ মি.গ্রা., পটাশিয়াম- ৮৭ মি.গ্রা.। লাউয়ে আরোও রয়েছে খনিজ লবণ, ভিটামিন বি-১,।


নীরব ঘাতক ব্যাধি হেপাটাইটিস সি প্রতিরোধ করুন


মানবাধিকার হেলথ ডেস্কঃ
আমরা সকলে হেপাটাইটিস-এ ও হেপাটাইটিস-বি সম্পর্কে মোটামুটি জানি। এ দু’টি সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ভ্যাকসিন বা টীকা পাওয়া যায়। হেপাটাইটিস বি এর মত মারাত্মক সংক্রামক হেপাটাইটিস সি ভাইরাসেরও শরীরে বাসা বেঁধে ধীরে ধীরে লিভার আক্রমণ করার অপরিসীম ক্ষমতা রয়েছে। হেপাটাইটিস সি ভাইরাস শুধু লিভারকে ক্ষতিগ্রস্ত করে তাই নয়, মারাত্মক ঘাতক ব্যাধি লিভার সিরোসিস ও লিভার ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে। কিন্তু সবচাইতে উদ্বেগজনক তথ্য হচ্ছে, এখনো পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা এই ঘাতক ভাইরাসের বিরুদ্ধে কোনপ্রকার ভ্যাকসিন বা প্রতিষেধক আবিষ্কার করতে পারেনি। এই ভাইরাসে একবার আক্রান্ত হলে আর রক্ষা নেই। তবে আশার কথা, প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত হলে অনেক ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তিরা সুস্থভাবে জীবন যাপন করতে পারেন।
হেপাটাইটিস সি ভাইরাসজনিত হেপাটাইটিস প্রতিরোধ ও করণীয় সম্পর্কে অভিমত দিয়েছেন প্রখ্যাত লিভার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মবিন খান। তার মতে, হেপাটাইটিস সি প্রতিরোধ করতে হলে সর্বক্ষেত্রে ইনজেকশনের জীবাণুমুক্ত ডিসপোজেবল সুচ ব্যবহার, রক্ত সঞ্চালনের পূর্বে রক্ত পরীক্ষা, সেলুন, বিউটি পারলারে দাড়ি সেভিং ও নাক ফুটাতে জীবাণুমুক্ত সরঞ্জাম ব্যবহার এবং দাঁতের ডাক্তারসহ চেম্বারে ব্যবহূত যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত রাখা এবং বহুগামিতা পরিহার এই ভাইরাস প্রতিরোধ করতে পারে। আর যাদের ইতিমধ্যেই ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করেছে অর্থাৎ হেপাটাইটিস সি ভাইরাসে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে এখন দেশেই উন্নতমানের ওষুধ পাওয়া যায়। যথাযথ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ও তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নেয়া গেলে শতকরা ৯৯ ভাগ পর্যন্ত হেপাটাইটিস সি আক্রান্ত ব্যক্তিরা স্বাভাবিক হতে পারেন। তবে মনে রাখতে হবে হেপাটাইটিস বি এবং হেপাটাইটিস সি ভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এছাড়া সকল চেষ্টা এবং আধুনিক চিকিৎসা সত্ত্বেও অনেক ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিপদ এড়ানো যায় না। তাই ঝুঁকি নয়, হেপাটাইটিস সি প্রতিরোধ করুন, বিপদমুক্ত থাকুন।
লেখক : চুলপড়া, এলার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ


ক্যান্সার রোগীর জন্য আদা


মানবাধিকার হেলথ ডেস্কঃ
আমরা এ পর্যন্ত শুনেছি আদার অনেক গুণের কথা। আদার উপকারিতার ফিরিস্তি খুব ছোট হবে না। আদা, রসুন, পেঁয়াজ এ তিনটি শেকড় জাতীয় ভেষজ গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ মাটির নিচে উৎপন্ন হয়। শুধু এসবের পাতা মাটি ভেদ করে ওপরে উঠে আসে সূর্যরশ্মি থেকে খাদ্য গ্রহণের জন্য। অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সের (এআইআইএমএম) চিকিৎসকরা বলেছেন, আদা খেলে ক্যান্সার রোগীর বিবমিষা বা বমির উদ্রেক বহুলাংশে হ্রাস পাবে। আদাকে শুকিয়ে তা পাউডারের মতো করে ব্যবহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ক্যান্সার রোগীকে নিয়মিত কেমোথেরাপি নিতে হয়। যার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বমির উদ্রেক হয়। আদার গুঁড়ো চা বা অন্য কোনো খাবারে অথবা সরাসরি প্রতিদিন পরিমিত খেলে এ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে প্রায় নব্বই ভাগ মুক্ত হওয়া সম্ভব। আদার গুঁড়ো থেকে ইতিমধ্যে ক্যাপসুল তৈরি হয়েছে। যেসব রোগীর শরীরের ওজন ২০ থেকে ৪০ কেজি তাদের ১৬৭ মিলিগ্রাম এবং ৪০ থেকে ৬০ কেজির জন্য ৪০০ মিলিগ্রাম ক্যাপসুল সেবন করতে দেওয়া হয়। কেমোথেরাপি শুরু হওয়ার পর বিভিন্ন সময়ে রোগীকে অন্তত ৬টি ক্যাপসুল খেতে দেওয়া হয় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য।
এআইআইএমএস ২০০৯ সাল থেকে রোগী বা তাদের আত্মীয়পরিজনদের না জানিয়ে এ ওষুধটি ইনস্টিটিউটে ভর্তি হওয়া ৮ থেকে ২১ বছর বয়সী ৬০ জন রোগীর ওপর নিয়মিত পরীক্ষা চালাতে থাকে। অবশেষে এ বছর এর উপকারিতার ব্যাপারে নিশ্চিত হন ইনস্টিটিউটের ভারতীয় চিকিৎসকরা। তারা বলেন, আদার ভেষজ গুণাবলীর ব্যাপারে তারা সম্পূর্ণ নিশ্চিত হয়েই এ ওষুধ ব্যবহারের জন্য রোগীকে উপদেশ দিয়ে থাকেন। ক্যাপসুলের নামকরণ কী করা হয়েছে তা জানানো হয়নি। কিংবা ভারতের বাইরে অন্য কোনো দেশে অবাণিজ্যিকভাবে বাজারজাত করা হচ্ছে কি-না তাও বলা হয়নি। চিকিৎসকরা বলেছেন, বমির উদ্রেক শতভাগ ভালো হবে না। তা বহুলাংশে নিয়ন্ত্রণে রাখবে মাত্র। এই আদা থেকে তৈরি ক্যাপসুলের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। শতভাগ নিরাপদ। যেকোনো বয়সের শিশুরাও তা গ্রহণ করতে পারবে।


ঢেঁকিছাটা চালের পুষ্টিগুণ


মানবাধিকার হেলথ ডেস্কঃ
পালিশ করা সরু চালের ভাত সকলেরই পছন্দ এবং এই ভাত খাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে- শুধু আমাদের দেশেই নয়, সারা পৃিথিবীজুড়ে। কিন্তু বিশ্বজুড়ে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা বাড়ছে এবং এই ধরনের পালিশ করা সাদা চাল খাওয়া থেকে বিরত থাকতে ডায়াবেটিস রোগীদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বাদামি, মোটা চালের ভাত তাদের পক্ষে উপকারি বলে জানা গছে। পালিশ করা সাদা চালের তুলনায় বাদামি চালে আছে উচ্চমাত্রার তন্ত, কেলসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং ভিটামিন-বি। আবার অঙ্কুরিত বাদামি চাল আরও ভালো। কারণ অঙ্কুরোদগম নিষ্ক্রিয় এনজাইমের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। ফলে অঙ্কুরিত বাদামি চালের পুষ্টিগুণ আরও বেড়ে যায়। অতএব পুরোনো দিনের লাল মোটা চালের ভাত খাওয়ার দিন এগিয়ে আনতে হবে।
 



 


Top

 

 

আইন কনিকা


 

কোর্ট ম্যারেজ বলতে কি বুঝায়্ড্তি


মানবাধিকার হেলথ ডেস্কঃ
অনেক উঠতি বয়সী প্রেমিক-প্রেমিকা পরিবারের অমতে কোর্টে গিয়ে কিছু কাগজপত্রের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেই ভাবেন আইনগতভাবে তাদের বিয়ে হয়ে গেছে। তারা এখন স্বামী-স্ত্রী এবং একসাথে বসবাস করতে পারবে। তাদের উদ্দেশ্যে বলছি - কোর্ট ম্যারেজ বলে কোন কিছু আইনে নেই। যুবক-যুবতি বা নারী-পুরুষ স্বামী-স্ত্রী হিসাবে একত্রে বসবাস করার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে যে হলফনামা সম্পাদন করে থাকে, তাই কোর্ট ম্যারেজ নামে পরিচিত। এর কোন আইনগত ভিত্তি নেই। এই রুপ কোন বিয়ে যদি কাজী অফিসে রেজিষ্ট্রী না করা হয় তাহলে আইনগত কোন ভিত্তি থাকবেনা। কোন এক সময় যদি এক পক্ষ অন্য পক্ষকে ত্যাগ করে তাহলে আইনগত কোন প্রতিকার পাবেনা।
*** পঞ্চাশ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে নোটারি পাবলিকের কার্যালয়ে কিংবা একশত পঞ্চাশ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের কার্যালয়ে গিয়ে হলফনামা করাকে বিয়ে বলে অভিহিত করা হয়। অথচ এফিডেভিট বা হলফনামা শুধুই একটি ঘোষণাপত্র। আইনানুযায়ী কাবিন রেজিষ্ট্রী ও আকদ সম্পন্ন করেই কেবল ঘোষণার জন্য এফিডেভিট করা যাবে।
*** আবেগঘন সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেক তরুণ তরুণীর ভুল ধারণা হয় যে, শুধুমাত্র এফিডেভিট করে বিয়ে করলে বন্ধন শক্ত হয়। কাজী অফিসে বিয়ের জন্য বিরাট অঙ্কের ফিস দিতে হয় বলে কোর্ট ম্যারেজকে অধিকতর ভাল মনে করে তারা।
*** যদি কাবিন রেজিষ্ট্রী করা না হয় তাহলে স্ত্রী মোহরানা আদায় করতে ব্যার্থ হবে। অধিকিন্তু আইন অনুযায়ী তার বিয়ে প্রমান করাই মুশকিল হয়ে দাঁড়াবে। তাই এই ক্ষেত্রে সঙ্গী কর্তৃক প্রতারিত হবার সম্ভাবানাই অধিক।
*** মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রিকরণ) আইন, ১৯৭৪-এর ধারা ৫(২) অনুযায়ী যে ক্ষেত্রে একজন নিকাহ রেজিস্টার ব্যাতিত অন্য ব্যাক্তি দ্বারা বিবাহ অনুষ্টিত হয় সে ক্ষেত্রে বর বিবাহ অনুষ্টানের তারিখ থেকে পরবর্তী (৩০) ত্রিশ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট নিকাহ রেজিস্টারের নিকট প্রতিবেদন দাখিল করবেন।
*** ধারা ৫(৪) অনুযায়ী অত্র আইনের বিধান লঙ্গন করলে দুই বছর পর্যন্ত বর্ধনযোগ্য মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা তিন হাজার টাকা পর্যন্ত বর্ধনযোগ্য জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
**** হিন্দু আইনে কী বলা আছে ?
***হিন্দু বিয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই হিন্দু আইনের প্রথা মেনেই বিয়ে সম্পন্ন করতে হবে।
কোর্ট এরিয়ায় বিয়ে করতে
কি কি লাগে, যানতে চেয়েছেন?
সমাধানঃ কোর্টে গিয়ে বিয়ে করতে হলে, প্রথমে আপনি একজন আইনজীবীর সাথে কথা বলেন।
তবে যে সব কাগজ পএ আপনি সঙ্গে আনবেন তা হলো।
১- বর ও কনের পাসপোর্ট সাইজ দুই কপি ছবি।
২- জাতীয় পরিচয়পএ, (বয়স ও ঠিকানা নিধারনের জন্য)
৩-দুই জন সাক্ষীসাবুদ।
এই কাগজ পএ নিয়ে একজন বিজ্ঞ আইনজীবীর সহায়তায় কোর্টে গিয়ে বিবাহ সম্পূর্ণ করতে পারেন।
ধন্যবাদ আপনাকে।।
 

মাদকের মামলায় একজনকে ১৪ বছরের জেল


মানবাধিকার ল’ ডেস্ক
নওগাঁয় মাদকের মামলায় মো. আলাউদ্দিন (৩২) নামের এক ব্যক্তিকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক মজিবুর রহমান এ রায় দেন।
সাজাপ্রাপ্ত আলাউদ্দিন চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার মাধাইপুর গ্রামের বাসিন্দা। তবে তিনি জামিনে গিয়ে বর্তমানে পলাতক।
অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ওই মামলার আরও দুই আসামি মোশাররফ হোসেন (৩৫) ও মো. সোহেলকে (২৮) বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। দণ্ডিত আসামি জামিন নিয়ে পলাতক রয়েছেন।
২০১৫ সালের ১৯ মে নওগাঁ পুলিশের গোয়েন্দা শাখার একটি দর জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার চৌপাড়া গ্রামে অভিযান চালায়। পুলিশ সদস্যরা চৌপাড়া ফাজিল মাদ্রাসার সামনে পৌঁছালে আসামি আলাউদ্দিন, মোশাররফ হোসেন ও সোহেল পালানোর চেষ্টা করে। পরে পুলিশ তাঁদের আটক করে। আলাউদ্দিনের হাতে থাকা ব্যাগ থেকে ২ হাজার পিস ইয়াবা ও ২০০ গ্রাম হেরোইন পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ডিবি পুলিশের এসআই নিরঞ্জন কুমার বাদী হয়ে আটক তিনজনের বিরুদ্ধে নিয়ামতপুর থানায় মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন-১৯৯০ এর ১৯(১) ধারায় মামলা করেন। আজ মামলার রায় হলো।
সরকার পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন আইনজীবী শামসুর রহমান। আসামি আলাউদ্দিনের পক্ষে আইনজীবী এসএম আব্দুর রহমান, মোশাররফ হোসেনের পক্ষে সোমেন্দ কুমার কুণ্ড এবং আসামি সোহেলের পক্ষে মোফাজ্জল হক মামলাটি পরিচালনা করেন।

 

যৌতুকের মিথ্যা মামলার শাস্তি ৫ বছর রেখে আইন পাস



যৌতুক দেওয়া-নেওয়া এবং যৌতুক নিয়ে মিথ্যা মামলার ক্ষেত্রে পাঁচ বছরের জেল ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রেখে সংসদে ‘যৌতুক নিরোধ বিল-২০১৮’ পাস হয়েছে। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি জাতীয় সংসদে বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।
কারও ক্ষতি করার জন্য যৌতুকের মামলা বা অভিযোগ করলে পাঁচ বছরের জেল অথবা ৫০ হাজার টাকা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে পাস হওয়া বিলে। আগের আইনে যৌতুক নিয়ে মিথ্যা মামলার জন্য কোনও দণ্ডের বিধান ছিল না।
বিলে বলা হয়েছে, ‘যদি কোনও এক পক্ষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অন্য পক্ষের কাছে যৌতুক দাবি করে তবে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কিন্তু সর্বনিম্ন এক বছরের জেল বা ৫০ হাজার টাকার জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। যৌতুক গ্রহণ বা প্রদান করলেও একই ধরনের সাজা হবে।’
এতে বলা হয়েছে, ‘এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধ আমলযোগ্য ও জামিন অযোগ্য হবে। তবে আপসযোগ্য হবে।’
এর আগে বিলের ওপর দেওয়া জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর নিষ্পত্তি হয়। গত ২৫ জুন বিলটি সংসদে তোলার পর তা পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
১৯৮০ সালের এ সংক্রান্ত আইন বাতিল করে নতুন করে আইন করতে বিলটি তোলা হয়েছে সংসদে। ১৯৮০ সালের ওই আইন ১৯৮২, ১৯৮৪ ও ১৯৮৬ সালে অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংশোধন করা হয়।

 

Top
 

 


 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 
   

                                                     Copy Right : 2001 BHRC  All rights reserved.