BHRC By-lawsBHRC Press ReleaseBHRC By-lawsBHRC ConferenceIHRCIRD ActivitiesLegal StatusBHRC BoardBHRC BranchesElection Monitoring Acid and Trauma VictimsBHRC BrochureBHRC Forms

ContactHOME

 

 

 

Cover December 2016

English Part December 2016

 

Top

 

Bangla Part

         নারী ও শিশু সংবাদ        পুলিশকারাগার সংবাদ

স্বাস্থ্য সংবাদ          আইন কনিকা

 

বিবিধ সংবাদ

 

বেসরকারি খাত বিকাশে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে : প্রধানমন্ত্রী

 

মানবাধিকার রিপোর্টঃ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেসরকারি খাতকে দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকা শক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছেন, আর্থিক, নীতিনির্ধারণ ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গঠনের মাধ্যমে এই খাতের উন্নয়ন এবং বিকাশে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। ২০৩০ সালের আগেই বাংলাদেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করতে কাজ করছে সরকার। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জনে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে। একইভাবে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যসমূহ ২০৩০ সালের মধ্যেই অর্জন করে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী এসডিজি বাস্তবায়নেও রোল মডেল হিসেবে পরিচিত হবে।
গত ২২ ডিসেম্বর সকালে রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লুতে আয়োজিত নিউ ইকোনমিক থিংকিং : বাংলাদেশ ২০৩০ এন্ড বিয়ন্ড শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এই সম্মেলনের আয়োজন করে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ আনতে সরকার ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ জুড়ে আমরা একশ বিশেষ অথনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছি।
যেখানে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ হবে। শিল্প কলকারখানা গড়ে উঠবে এবং কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। তিনি বলেন, ২০২১ সালে আইটি সেক্টরে দশ লাখ লোকের কর্মসংস্থান এবং এ সেক্টর থেকে পাঁচ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করার টার্গেট নিয়ে কালিয়াকৈরে ৩৫৫ একর জমির ওপর পিপিপির ভিত্তিতে হাই-টেক পার্ক নির্মাণ করা হচ্ছে।

 

 

বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের অনুসন্ধান প্রতিবেদন
ডিসেম্বর২০১৬ মাসে মোট হত্যাকান্ডের সংখ্যা ১৭২ জন
 

মানবাধিকার রিপোর্টঃ
বাংলাদেশ মানবাধিকারের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও পৌরসভার শাখা থেকে প্রাপ্ত তথ্য এবং বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে কমিশনের ডকুমেন্টেশন বিভাগ অনুসন্ধান কার্য সম্পন্ন করে। জরিপে ডিসেম্বর ২০১৭ মাসে সারা দেশে মোট হত্যাকান্ড সংঘটিত হয় ১৭২টি। এ ধরনের হত্যাকান্ড অবশ্যই আইন শৃংখলা পরিস্থিতির চরম অবনতি। কমিশন এই হত্যাকান্ডের হার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ডিসেম্বর মাসে গড়ে প্রতিদিন হত্যাকান্ড ঘটে প্রায় ৫.৫৪ জন। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও সরকারের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভাগের কর্মকর্তাদের অবশ্যই অধিক দায়িত্ববান হতে হবে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার গতিশীল কার্যক্রমের মাধ্যমে হত্যাকান্ড কমিয়ে শুন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব। বাংলাদেশের গণতন্ত্র ব্যবস্থাপনাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান এবং মানবাধিকার সম্মত সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে অবশ্যই সর্বস্তরে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই কেবলমাত্র এ ধরণের ক্রমবর্ধমান হত্যাকান্ড হ্রাস করা সম্ভব। সম্প্রতি শিশু নির্যাতন ও হত্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় গভীর উদ্ধেগ ও এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সরকার ও আইন শৃংখলা বাহিনীর কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের ডকুমেন্টেশন বিভাগের জরিপে দেখা যায়, ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসে হত্যাকান্ডের শিকার হয় ১৭২ জন।
এর মধ্যে যৌতুকের কারণে হত্যা ৯ জন, পারিবারিক সহিংসতায় হত্যা ২০ জন, সামাজিক সহিংসতায় হত্যা ৩৪ জন, রাজনৈতিক কারণে হত্যা ৪ জন, আইন শৃংখলা বাহিনীর হাতে হত্যা ১৯ জন, বিএসএফ কর্তৃক হত্যা ৪ জন, চিকিৎসকের অবহেলায় মৃত্যু ৪ জন, গুপ্ত হত্যা ৪ জন, রহস্যজনক মৃত্যু ৫৯ জন, ধর্ষণের পর হত্যা ৫ জন, অপহরণ হত্যা ৮ জন।
বিভিন্ন দুর্ঘটনায় নিহতের মধ্যে পরিবহন দুর্ঘটনায় মৃত্যু ২১৬ জন, আত্মহত্যা ১৭ জন।
ডিসেম্বর ২০১৬ সালে কতিপয় নির্যাতনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলীর মধ্যে ধর্ষণ ৩৩ জন, যৌন নির্যাতন ১৩ জন, যৌতুক নির্যাতন ৮ জন।
 

 

 জঙ্গি ও আগুন সন্ত্রাসীদের জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে 

 সাহারা খাতুন এমপি

 

মানবাধিকার রিপোর্টঃ
বর্তমান সরকার দেশে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করেছেন, দেশকে জঙ্গিবাদ ও মাদকমুক্ত করতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। আন্দোলনের নামে বোমাবাজি আগুন সন্ত্রাস করে আর পার পাবে না, মানুষ উন্নয়নমুখী। গত ২৫ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন চট্টগ্রাম বিভাগের আয়োজনে ও মহানগর শাখার সহযোগিতায় জঙ্গিমুক্ত ও মাদকবিরোধী আলোচনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী এড. সাহারা খাতুন এমপি উপরোক্ত মন্তব্য করেন। বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের গভর্নর এড. আবুল হাশেমের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগরের পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু, কমিশনের কেন্দ্রীয় বিশেষ প্রতিনিধি এম.এ. সোহেল আহমেদ মৃৃধা।
যুগ্ম সম্পাদক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন মহানগরের নির্বাহী সভাপতি আবু হাসনাত চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ মোঃ মইনুদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, ফেনী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান ভূইয়া স্বপন, কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, জেসমিন পারভিন জেসি, অধ্যাপক শ্রীমান কান্তি ঘোষ, আলহাজ্ব মনছুর আহমেদ, লায়ন সাব্বির আহমেদ, লায়ন মোহাম্মদ ইব্রাহিম, হাজী সোলায়মান, চৌধুরী আনোয়ার উল্লাহ, অসীম কুমার দাশ, আবদুল মজিদ চৌধুরী, এসএম রাশেদ, রিয়াজুল ইসলাম ভূট্টু, আলহাজ কামাল আহমেদ, মহিউদ্দিন জিকু, এসএম সালাহউদ্দিন সামির, সেলিম রনি, শাহজাহান সেলিম, মহিউদ্নি মঈন, এসএম রফিকুল ইসলাম, রাশেদুল ইসলাম চৌধুরী, সরোয়ার হোসেন শাহীন, জাহিদ তানছির, রেবা বড়য়া, আনোয়ার হোসেন, রিমন মুহুরী, মাহাবুবুর রহমান দুর্জয়, সাগর ইসলাম,জাহিদুল হাসান, দিদারুল আলম, সাইফ আজাদ, আশরাফুল ইসলাম হিমেল প্রমুখ।

 

ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য ই-টোকেন লাগবে না
 

মানবাধিকার রিপোর্টঃ

ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদনের জন্য আর ই-টোকেন বা আগাম অ্যাপয়েন্টমেন্ট তারিখ লাগবে না। আগামী বছর অর্থাৎ ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে বিমান, ট্রেন বা বাসের টিকেটসহ সব বাংলাদেশি ভ্রমণকারী ই-টোকেন/আগাম অ্যাপয়েন্টমেন্ট তারিখ ছাড়াই তাদের টুরিস্ট ভিসা আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন। তবে যানবাহনের টিকেট ভারতীয় হাই কমিশন থেকে নিশ্চিত করা অর্থাত্, যথাযথ বাংলাদেশ-ভারত বাস সার্ভিস কর্তৃপক্ষের ইস্যুকৃত হতে হবে। ভারতীয় ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া সুবিন্যস্ত, উন্মুক্ত ও সহজীকরণের চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গত ভারতীয় হাইকমিশন প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ভ্রমণেচ্ছুরা ভ্রমণের টিকেটসহ তাদের পূরণকৃত ভিসা আবেদনপত্র আইভিএসি মিরপুর, আলামিন আপন হাইটস, ২৭/১/বি (২য় তলা), শ্যামলী (শ্যামলী সিনেমা হলের বিপরীতে), মিরপুর রোড, ঢাকা-১২০৭-এ সকাল ০৮.০০টা থেকে দুপুর ০১.০০টা পর্যন্ত জমা দিতে পারবেন। ভ্রমণের তারিখ ভিসা আবেদনপত্র জমাদানের সাত দিন পরের তবে এক মাসের মধ্যে হতে হবে।
নিশ্চিত বিমান, ট্রেন বা বাসের (যথাযথ বাংলাদেশ-ভারত বাস সার্ভিস কর্তৃপক্ষের ইস্যুকৃত) টিকেটসহ নারী ভ্রমণকারী ও তাদের নিকটতম পরিবারের সদস্যদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়া সরাসরি আবেদনপত্র জমা দেওয়ার স্কিমটি আইভিএসি উত্তরার পরিবর্তে আগামী ১ জানুয়ারি ২০১৭ থেকে আইভিএসি মিরপুর কেন্দ্রে অব্যাহত থাকবে।
অ্যাপয়েন্টমেন্ট তারিখ/ই-টোকেনধারী আবেদনকারীরা তাদের টুরিস্ট ভিসা আবেদনপত্র আইভিএসি গুলশান, উত্তরা, মতিঝিল, ময়মনসিংহ, বরিশাল, খুলনা, যশোর, রংপুর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও সিলেটে জমাদান অব্যাহত রাখতে পারবেন। আর ১ জানুয়ারি থেকে আইভিএসি মিরপুরে শুধু নিশ্চিত ভ্রমণকারী ও প্রবীণ নাগরিকদের টুরিস্ট ভিসার আবেদনপত্র সরাসরি জমা নেওয়া হবে।
হাইকমিশন জানিয়েছে, ভারত ভ্রমণেচ্ছু বাংলাদেশিদের ভারতীয় ভিসা প্রাপ্তি সহজ এবং দুই দেশের মধ্যে মানুষে-মানুষে যোগাযোগ ও সম্পর্ক বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এসব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে মেডিক্যাল ভিসাসহ অন্য ভিসার ক্ষেত্রে ই-টোকেন ছাড়া আবেদনের সুযোগ দিয়েছে ভারত।

 

BHRC চট্টগ্রাম মহানগর শাখার অনুমোদন

 

মানবাধিকার রিপোর্টঃ

বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন চট্টগ্রাম মহানগর শাখা গত ১৫ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক অনুমোদন লাভ করে। মহানগর শাখার কমিটিতে সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম কমু সভাপতি, নির্বাহী সভাপতি আবু হাসনাত চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি মইনুদ্দিন সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম হিসেবে পরবর্তী ২ বছরের জন্য অনুমোদন দেয়া হয়।
কমিটিতে অন্যরা হলেন- সহ-সভাপতি- ইকবাল আলী আকবর, আবিদা আজাদ, জেসমিন পারভীন জেসি, আঞ্জুমানারা বেগম, আবুল হাসনাত মোঃ বেলাল, অধ্যাপক শ্রীমান কান্তি ঘোষ, মোহাম্মদ ইয়াকুব চৌধুরী, নুরুল আমীন, চৌধুরী আনোয়ার উল্ল্যাহ, এ.এইচ.এম. হাবিবুল্লাহ, মনছুর আহম্মদ, মোঃ ছোলায়মান, অসীম কুমার দাশ, লায়ন মোঃ ইব্রাহিম, লায়ন সাব্বির আহমেদ, কামাল আহমেদ। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে আবু সাদাত, মোঃ সায়েম, আব্দুল মজিদ চৌধুরী, এড. এস.এম. রাশেদ চৌধুরী, লায়ন সালাউদ্দিন সামির, ইমতিয়াজ বাবলা, সালাউদ্দিন লাভলু, মুহিউদ্দিন চৌধুরী জিকু, সাহাবুদ্দিন আহমেদ জাহেদ, টিকু সুলতান সিকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক যথাক্রমে সাব্বির চৌধুরী, রিয়াজুল ইসলাম ভূট্টো, সেলিম রনি, মোঃ ইকবাল, মাহজাহান সেলিম, মহিউদ্দিন চৌধুরী মঈন, এস.এম. রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

 

সৌদি আরবের নাগরিকদের যে ৪ দেশের মেয়েদের বিয়ে করতে মানা!

মানবাধিকার রিপোর্টঃ

বিদেশিদের বিয়ে করতে হলে নানান আনুষ্ঠানিকতার জন্য সরকারের অনুমতি নিতে হয়। এখন সৌদি নাগরিকদের বিদেশিদের বিয়েতে কঠোর নিয়মকানুনের মুখোমুখি হতে হবে।
আসাফ আল কোরাইশি বলেন, সৌদি নাগরিক যাঁরা এখনো বিদেশিদের বিয়ে করতে চান, তাঁদের প্রথমে সরকারের সম্মতি নিতে হবে। সরকারি যথাযথ চ্যানেলের মাধ্যমে বিয়ে করার জন্য একটি আবেদন জমা দিতে হবে। সৌদি আরবের পুরুষদের বাংলাদেশ, পাকিস্তান, চাদ ও মিয়ানমারের প্রবাসী নারীদের বিয়ে করতে নিষেধ করা হয়েছে। মক্কা পুলিশের পরিচালক মেজর জেনারেল আসাফ আল কোরাইশির বরাত দিয়ে দেশটির মক্কা ডেইলির এক খবরে এ কথা বলা হয়েছে। মঙ্গলবার ইন্ডিয়া টাইমসের খবরে এ কথা বলা হয়েছে। বেসরকারি পরিসংখ্যানের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়েছে, এই চারটি দেশের প্রায় পাঁচ লাখ নারী বর্তমানে সৌদি আরবে বসবাস করছেন। সৌদি পুরুষদের বিদেশি নাগরিকদের বিয়ে করা থেকে বিরত রাখতেই সরকারের পক্ষ থেকে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের মতে, আবেদনকারীর বয়স ২৫ বছরের ওপরে হতে হবে। স্থানীয় জেলা মেয়র, পরিচয়পত্র এবং পরিবারের সম্মতির নথিও আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে।

 


সিলেট আঞ্চলিক মানবাধিকার সম্মেলন অনুষ্ঠিত

 

মানবাধিকার রিপোর্ট

বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন সিলেট আঞ্চলিক মানবাধিকার সম্মেলন-২০১৬ ১৭ ডিসেম্বর ২০১৬ সকাল ৯:৩০টায় মুসলিম সাহিত্য সংসদ মিলনায়তন, দরগাহ গেইট সিলেটে অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের সিলেট আঞ্চলিক সমন্বয়কারী আতাউর রহমান এর সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সম্মানীত সংসদ সদস্য এড. শামসুন্নাহার বেগম। সম্মেলন উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব ড. সাইফুল ইসলাম দিলদার।
সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা প্রকৌশলী কাজী রেজাউল মোস্তফা।
সম্মেলনে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমিশনের যুক্তরাষ্ট্র গভর্নর শরীফ আহমেদ লস্কর।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার এসএম রোকন উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় ডেপুটি গভর্নর এবং বিশেষ প্রতিনিধি এম.এ. সোহেল আহমেদ মৃধা, ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সভাপতি আক্তারুজ্জামান বাবুল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নির্বাহী সভাপতি মোঃ হারুন-অর রশিদ।
সিলেট বিভাগীয় গভর্নর ড. আর. কে. ধর, সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেনে সিলেট অঞ্চলের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী এবং সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি আলহাজ্ব আতাউর রহমান।
সম্মেলনে সিলেট জেলা, সিলেট মহানগর, হবিগঞ্জ জেলা, সুনামগঞ্জ জেলা, মৌলভীবাজার জেলা এবং মৌলভীবাজার আঞ্চলিক শাখাসহ সকল উপজেলা ও পৌরসভা শাখার পাঁচশতাধিক মানবাধিকার কর্মী যোগ দেন।

 

ব্রিটেনে বাংলাদেশি তরুণরা বৈষ্যমের শিকার
 

মানবাধিকার রিপোর্টঃ
ব্রিটেনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে বাংলাদেশি কমিউনিটির তরুণরা শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও কর্মক্ষেত্রে বর্ণ বৈষম্যের শিকার হচ্ছে বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্যের সোশ্যাল মোবিলিটি কমিশন। বুধবার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্রিটেনের সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বিশেষ করে বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি কমিউনিটির শিক্ষার্থীদের ফলাফল স্থানীয় শ্বেতাঙ্গ ও ব্রিটিশদের চেয়ে ভাল হওয়ার পরও চাকরিতে উচ্চ পদে তাদের সংখ্যা অপেক্ষাকৃত কম। বৈষম্যের শিকার হয় অধিকাংশই মুসলিম নারী।
জরিপে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে ৭২ শতাংশ ভারতীয়, ৫৩ শতাংশ বাংলাদেশি/ পাকিস্তানি ও ৫৭ শতাংশ কৃষ্ণাঙ্গ যেখানে উচ্চতর শিক্ষালাভের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হচ্ছে, সেখানে মাত্র ৩৬ শতাংশ শ্বেতাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আগ্রহ প্রকাশ করছে। অন্যদিকে ১৬ বছরের বেশি বয়সী শিক্ষার্থীরা যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হচ্ছে, তাদের মধ্যে তিন শতাংশ ভারতীয়, আট শতাংশ বাংলাদেশি, সাত শতাংশ কৃষ্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা লাভের আগেই ঝরে পড়লেও শ্বেতাঙ্গদের ঝরে পড়ার অনুপাত ১০ শতাংশ।
এই গবেষণার ফলাফল বিশ্লেষণ করে সোশ্যাল মোবিলিটি কমিশনের চেয়ার অ্যালান মিলবার্ন বলেন, ব্রিটেনের স্বল্প আয়ের এলাকাগুলোর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করে সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল লাভ করেও যখন কর্মক্ষেত্রে সাফল্য পাচ্ছে না, তখন বুঝতে হবে সেই শিক্ষার্থীর মেধার কোনও কমতি নেই বরং সে সুযোগের অভাবেই ভালো করতে পারছে না। অথচ তার চেয়ে অপেক্ষাকৃত কম সাফল্য পাওয়া শ্বেতাঙ্গরা কর্মক্ষেত্রে সফল। মেধা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশি কমিউনিটির তরুণরা কম মজুরিতে কাজ করছে, অথবা তার যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পাচ্ছে না।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সঙ্গে বৈষম্যের এই দূরত্ব কমাতে সরকারকে উদ্যোগী হওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন কমিশনের চেয়ার মিলবার্ন।

 

 কুমিল্লা আঞ্চলিক মানবাধিকার সম্মেলন অনুষ্ঠিত


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন- কুমিল্লা আঞ্চলিক মানবাধিকার সম্মেলন ২৪ ডিসেম্বর ২০১৬ রোজ শনিবার সকাল ৯:৩০টায় কাঁশবন রিসোর্টস, কোর্টবাড়ী (যাদুঘর সংলগ্ন) কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন কুমিল্লা আঞ্চলিক সমন্বয়কারী বীরমুক্তিযোদ্ধা ওবায়দুল কবির মোহন এর সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য বেগম রওশন আরা মান্নান। সম্মেলন উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব ড. সাইফুল ইসলাম দিলদার।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য নূরুল ইসলাম সিকদার, জাতীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আমির হোসেন, ইঐজঈ ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ-এর গভর্নর সিকান্দার আলী জাহিদ, চট্টগ্রাম বিভাগের ডেপুটি গভর্নর ও বিভাগীয় বিশেষ প্রতিনিধি এমএ সোহেল আহমেদ মৃধা, কুমিল্লা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ প্রতিনিধি মোস্তাক আহমেদ ভূইয়া, কুমিল্লা মহানগর শাখার সভাপতি এএইচএম তরিকুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা শাখার সভাপতি মোঃ আবু সাঈদ, চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি এডভোকেট রুহুল আমিন সরকার, কুমিল্লা আঞ্চলিক শাখার সভাপতি মাহমুদুল হাসান রোম্মান, বৃহত্তর মিরপুর আঞ্চলিক শাখার সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া মোল্লা, ইঐজঈ রূপগঞ্জ ইউনিয়ন (নারায়ণগঞ্জ)শাখার সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা ফলজুল করিম মাস্টার প্রমুখ। সম্মেলনে কুমিল্লা জেলা, কুমিল্লা মহানগর, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা, চাঁদপুর জেলা, কুমিল্লা উত্তর আঞ্চলিক এবং কুমিল্লা আঞ্চলিক শাখাসহ সকল উপজেলা ও পৌরসভা শাখার তিনশতাধিক মানবাধিকার কর্মী যোগ দেন।
 

নারীদের হয়রানি থামছে না

 

মানবাধিকার রিপোর্টঃ

কত কিছুই না বদলায়। কত পরিবর্তন। ইতিবাচক, নেতিবাচক। কিন্তু নারীর প্রতি হয়রানি থামছে না। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি ২০১০ থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে উত্ত্যক্তের ঘটনা ঘটেছে ৩ হাজার ৯১০টি। আর উত্ত্যক্তের শিকার হয়ে আত্মহত্যা করেছেন ১৪৫ জন। শ্লীলতাহানি হয়েছে ৯৯৭ জন নারীর এবং যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ৫৮৩ জন। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৮ জন কিশোরী উত্ত্যক্তের শিকার হয়ে আত্মহত্যা করেছে। আর এই সময়ে উত্ত্যক্তের ঘটনা ঘটেছে প্রায় ১৫০টি। উত্ত্যক্তের কারণে গত বছর আত্মহত্যা করেছেন ২২ জন নারী ও শিশু। এ ধরনের মোট ঘটনা ঘটে ৩২৮টি। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের লিগ্যাল এইড উপ-পরিষদের তথ্য অনুযায়ী ২০১১ সালের পর থেকে দেশে এসব ঘটনা ধীরে ধীরে কমছিল, তবে প্রবণতাটি এখনো উদ্বেগজনক। এসব ঘটনার জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির অভাব এবং সামাজিক প্রতিরোধ কমে যাওয়াকে দায়ী করেছেন বিশেষজ্ঞরা। পরিবার থেকে আইনের আশ্রয় না নেয়া ও ঘটনা লুকিয়ে রাখার প্রবণতা অনেক বেশি বলে মনে করছেন তারা। মহিলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সালমা আলী বলেন, নারী নির্যাতন, উত্ত্যক্তের ঘটনার মূল কারণ হচ্ছে বিচারহীনতা, জবাবদিহিতার অভাব। বিচার না পেয়ে এসবের বিরুদ্ধে এখন আর মানুষ মুখ খুলতে চায় না। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় পরিবার থেকেও নারীদের দায়ী করা হয়। সালমা আলী বলেন, আমাদের সমাজে নারীদের এখনো মানুষ হিসেবে ভাবা হয় না। যে কারণে এ ধরনের সমস্যা থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পারছি না। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় অপরাধীদের একটা বড় অংশ বিবাহিত পুরুষ এবং অশিক্ষিত যুবক। যতদিন পর্যন্ত সরকার, জনগণ এবং শিশু-কিশোর সবাই সচেতন না হবে নারী নির্যাতন বন্ধ হবে না। সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন এসব মামলা দ্রুত বিচারের আওতায় এনে উত্ত্যক্তকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিলে এ ধরনের ঘটনা কমতে পারে।
 

 


রাঙ্গুনিয়ায় মানবাধিকার দিবসের সম্মেলন অনুষ্ঠিত
 

 

মানবাধিকার রিপোর্টঃ

৬৮তম বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন-এ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা শাখা কর্তৃক এক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম। সম্মেলন উদ্বোধন করেন মানবাধিকার কমিশনের উত্তর জেলা শাখার সভাপতি নিয়াজ মোর্শেদ এলিট। বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বার এসোসিয়েশনের সভাপতি এড. মোঃ কফিল উদ্দিন চৌধুরী এবং প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার কমিশনের চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল বশর।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমিশনের চট্টগ্রাম দক্ষিণ বিভাগীয় গভর্নর সেতারা গাফফার, চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সভাপতি মোঃ সিরাজুল ইসলাম কমু, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আলী শাহ, রাঙ্গুনিয়া পৌরসভা মেয়র মোঃ শাহজাহান সিকদার। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রকৌশলী ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেকানিক্যাল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ জামাল উদ্দীন।
 

রোহিঙ্গারা মানবতাবিরোধী অপরাধের শিকার: জাতিসংঘ

মানবাধিকার রিপোর্টঃ
মিয়ানমারে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গারা খুব সম্ভবত মানবতাবিরোধী অপরাধের শিকার বলে মন্তব্য করেছে জাতিসংঘ। গত ২৭ ডিসেম্বর ২০১৬ এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর (ওএইচসিএইচআর) এ কথা বলেছে।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ায় আসা রোহিঙ্গারা বলছে, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর হেলিকপ্টার গানশিপও ব্যবহার করেছে। গানশিপ-সেনা-বিজিপি-মগ যুবকদের হামলা, নৃশংসতা, বিভীষিকা তারা ভুলতে পারছে না। গত ২৭ ডিসেম্বরও প্রায় তিন হাজার রোহিঙ্গা ঢুকেছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি বলেছে, রাখাইন রাজ্যে সরকারি বাহিনীর নির্যাতনে প্রায় ৩০ হাজার রোহিঙ্গা মুসলিম ঘরছাড়া হয়েছে। কৃত্রিম উপগ্রহে তোলা ছবি বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, রোহিঙ্গা গ্রামগুলোতে শতাধিক বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। হাজার হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য সীমান্তে জড়ো হয়েছে। সেনাবাহিনী ওই রাজ্যে নারী ও শিশুদের ধর্ষণ করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
বিবৃতিতে ওএইচসিএইচআর বলেছে, রোহিঙ্গাদের সঙ্গে মিয়ানমার সরকারের আচরণ মানবতাবিরোধী অপরাধের মতোই। বিবৃতিতে গত জুনে প্রকাশিত জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে উপস্থাপিত তথ্য উল্লেখ করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ২০১২ সালের সহিংসতার ঘটনার সূচনা থেকে ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবিরে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের নাগরিক বলে মেনে নেয়নি, স্বাস্থ্যসুবিধা ও শিক্ষার সুযোগ, এমনকি মুক্তভাবে চলাফেরার সুযোগ থেকেও তাদের বঞ্চিত করা হচ্ছে।
ওএইচসিএইচআর বলেছে, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক সংস্থার ওই প্রতিবেদনে যেসব সুপারিশ করা হয়েছিল, তা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে মিয়ানমার সরকার।...রোহিঙ্গাদের ওপর সহিংসতার ধরন মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল বলে গণ্য করার সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলেছে।
জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার মুখপাত্র ভিভিয়ান ট্যান গত ২৮ ডিসেম্বর ২০১৬ ব্যাংককে বলেন, কমপক্ষে ১০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকেছে। তবে পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে এবং প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়েও বেশি হতে পারে।
 


নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় পুরুষের মানসিকতার পরিবর্তন প্রয়োজন

মানবাধিকার রিপোর্টঃ
রাজধানীর লালমাটিয়া মহিলা কলেজের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে গত ২৬ ডিসেম্বর ২০১৭ কৃতী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ও ক্রেস্ট প্রদান করেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ।
সমাজে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় পুরুষের মানসিকতা পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেছেন, বিশ্বে একটি সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ার জন্য নারী ও পুরুষের যৌথ প্রচেষ্টা প্রয়োজন। তিনি বলেন, সমাজে নারীর উন্নয়নে অনেক অগ্রগতি হয়েছে, তবে তাদের অধিকার এখনো পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
এ কারণে আমাদের বিশেষ করে পুরুষদের মানসিকতার পরিবর্তন করতে হবে।
গত ২৬ ডিসেম্বর ২০১৬ রাজধানীর লালমাটিয়া মহিলা কলেজের দুই দিনব্যাপী সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি ভাষা আন্দোলন, গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে নারীর ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বলেন, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তিযুদ্ধের আহ্বানের পর নারীরা, বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীরা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করেছিলেন। এরপর মুক্তিযুদ্ধ শুরুর পর অনেক নারী যুদ্ধে অংশ নেন। অনেক নারী যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সহায়তার হাত প্রসারিত করেন। যুদ্ধের সময়ে অনেক নারী নির্যাতনের শিকার হন। জাতি মুক্তিযুদ্ধে নারীদের এই অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ রাখবে।
তিনি বলেন, এখন দেশে-বিদেশে নারীর উন্নয়ন হচ্ছে। তাদের উপস্থিতি এখন রাজনীতি, অর্থনীতি ও শিল্প সংস্কৃতি এবং খেলাধুলাসহ সর্বত্র লক্ষ করা যাচ্ছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা, সংসদ উপনেতা এবং মন্ত্রিসভায় নারী সদস্যরাই শুধু নারীর ক্ষমতায়নে একমাত্র উদাহরণ নয়, তারা তদের মেধা, দক্ষতা, সাহস দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। রাষ্ট্রপতি বলেন, এমনকি বিচার বিভাগ, প্রশাসন ও সশস্ত্র বাহিনীর মতো চ্যালেঞ্জিং পেশায়ও তারা দক্ষতা ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
 


 

ইসি গঠনে খালেদা জিয়ার প্রস্তাবাবলী বঙ্গভবনে


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
প্রেসিডেন্টের সাক্ষাতের জন্য ১৩ দিন অপেক্ষা শেষে ৭ ডিসেম্বর সকালে নির্বাচন কমিশন গঠন ও শক্তিশালীকরণ : বিএনপির প্রস্তাবাবলী প্রেসিডেন্ট ভবন বঙ্গভবনে পৌঁছিয়ে দিয়েছেন বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল।
দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও ভাইস-চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) রুহুল আলম চৌধুরীর নেতৃত্বে এই প্রতিনিধিদলটি প্রেসিডেন্টের সহকারী সামরিক সচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাইনুর রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করে এই প্রস্তাবাবলী দেন।
গত ৭ ডিসেম্বর ২০১৬ সকাল ১১টা ১০ মিনিটে বিএনপির প্রতিনিধি দলটির গাড়ি বঙ্গভবনের ভেতরে প্রবেশ করে, বেরিয়ে আসে ১১টা ২৫ মিনিটে। এর আগে প্রেসিডেন্ট আব্দুুল হামিদ চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে বঙ্গবভবন ত্যাগ করেন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে।
পরে বঙ্গভবনে গেইটের সামনে রুহুল কবির রিজভী সাংবাদিকদের বলেন, আমরা মহামান্য প্রেসিডেন্টের নিকট হস্তান্তরের জন্য দলের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশন গঠন ও শক্তিশালীকরণের বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপস্থাপিত ১৩ দফা প্রস্তাবাবলীর মুদ্রিত কপি ও দলের মহাসচিব স্বাক্ষরিত একটি আবেদন তার সামরিক সচিবের কাছে পৌঁছিয়ে দিয়েছি। তিনি (সহকারী সামরিক সচিব) সেটা অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে তা গ্রহণ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন মহামান্য প্রেসিডেন্টের শারীরিক অসুস্থতার কারণে বিদেশে গিয়েছেন। তিনি ১১ ডিসেম্বর দেশে ফিরে আসবেন। এরপর ধারাবাহিকতাভাবে বিভিন্ন দলের সঙ্গে আলোচনা করবেন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা আজকে মহামান্য প্রেসিডেন্টের সাথে নয়, সহকারী সামরিক সচিবের সাথে সাক্ষাতের জন্যে এসেছি। আগেই এই সময় নির্ধারণ করা ছিল।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, আমরা আশা করি, মহামান্য প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে এদেশের মানুষের যে আকক্সক্ষা, নির্বাচন কমিশন কেমন হওয়া উচিৎ, সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটা নির্বাচন কমিশন গঠনের ক্ষেত্রে মহামান্য প্রেসিডেন্ট কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।
 

 

দেশ অবাধ তথ্যপ্রবাহের সুবর্ণ সময়ে অবস্থান করছে: স্পিকার

মানবাধিকার রিপোর্টঃ
জাতীয় সংসদের স্পিকার ও সিপিএ নির্বাহী কমিটির চেয়ারপারসন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, অবাধ তথ্যপ্রবাহের সুবর্ণ সময়ে অবস্থান করছে বাংলাদেশ।
২৭ ডিসেম্বর ২০১৬ মহাখালীতে বৈশাখী টেলিভিশনের কার্যালয়ে এর একযুগ পূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হাসান ইমাম, কণ্ঠ শিল্পী খুরশিদ আলমসহ বৈশাখী টেলিভিশনের শুভানুধ্যায়ীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
স্পিকার বলেন, গণতন্ত্র ও গণমাধ্যম পরস্পরের পরিপূরক। গণতন্ত্র সচল থাকলে গণমাধ্যমও সচল থাকে। তাই গণমাধ্যমের অগ্রগতি অব্যাহত রাখার স্বার্থেই দেশে গণতন্ত্রের ভিত শক্তিশালী করতে গণমাধ্যম কর্মীদের কাজ করতে হবে।
 

 

সংজ্ঞা নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি

এটিই বিশ্বের একমাত্র শহর, যেখানকার মানুষ জানেনই না টাকাপয়সা কী জিনিস!

মানবাধিকার রিপোর্টঃ


এ এক অভিনব শহর, যেখানে কার্যত টাকাপয়সার কোনও প্রচলনই নেই। কোথায় রয়েছে এমন আজব শহর, কীভাবেই বা চলে সেই শহরের বাসিন্দাদের জীবন? জেনে নিন, সেই আশ্চর্য শহরের উপাখ্যান।
গত ৮ নভেম্বর ভারতে নোটবাতিল ঘোষণার পরে সরকার জোর দিচ্ছে ক্যাশলেস ইকনমির উপর, অর্থাৎ এমন এক অর্থব্যবস্থা যেখানে আর্থিক লেনদেন হবে নগদ টাকা ছাড়াই। সরকারি পরিকল্পনা বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে, তা সময়ই বলবে। কিন্তু শুনে অবাক লাগতে পারে যে, ভারতের বুকেই ১৯৬৮ সাল থেকে এমন এক শহর রয়েছে, যেখানে কার্যত নগদ টাকার কোনও মূল্যই নেই। কারণ ব্যাপকতর অর্থে, এই শহরে টাকাপয়সা ব্যবহারই হয় না।
তামিলনাড়ুতে চেন্নাই থেকে ১৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত শহর অরোভিল। ১৯৬৮ সালে ইউনেস্কোর সহযোগিতায় শ্রী অরবিন্দ সোসাইটির মা মীরা আলফানসা এই শহর প্রতিষ্ঠা করেন। রজার অ্যাঙ্গার নামের এক ব্রিটিশ আর্কিটেক্ট এই শহরের পরিকল্পনা করেছিলেন। ব্রহ্মাে র গঠনকে মাথায় রেখে সেই ধাঁচে এই শহরকে গড়ে তোলেন অ্যাঙ্গার, এবং শহরের মাঝখানে স্থাপন করেন একটি মাতৃমন্দির। বর্তমানে এই মাতৃমন্দিরে শহরের মানুষজন সমবেত হন ধ্যান করার জন্য। ১৯৬৮ সালের ২৮ ফেব্রয়ারি অরোভিলের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে ১২৪টি দেশের প্রতিনিধি যোগ দিয়েছিলেন।
বর্তমানে এই শহরের জনসংখ্যা আড়াই হাজারের কাছাকাছি। ৪২টি দেশের বাসিন্দারা এখানে মিলেমিশে বসবাস করেন। এঁদের মধ্যে ৩০ শতাংশ ভারতীয়। সুযোগ-সুবিধার বিচারে পৃথিবীর বহু বড়ো শহরকেই টেক্কা দিতে পারে অরোভিল। এখানে স্কুল, হাসপাতাল থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত আধুনিক জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় পরিষেবা মজুত রয়েছে। সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র নিয়মনীতি মেনে পরিচালিত হয় এই শহর, যার ফলে অরোভিলে টাকাপয়সার কোনও প্রচলনই নেই।
কিন্তু তাহলে কীভাবে চলে অরোভিলের বাসিন্দাদের জীবন? আসলে সেবার বদলে সেবা নীতি অনুসরণ করে এই শহর, যা আদপে প্রাচীন বিনিময় প্রথারই একটি আধুনিক সংস্করণ। এখানে থাকা, খাওয়ার জন্য কোনও পয়সাই লাগে না। বরং নিজের সাধ্যমতো সেবা দিয়ে প্রত্যেকে শহরের উন্নয়নে নিজস্ব অবদান রাখেন। সেবা বলতে মূলত তেল, সাবান, ধূপকাঠি তৈরি-সহ অন্যান্য কুটির শিল্পে হাত লাগানো। এইভাবে উৎপাদিত দ্রব্য অরোভিল ফাউন্ডেশন দেশের অন্যান্য অংশে বিক্রির বন্দোবস্ত করে। সেই থেকে যা আয় হয়, তা শহরের বাসিন্দাদের জীবন নির্বাহ, এবং শহরের উন্নয়নে কাজে লাগানো হয়। নিজেদের শ্রমের বিনিময়ে অরোভিল ফাউন্ডেশনের তরফে সামান্য কিছু বেতনও পান নাগরিকরা। কিন্তু সেই উপার্জিত অর্থ অরোভিলের চৌহদ্দির মধ্যে খরচ করার প্রয়োজন পড়ে না কখনও। ভারত সরকারও এই শহরকে এবং এর অভিনব অর্থব্যবস্থাকে স্বীকৃতি দিয়েছে। প্রয়োজনমতো অরোভিল ফাউন্ডেশনকে আর্থিক সাহায্যও করা হয় সরকারের তরফে।

Top

মুক্তিযোদ্ধাদের কবরগুলো একই নকশায় করা হবে

 

মানবাধিকার রিপোর্টঃ
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, সারা দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের কবরগুলো একই নকশায় করা হবে। বধ্যভূমিগুলো সংরক্ষণ করা হবে। চট্টগ্রাম এম এ আজিজ স্টেডিয়াম-সংলগ্ন মাঠে মুক্তিযুদ্ধের বিজয়মঞ্চে আয়োজিত এক স্মৃতিচারণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, জাতীয় সংসদের আঙিনা থেকে জিয়াউর রহমানের কবর সরাতে হবে। চারদিক থেকে আজ প্রশ্ন আসছে, সেখানে তাঁর লাশ আদৌ আছে কি না? তিনি বলেন, যদি ছবি দেখাতে না পারেন, তাহলে ডিএনএ টেস্ট করে প্রমাণ করুন, এটি জিয়াউর রহমানের লাশ। আর না হয় জিয়ার মাজার বলে এত বছর ধরে যে মিথ্যাচার করেছেন, তা ধোঁকাবাজি। তাই এ নকল কবর অবশ্যই সরাতে হবে। ভিন্ন কোনো পথ নেই।
স্বাধীনতাযুদ্ধে জিয়াউর রহমান রাজনৈতিক সরকারের অধীনে যুদ্ধ করতে চাননি বলে দাবি করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী। তিনি বলেন, জিয়া মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্নগুলো ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন। তিনি ধর্মের নামে রাজনীতি করার জন্য জামায়াতকে নিয়ে এসেছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী। বক্তব্য দেন মুক্তিযোদ্ধা নূর উদ্দিন, রেজাউল করিম চৌধুরী, মহিউদ্দিন রাশেদ, খোরশেদ আলম, মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।
বক্তারা চট্টগ্রামে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধ নির্মাণের জন্য মন্ত্রীর প্রতি দাবি জানান।

 

Top

কেমন আছে বিদেশে বাংলাদেশি নারী শ্রমিকরা
 

মানবাধিকার রিপোর্টঃ
বাংলাদেশ থেকে এক হাজার নারী শ্রমিক সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাবে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আরব আমিরাত সফরে এই চুক্তি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরে নারী শ্রমিক পাঠানোর চুক্তিকে সাফল্য হিসাবে দেখানো হয়েছে। কিন্তু বিদেশে বাংলাদেশি নারী শ্রমিকরা কেমন আছে? সে চিত্র আমরা খুব কমই জানি।
এখন নারী শ্রমিক যাচ্ছে হংকং সিঙ্গাপুর ও আরব দেশগুলোতে। নারী শ্রমিকের জীবনের অভিজ্ঞতা আমরা জেনে নেই। কেমন আছে তারা।
১. ১৬ বছরের পারভীন। পাসপোর্টে ২৬ বছর বয়স দেখিয়ে স্থানীয় দালালের মাধ্যমে লেবাননে গিয়েছিল কাজ নিয়ে। সেখানে মধ্যরাত পর্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করতে হতো তাকে। কাজ করতে না পারলে চলতো শারীরিক নির্যাতন। পরিবারের কারও সঙ্গে কথা বলার সুযোগ ছিল না তার। সেখান থেকে মুক্তির আশায় অন্য চাকরি খুঁজতে থাকে সে। এ সময় এক ব্যক্তি তার দুর্ভোগের কথা শুনে ভাল একটি চাকরি দেয়ার প্রতিশ্রতি দেয়। কিন্তু সে ছিল এক দুর্বৃত্ত। তার খপ্পরে পড়ে গণধর্ষণের শিকার হয় মেয়েটি। এরপর নানা ঘটনার জন্ম।
২. আমাতন বিবি। ৩৫ বছরের এ বিধবার ৩ ছেলে। ছেলেদের ভবিষ্যৎ গড়তে দালালের প্রলোভনে পড়ে বিদেশ যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এজন্য উচ্চ সুদে ঋণ নিয়ে স্থানীয় দালালকে দেন ৪০ হাজার টাকা। কিন্তু দালালের প্রতারণায় বিদেশেও যেতে পারেননি। টাকাও ফেরত পাননি। টাকা ফেরত পেতে এলাকার মাতব্বরদের কাছে ধরনা দিয়েও কোন লাভ হয়নি। ওই টাকার সুদও বেড়েই চলছে। আমাতন ওই টাকা ফেরত পেতে প্রভাবশালীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন।
৩. ২০০৮ সালের ৩১শে অক্টোবর লেবাননে কর্মরত অবস্থায় নির্মাণাধীন একটি প্রতিষ্ঠান থেকে পড়ে গিয়ে মারা যান বাংলাদেশী নারী কর্মী মনোয়ারা। ওই সময় বলা হয় তিনি ভবনের ওপর থেকে লাফ দিয়েছিলেন। দীর্ঘ তদন্তের পর ২০১২ সালের মে মাসে প্রমাণ হয় মনোয়ারা কর্মরত অবস্থায় দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিলেন। কিন্তু আজও ক্ষতিপূরণ পাননি ৪ সন্তানের জননী মনোয়ারার স্বামী ওমর আলী। মনোয়ারার অভিভাবক হিসেবে প্রমাণ করতে তিনি এখনও আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।
৪. বিদেশে নারী শ্রমিকদের অবস্থা নিয়ে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা কাজ করে তাদের পরিচালিত একটি গবেষনা প্রতিবেদনে ভয়বাহ চিত্র পাওয়া গেছে। গত বছরের শুরু থেকে এ বছরের আগস্ট পর্যন্ত অভিবাসী কর্মী উন্নয়ন প্রোগ্রাম (ওকাপ) পরিচালিত গবেষণাটি গত ৩০শে সেপ্টেম্বর রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশনের মেঘনা হল রুমে বিভিন্ন অভিবাসন নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন এনজিও এবং সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উপস্থাপন করা হয়।
 

 

 বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য জোরদারে শক্তিশালী কণ্ঠ হয়ে থাকতে চাই


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরো জোরদারে শক্তিশালী কণ্ঠস্বর হিসেবেই থাকতে চান বাংলাদেশের সঙ্গে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বাণিজ্যবিষয়ক দূত রুশনারা আলী। বাংলাদেশকে অত্যন্ত উদ্ভাবনী ও সৃষ্টিশীল রাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, কাজ শুরুর জন্য এটি খুব ভালো জায়গা।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দূত হিসেবে প্রথমবারের মতো গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি বাংলাদেশ সফর শুরু করেন। সফরের প্রথম দিনই বার্তা সংস্থা ইউএনবিকে তিনি এ কথা জানান।
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রুশনারা আলী বলেন, বাংলাদেশ যাতে আরো অগ্রগতি সাধন করতে পারে সে জন্য তিনি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরো টেকসই করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে জোরালো বাণিজ্য সম্পর্কের সুবিধা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে আমি দুই দেশের সরকারের সঙ্গে কাজ করতে খুবই আগ্রহী।
রুশনারা আলী জানান, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দূত হিসেবে বাংলাদেশ সম্পর্কে আরো জানতে তিনি এ সফর করছেন। বাণিজ্যবিষয়ক দূত হলেও তিনি অর্থনৈতিক, সামাজিক উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা বিষয়েও গুরুত্ব দিতে চান।
রুশনারা আলী বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ককে আরো জোরালো করতে চায়। বাংলাদেশকে গুরুত্ব দেওয়ার ইঙ্গিতও পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশ সরকার বড় বিনিয়োগ প্রকল্পগুলোতে গুরুত্ব দিচ্ছে। এ জন্য ভালো অবকাঠামো থাকতে হবে। এটিই বড় পার্থক্য সৃষ্টি করবে।
রুশনারা আলী বিনিয়োগ বাধাগুলো দূর করার ওপরও জোর দেন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার প্রভাব এবং যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার অংশ হিসেবে বিভিন্ন দেশ ও তাদের দূতরা এ ব্যাপারে কাজ করবেন।


 

ঘরে বসে উপবৃত্তির টাকা পাবেন মায়েরা
 

মানবাধিকার রিপোর্টঃ
প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তির টাকা বিতরণের জন্য শিক্ষার্থীদের মায়েদের মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট খোলা শুরু হয়েছে। শিগগিরই কয়েকটি উপজেলায় মায়েদের মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে উপবৃত্তির টাকা পৌঁছে দেওয়া শুরু হবে।
আশা করা হচ্ছে, ডিজিটাল এই কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
উপবৃত্তির টাকা বিতরণের জন্য গত জুনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একটি চুক্তি করে রূপালী ব্যাংক ও শিওরক্যাশ। এই চুক্তির আওতায় মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট খোলার কাজ অনেক দূর এগিয়ে এনেছে প্রতিষ্ঠান দুটি। সেবাটির উদ্বোধনের পর পর্যায়ক্রমে সারা দেশের প্রায় ৬০ হাজার বিদ্যালয়ের এক কোটি শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বিতরণ শুরু হবে। রূপালী ব্যাংক ও শিওরক্যাশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তিতে উৎসাহ জোগানো এবং শিক্ষার্থীদের ধরে রাখার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি চালু করেছে সরকার। সারা দেশে প্রায় ৬০ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক কোটি ৩০ লাখ শিক্ষার্থী এই প্রকল্পের আওতায় উপবৃত্তি পাচ্ছে। সাধারণত তিন মাস পর পর শিক্ষার্থীদের মায়েদের হাতে এই উপবৃত্তির টাকা তুলে দেওয়া হয়। বর্তমানে বছরে এক হাজার ৪০০ কোটি টাকা প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি দিচ্ছে সরকার। আগে এই উপবৃত্তির টাকা তুলতে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের উপবৃত্তি বিতরণ কেন্দ্রে যেতে হতো। এ জন্য অনেক দূর হাঁটতে হতো মায়েদের। এতে কয়েক ঘণ্টা সময় লাগত। ব্যাংক কর্মকর্তাদের ঝুঁকি নিয়ে নগদ টাকা বহন করে প্রত্যন্ত গ্রামে যেতে হতো। অনেক সময় এই টাকা বিতরণের ক্ষেত্রে নানা ধরনের ত্রুটি-বিচ্যুতি এবং অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যেত। সে কারণে এই উপবৃত্তি কার্যক্রম আরো দক্ষ এবং স্বচ্ছ করতে সরকার চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছর থেকে রূপালী ব্যাংক-শিওরক্যাশ মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি বিতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সারা দেশের বিদ্যালয়গুলোর সহায়তায় প্রায় এক কোটি শিক্ষার্থীর মায়েদের মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট খোলা হচ্ছে। এই অ্যাকাউন্টে সরকার ডিজিটাল পদ্ধতিতে সরাসরি উপবৃত্তির টাকা পাঠিয়ে দেবে। ফলে মায়েরা ঘরে বসেই উপবৃত্তির টাকা পেয়ে যাবেন। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের এজেন্টের কাছে গিয়ে এই টাকা তুলে প্রয়োজন অনুযায়ী খরচ করতে পারবেন। সঞ্চয় করতে পারবেন। ছেলেমেয়েদের পড়ালেখার মান বাড়াতে খরচ করতে পারবেন।

 

Top

 

 তাইওয়ানে সামাজিক ব্যবসায় ইউনূস

মানবাধিকার রিপোর্টঃ
তাইওয়ানে ইউনূস সামাজিক ব্যবসা কেন্দ্র স্থাপনের লক্ষ্যে দেশটির চ্যাং জুং ক্রিশ্চিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তি করেছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। ১৯ ডিসেম্বর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চ্যাং জুং ক্রিশ্চিয়ান ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট ইয়ুং-লুং লি এবং নোবেলজয়ী প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এমওইউতে স্বাক্ষর করেন।
ওই সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তাইওয়ান সামাজিক ব্যবসা তহবিলের পক্ষে ওয়াং জুনো ও ফিলিপ্পা সাই। নবপ্রতিষ্ঠিত এই কেন্দ্রটিসহ বিশ্বজুড়ে এখন ইউনূস সামাজিক ব্যবসা কেন্দ্রের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩২-এ। ঢাকার ইউনূস সেন্টার থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একই দিন ইউনূস সেন্টার আয়োজিত ৪৩৭তম সামাজিক ব্যবসা ডিজাইন ল্যাব গ্রামীণ ব্যাংক অডিটোরিয়াম কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। আফগানিস্তান, ব্রাজিল, অস্ট্রিয়া ও ইতালিসহ বিভিন্ন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ১৪০ জন অংশগ্রহণকারী এই ল্যাবে যোগ দেন। প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ডিজাইন ল্যাবে সভাপতিত্ব করেন। ওই ডিজাইন ল্যাবে ৬টি নতুন নবীন উদ্যোক্তা ব্যবসা পরিকল্পনা উপস্থাপিত হয়। উপস্থাপিত ব্যবসাগুলোর উদ্যোক্তাদের সবাই গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণগ্রহীতা পরিবারের সন্তান। ব্যবসাগুলোর মধ্যে ছিল লেবু চাষ প্রকল্প, খুচরা রেডিমেড কাপড়ের স্টোর, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবসা, কৃষি-যন্ত্র নির্মাণ যেমন ধান মাড়াই যন্ত্র ইত্যাদি।

 

 
৪৭ বছর পরও শ্রমিকরা একই দাবিতে রাস্তায়


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
আশির দশক থেকে শুরু করে ২০০৫ পর্যন্ত একটা গোটা গার্মেন্টস শিল্প সরকারকে কোনো ট্যাক্স দেয়নি। মালিকেরা মুনাফা করেছে, প্রাডো কিনেছে, হলিডে করতে ইউরোপ গেছে।
কিন্তু সরকারকে ট্যাক্স দেয়নি।
২০০৫ সালের পর প্রথম বসানো হলো কর্পোরেট ট্যাক্স। ১০ পার্সেন্ট। উৎস কর ০.২৫ পার্সেন্ট। ২০১৪ পর্যন্ত কয়েক দফায় উৎস কর বেড়ে হলো ০.৮ পার্সেন্ট। বাপরে .... কত ট্যাক্সরে। মালিকেরা মানবে না। তারা হুমকি ধামকি দিলো। সরকার সুরসুর করে উৎস কর কমিয়ে আনলো ০.৩ পার্সেন্টে। এনবিআর একটা স্টাডিতে দেখিয়েছিলো, উৎস কর কমিয়ে আনায় সরকারের বাৎসরিক ক্ষতি হচ্ছে ২০০০ কোটি টাকা।
২০১৫- তে কর্পোরেট ট্যাক্স বাড়িয়ে করা হলো ৩৫ পার্সেন্ট (ভারত-পাকিস্তানে গার্মেন্টস শিল্পে কর্পোরেট ট্যাক্স ৩০-৩৫ পার্সেন্ট)। ওরে আল্লাহ, বিজিএমইএ'র হাউকাউ দেখে কে! ইন্ডাস্ট্রি ধ্বংস হয়ে যাবে। মালিকেরা পথে বসবে। শিল্প মন্ত্রী মালিকদের চোখের পানিতে ইমোশনাল হয়ে গেলেন। বললেন, রানা প্লাজার পরে একোর্ড এলায়েন্সের চাপে বেচারা মালিকদের এমনিতেই খুব কষ্ট। আমাদের উচিত তাদের পাশে দাঁড়ানো। ৩৫% থেকে ২০% হলো কর্পোরেট ট্যাক্স। কিন্তু মালিকরা কি আর শোনে? তারা ১০ পার্সেন্টের বেশি ট্যাক্স দেবে না। এ বছর কমার্স মিনিস্টার ঘোষণা দিয়েছে গার্মেন্টস শিল্পে কর্পোরেট ট্যাক্স আবার ১০ পার্সেন্ট করা হবে।
এখন বলতে পারেন, এতো হাই প্রোফাইল একটা ইন্ডাস্ট্রি চালায় তারা। ৪০ লাখ ফকিন্নিরে চাকরি দিলো, এতো টাকা বিনিয়োগ করলো, কত রিস্ক নিয়ে ব্যবসা করে। আহারে মায়া লাগে...
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, বিনিয়োগটা করলো কে? মালিক? না বিজিএমইএ?
না।
সত্য কথাটা হচ্ছে, এই ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তুলেছে রাষ্ট্র। এভরি ব্লাডি পেনি ইনভেস্ট করেছে রাষ্ট্র। এবং সেটা করেছে জনগণের ট্যাক্সের টাকায়।
এদেশের আরএমজি ব্যবসায়ীরা শুরু করে জিরো ক্যাপিটাল দিয়ে। স্টেট ব্যাংক থেকে ঋণ পায়, ব্যাক টু ব্যাক এলসি পায়, বন্ড সুবিধা পায়, এক্সপোর্ট ক্রেডিট পায়, এবং ইউরোপ আমেরিকায় একটু আধটু ঝড় বৃষ্টি হলে এখানে বসে হাউকাউ করে নগদ ক্যাশ পায়। ২০১৫ সালের প্রথম আলোর একটা রিপোর্ট বলছে, গত পাঁচ বছরে আরএমজি মালিকেরা সরকার থেকে নগদ সাহায্য পেয়েছে প্রায় চার হাজার ২১৫ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিপোর্ট বলছে, ২০১৩ পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলো সবমিলিয়ে মোট ১১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে গার্মেন্টস শিল্পকে।

 

সংখ্যালঘু শরণার্থীর নাগরিকত্ব ফি মাত্র ১০০ রুপি


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী দেশের হিন্দুসহ সব সংখ্যালঘু শরণার্থীর ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে রেজিস্ট্রেশন ফি ১৫ হাজার রুপির বদলে দিতে হবে মাত্র ১০০ রুপি। শনিবার দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এক গেজেট নোটিফিকেশন জারি করে এ কথা জানানো হয়েছে।
দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফে জারি করা গেজেট নোটিফিকেশনে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান এই তিন প্রতিবেশী রাষ্ট্রের হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন, পার্শি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ এবং ভারতে দীর্ঘ মেয়াদি ভিসা (লং টার্ম ভিসা বা এলটিভি) নিয়ে থাকা মানুষদের ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে প্রয়োজনীয় রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ মাত্র ১০০ রুপি দিতে হবে।
এ জন্য ২০০৯ সালের নাগরিকত্ব আইন সংশোধন করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন নিয়মে জেলার কালেক্টর, ডেপুটি কমিশনার বা জেলা শাসকের কাছে প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা সংখ্যালঘুদের নাম নথিভুক্ত করতে হবে এবং নাগরিকত্বের শপথ নিতে হবে। ওই সরকারি কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতিতে সাব ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনেও নাগরিকত্বের শপথ নিতে পারবেন হিন্দুসহ অন্যান্য সংখ্যালঘু নাগরিকরা।
ওই গেজেট নোটিফিকেশনে আরও বলা হয়েছে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান ছাড়া অন্য কোনো দেশে বসবাসকারী হিন্দুসহ অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ভারতে রেজিস্ট্রেশন বাবদ ১০ হাজার রুপি দিতে হবে। কেন্দ্রের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে ভারতের হিন্দু সংগঠনগুলো।

 এ বছরের ১০ ধনী নারী
 

মানবাধিকার রিপোর্টঃ

প্রতিবছরই বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। বছরের শুরুতে বা শেষে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়। তবে এ তালিকায় নারীদের স্থান কমই থাকে। তাই ফোর্বস নারীদের ধনীদের আলাদা তালিকা প্রকাশ করছে। ফোর্বসের করা সেই তালিকা থেকে জেনে নেই বিশ্বে ১০ নারী সম্পদশালীদের কথা।
১. ক্রিস্টি ওয়ালটন: বিশ্বের শীর্ষ নারী ধনী ক্রিস্টি ওয়ালটন। মার্কিনি এ নারীর সম্পদের পরিমাণ তিন হাজার ৬৭০ হাজার কোটি ডলার। সম্পত্তির বেশিরভাগটাই তিনি পেয়েছেন প্রয়াত স্বামী জন ওয়ালটনের কাছ থেকে। ২০০৫ সালে স্বামীর মৃত্যুর পর সব সম্পদের মালিক হন তিনি। ওয়াল মার্টের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন জন।
২. লিলিয়ান বেনেকোট: লিলিয়ান বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ নারী ধনী। ফরাসি এই নারীর সম্পদের পরিমাণ তিন হাজার ৪৫০ কোটি ডলার। তিনি লরিয়াল সংস্থার প্রধান শেয়ার হোল্ডার। এ কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা লিলিয়ানের বাবা।
৩. অ্যালিস ওয়ালটন: ওয়াল মার্টের প্রতিষ্ঠাতা স্যাম ওয়ালটনের আরেক মেয়ে অ্যালিস। তিনি বিশ্বের তৃতীয় ধনী নারী। তার মোট সম্পর্দের পরিমাণ তিন হাজার ৪০০ কোটি ডলার। আর্ট কিউরেটর হিসেবে ইনি বিখ্যাত।
৪. জ্যাকলিন মার্স: বিশ্বের চতুর্থ ধনী নারী। তার মোট সম্পদের পরিমাণ ২০ হাজার কোটি ডলার। বিশ্বের সর্ববৃহৎ ক্যান্ডি প্রস্তুতকারক সংস্থা মারস-এর অন্যতম মালিক জ্যাকলিন।
৫. জর্জজিনা রেইনহার্ট: অস্ট্রেলিয়ার এই নারী হ্যানকক প্রসপেকটিং গ্রুপের মালিক ও চেয়ারম্যান । খনিই তার আয়ের প্রধান উৎস। তার মোট সম্পদের পরিমাণ এক হাজার ৭৭০ কোটি ডলার।
৬. সুজান ক্ল্যাটেন: জার্মান নাগরিক সুজান বিশ্বের ষষ্ট নারী ধনী। তার সম্পদের পরিমাণ এক হাজার ৭৪০ কোটি ডলার। বিএমডব্লিউ-এর প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান অটোমেকার হারবার্ট কোঁয়ান্দ-এর মেয়ে তিনি। এছাড়া কেমিক্যাল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান অ্যালটানার দায়িত্বেও আছেন তিনি।
৭. আবিগালি জনসন: যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী আবিগালি বিশ্বের নারী ধনীদের তালিকার সপ্তম স্থানে রয়েছেন। তার সম্পদের পরিমাণ এক হাজার ৭৩০ কোটি ডলার। ফিডেলিটি ইনভেস্টমেন্টের চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার আবিগেইল। ১৯৪৬ সালে এই সংস্থা শুরু করেন তার বাবা এডওয়ার্ড সি জনসন।
৮. অ্যান কক্স চেম্বার্স: যুক্তরাষ্ট্রের মিডিয়া কোম্পানির মালিক তিনি। তার মোট সম্পদের পরিমাণ এক হাজার ৫৫০ কোটি ডলার। মিডিয়া এম্পায়ার কক্স এন্টারপ্রাইজের প্রতিষ্ঠাতা এম কক্স-এর মেয়ে অ্যানি।
৯. আইরিশ ফন্তবোনা: বিশ্বের নবম ধনী নারী চিলির আইরিশ। তার মোট সম্পদের পরিমাণ এক হাজার ৫৫০ হাজার কোটি ডলার। ক্রোয়েশিয়ান কোটিপতি ও বিশ্বের বৃহত্তম তামার খনির মালিক আনদ্রোনিকো লুকসিকার স্ত্রী তিনি।
১০. লরেনে পাউয়েল জবস: অ্যাপেলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবসের স্ত্রী লরেনে বিশ্বে দশম নারী ধনী। তার মোট সম্পদের পরিমাণ এক হাজার ৪০০ কোটি ডলার। দীর্ঘ সময় তিনি অ্যাপেলের সিইও ছিলেন।
 

কলকাতায় ভোগান্তিতে বাংলাদেশিরা


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
ক্যান্সারের রোগী রাজশাহীর নাসিমা ভর্তি হয়েছেন কলকাতার মুকুন্দপুরের এক হাসপাতালে। গতকাল তার এমআরআই করার কথা ছিল। কিন্তু রুপির সমস্যায় তা সম্ভব হয়নি। হাসাপাতাল থেকে বলা হয়েছে, রুপি জমা দিলে এমআরআই হবে, নইলে সম্ভব নয়। কিন্তু ৫০০ ও ১০০০ রুপির নোট নেওয়া যাবে না। খুচরো দিন। নাসিমা বললেন, নোট সমস্যার কারণে গতকাল রাতে পুরি খেয়েছি। কিন্তু আজ সকালে চা-বিস্কুট খেয়ে থাকতে হয়েছে। আজকের মধ্যে রুপি জোগাড় করতে না পারলে কাল-পরশু বাড়ি চলে যাব। একই অবস্থা ৭ নভেম্বর ঢাকা থেকে কলকাতায় বেড়াতে যাওয়া রবিন চৌধুরীর। প্রথম দিনটা ভালো কাটলেও পরদিন থেকেই নোট সমস্যায় পড়েছেন তিনি। ৮ নভেম্বর মধ্যরাত থেকে ভারত সরকারের ৫০০ ও ১০০০ রুপির নোট বাতিলের ঘোষণা মাথায় যেন বাজ পড়েছে তার। ভেবেছিলেন সবকিছু বোধহয় ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু চার দিন পরও অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে কী করবেন কূলকিনারা করতে পারছেন না তিনি। রুপি যা আছে এর প্রায় সবটাই ৫০০ ও ১০০০ হাজার রুপির নোট। মানি এক্সচেঞ্জগুলোও তা বদল করে দিচ্ছে না। ফলে সেগুলো ব্যবহার করা যাচ্ছে না। রুপির চিন্তায় দুবেলা দুমুঠো খাবার খেতে যাওয়ার আগে-পিছে চিন্তা করতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে ফুরফুরে মেজাজে দেশে ফেরার বদলে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তিনি। রবিন বললেন, প্রথমে হোটেলগুলো ৫০০ ও ১০০০ রুপির নোট নিলেও এখন তারা বলছে এই রুপি চলবে না।
এ অবস্থায় কোথাও খেতে পারছি না, ঘুরতে পারছি না। বিপদে পড়ে গেছি। যদিও পুলিশ বলেছে, হোটেল কর্তৃপক্ষ রুপি নিতে বাধ্য। এমনকি মানি এক্সচেঞ্জগুলোও রুপি নিতে বাধ্য থাকবে। কিন্তু তারা তা শুনছে না। এখন রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছি। এ সংকট শুধু নাসিমা ও রবিনের নয়। ভারতে হঠাৎ ৫০০ ও ১০০০ রুপির নোট বাতিল করার ঘোষণায় কলকাতায় চিকিৎসা, বেড়ানোসহ নানা কাজে যাওয়া কয়েক হাজার বাংলাদেশি পড়েছেন অশেষ ভোগান্তিতে। হঠাৎ করে বড় নোট বাতিলের ঘোষণায় পুরো কলকাতাতেই দেখা দিয়েছে নগদ অর্থের সংকট। কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না রুপি। হোটেল বিল, খাওয়া-দাওয়া বন্ধ। বন্ধ হয়ে গেছে রোগীর চিকিৎসা, অপারেশনও। বাংলাদেশ থেকে আসা প্রত্যেকেরই এখন শাঁখের করাতের মতো অবস্থা। না পারছেন কলকাতায় থেকে যেতে, না পারছেন দেশে ফিরে যেতে। বাংলাদেশি পর্যটকদের বেশির ভাগই কলকাতায় যান চিকিৎসা করাতে। প্রতিবছর প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ বাংলাদেশি ভারতে গিয়ে থাকেন।

 

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুসরণের নির্দেশ হাইকোর্টের


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা নির্ধারিত ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ না হলে, কেন হয়নি তা জানিয়ে প্রতিবেদন দেওয়ার বিধানটি ১৬ বছরেও পালন হয়নি। তাই আইনটির ৩১(ক) যথাযথভাবে অনুসরণ করতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক, পাবলিক প্রসিকিউটর ও তদন্ত কর্মকর্তাকে (পুলিশ) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
আদালত বলেছেন, এ বিধান যথাযথভাবে প্রতিপালন করা না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ৫ ডিসেম্বর ২০১৬ এ আদেশ দেন।
আইনের ২০ ধারা অনুসারে, বিচারের জন্য পাওয়ার তারিখ হতে ১৮০ দিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনাল বিচারকার্য সমাপ্ত করবেন। এই আইনে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া থানায় হওয়া এক মামলা নির্ধারিত সময়ে নিষ্পত্তি না হওয়ায় আপিল করে মিলাদ হোসেন নামের এক আসামি জামিন চান।
জামিন আবেদনের শুনানিকালে গত ১ নভেম্বর হাইকোর্ট নির্ধারিত ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ না হলে জবাবদিহি-সংক্রান্ত আইনটির ৩১ (ক) ধারার কোনো প্রয়োগ আছে কি না, তা জানিয়ে আইনসচিব ও সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেন।
আদালতের নির্দেশ অনুসারে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ও আইন মন্ত্রণালয়ের পৃথক প্রতিবেদন দাখিলের পর আদেশ দেওয়া হয়।
প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর আদালত বলেন, উচ্চ আদালতের আদেশের পর বিধানটি প্রতিপালন করার জন্য সুপ্রিম কোর্ট বিচারকদের প্রতি সার্কুলার জারি করেছেন, আইন মন্ত্রণালয় পিপিদের চিঠি দিয়েছেন। তখন মিলাদের আইনজীবী কুমার দেবুল দে বলেন, গত ১৬ বছরেও আইনের ধারাটি বাস্তবায়ন হয়নি। একপর্যায়ে আদালত বলেন, আপনারাও মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে চান না। এ জন্য সকলের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন দরকার। শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট জামিন না দিয়ে আপিলকারীর (মিলাদ হোসেন) বিরুদ্ধে থাকা মামলাটি ৬০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে বিচারিক আদালতকে নির্দেশ দেন। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. শহীদুল ইসলাম খান।

 

বিখ্যাতদের মজার ঘটনা


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
বিখ্যাত ব্যক্তিদের মজার ও অজানা তথ্য নিয়ে আজকের এই আয়োজন।
১। প্রয়াত মার্কিন প্রেসিডেন্ট মার্টিন লুথার কিং ছিলেন জনপ্রিয় স্টারট্রেক সিরিজের একজন ভক্ত।
২। ডঃ রুথ একজন প্রশিক্ষিত স্নাইপার। তিনি চোখ বন্ধ করে একটি অটোমেটিক স্টেন গান লোড করতে পারেন।
৩। এডলফ হিটলারের একজন সহযোগী তাকে বলেছিলেন যে, ছোট গোঁফে হিটলারকে একদম মানায় না, আর এটি ফ্যাশনেবল না।
একথা শুনে হিটলার জবাব দিয়েছিলেন, যদি এটা এখন ফ্যাশন নাও হয়ে থাকে, তবে একসময় নিশ্চিত হবে, কেননা আমি এটি রাখি।
৪। স্টিভ জবস একজন নিরামিষাশীতে পরিণত হয়েছিলেন। কেননা তিনি বিশ্বাস করতেন এই ডায়েটে নিয়মিত গোসল করতে হবে না।
৫। স্কুলে থাকা অবস্থায় বিল গেটসকে বাড়ির কাজ হিসেবে ক্লাস শিডিউলের প্রোগ্রাম করার জন্য কোড লিখাতে দেয়া হতো। তিনি কোড পরিবর্তন করে সেই ক্লাসে নিজেকে রাখতেন যে ক্লাসে বেশি মেয়ে স্টুডেন্টস থাকত।
৬। আইজ্যাক আইসমভ এতো উপন্যাসের বই, ছোট গল্পের বই, নানা রকম ফিকশ্যান-ননফিকশ্যান বই প্রকাস করেছেন, আপনি যদি প্রতিসপ্তাহে সবগুলো ক্যাটাগরির একটি করেও বই পড়েন তাহলেও আপনার ৯ বছর সময় লাগবে।
৭। বাস্কেটবল খেলোয়াড় মাইকেল জর্ডান বিখ্যাত জুতো কোম্পানী নাইকি থেকে যে পরিমাণ উপার্জন করেন তা মালেয়শিয়াতে কর্মরত নাইকির সকল শ্রমিকদের বেতনের চেয়েও বেশি।
৮। কিউবার প্রয়াত নেতা ফিডেল ক্যাস্ট্রোকে হলিউডের দুটি সিনেমায় দেখা যায়।
৯। অভিনেতা নিকোলাস কেইজ এর একটি পোষা অক্টোপাস রয়েছে।
১০। চন্দ্র বিজয়ে ৪০ বছর পর অভিযাত্রী বাজ অলড্রিন জনপ্রিয় র‌্যাপার স্নুপ ডগের সাথে একটি র‌্যাপ গান গেয়েছেন। যার টাইটেল দ্য রকেট এক্সপেরিয়েন্স।

 


Top


 

নারী ও শিশু সংবাদ

--------------------------------------

 


 

নারীরা পরিবারের মধ্যেও নিগৃহিত হয়্ধ


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি এমপি বলেছেন, নারী ও শিশুরা স্বাস্থ্যের প্রতি যতই মনোযোগী হউক না কেন, তারা অনেক সময় অর্থের অভাবে নিজের স্বাস্থ্য সমস্যার কথা বলতে ভয় পান। কেননা নারীরা পরিবারের মধ্যেও নিগৃহিত হয়।
সম্প্রতি এক বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় অধীনস্থ ন্যাশনাল আই কেয়ার আয়োজিত গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা ও ছানি অপারেশন কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, অসুস্থ্যতার সময় পুরুষদের বেলায় যেভাবে খরচ করা হয়, একজন নারীর বেলায় সেভাবে খরচ করা হয় না। অথচ পরিবারের সুখ-শান্তি বজায় রাখার জন্য একজন নারীর সুস্বাস্থ্য অবশ্যই প্রয়োজন।
ন্যাশনাল আই কেয়ারের লাইন ডাইরেক্টর অধ্যাপক ডা. গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে ও প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. সাইফুল আহমেদ পিন্টুর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ওই কার্যক্রমের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও উদ্যোক্তা এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রালয়ের সচিব সিরাজুল ইসলাম, গাজীপুর জেলা প্রশাসক এসএম আলম, সিভিল সার্জন ডা. মো. হায়দার আলী, কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোয়াজ্জেম হোসেন পলাশ।
উল্লেখ্য, উপজেলার বালীগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়, নোয়াপাড়া ময়েজউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ও রায়েরদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় এই তিনটি ক্যাম্পে রোগী বাছাই শেষে কালীগঞ্জ উপজেলা কমপ্লেক্সে দুদিনব্যাপী আড়াই হাজার রোগীকে ন্যাশনাল আই কেয়ারের অধীনে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪০০ রোগীর ছানি অপারেশন করা হয়েছে।
 


 

 নারী-শিশু পাচার বন্ধে আইনের প্রয়োগ নেই


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
নারী পাচার ও নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রতিরোধে বাংলাদেশে আইন থাকলেও সেটি সঠিক ভাবে প্রয়োগ হচ্ছে না বলে মনে করেন মানবাধিকার কর্মীরা। কিন্তু বিবিসি বাংলার প্রবাহ অনুষ্ঠানে বর্তমান সরকারের একজন মন্ত্রী বলেছেন, নারীদের প্রতি সহিংসতা রোধে তারা সব রকমের চেষ্টাই করে যাচ্ছেন।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতেই হচ্ছে মানব পাচার। বিশেষ করে ওই সকল দেশগুলোতে নারী পাচারের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে বলে মনে করেন বাংলাদেশের মানবাধিকার কর্মীরা। এই দেশ গুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।
জানা যায়, প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে অসংখ্য নারীকে ভারত ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশেগুলোতে পাচার করা হচ্ছে। যাদের বেশির ভাগেরই ঠাই হচ্ছে সেখানকার যৌনপল্লীতে।
বাংলাদেশে নারী ও শিশু পাচারে ও নির্যাতনে কঠোর আইন থাকলেও সেটির সঠিক প্রয়োগের অভাবেই এ ধরণের ঘটনা বন্ধ হচ্ছে না। ভুক্তভোগীরা তাদের নাম ঠিকানা অথবা কোথায় পাচার হয়েছে সেই স্থানগুলোও তারা বলতে পারছে না।
ওই সকল যৌনপল্লী সম্পর্কে জানতে পারি যে, ওখানে অনেক অল্পবয়সের মেয়েরা থাকে। যাদের বয়স ১৩ কিংবা ১৪। ওদের আমরা যখন ফেরত নিয়ে আসি, তখন তারা কিন্তু তাদের বাড়ির নাম ঠিকানা কিছুই বলতে পারে না। এটা একটা বড় সমস্যা।
তিনি বলেন, আমাদের দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন থাকলেও তা প্রয়োগ হচ্ছে না। যার ফলে বন্ধ হচ্ছে না এইসকল অপকর্ম।
আমাদের দেশে নারী পাচার এবং নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে সরকার শতভাগ সাফল্য পাচ্ছে না। তার পরেও এটি প্রতিরোধে সব রকমের চেষ্টা করা হচ্ছে।
এদিকে পাচারের শিকার হওয়া নারীদের অনেক সময় উদ্ধার করা হলেও তাদের পুর্নবাসনের কোন ব্যবস্থা নেই। যদিও এই বিষয়ে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে অনেক কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। তবে সামাজিক সচেতনতার অভাবেই এধরণের ঘটনা সম্পূর্ণ বন্ধ হচ্ছে না।
 

বাল্যবিবাহ আইনের বিশেষ ধারা মেয়েদের কতটুকু সুরক্ষা দেবে?
 

মানবাধিকার রিপোর্টঃ
আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উপলক্ষে অ্যাম্বাসেডর ফর চেঞ্জ-এর প্রচারের নেতৃত্বে থাকা প্রতিনিধিরা গতকাল মিলিত হয়েছিলেন রাজধানীর একটি হোটেলে। সেখানে তাঁরা নারী নির্যাতন প্রতিরোধের অঙ্গীকার করেন। ছবিতে (বসে বাঁ থেকে) নেদারল্যান্ডসের উপরাষ্ট্রদূত মার্টিন ভন হগসট্রাটেন, ইউএন উইমেনের কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ ক্রিস্টিন হান্টার, মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট, জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব ও ইউএন উইমেনের উপনির্বাহী পরিচালক লক্ষ্মী পুরী, জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী রবার্ট ওয়াটকিন্স ও শ্রীলঙ্কার হাইকমিশনার ইয়াসোজা গুনাসেকার।
বাংলাদেশ সরকার বাল্যবিবাহ আইনে সুরক্ষা হিসেবে মেয়েদের বিয়ের বয়স কমানো-সংক্রান্ত যে বিশেষ ধারা রাখতে যাচ্ছে, তা আসলেই কতটুকু সুরক্ষা দেবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ প্রশ্ন তুলেছেন জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশে কমর্রত কূটনৈতিক মিশন ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা। তাঁরা বলছেন, বেইজিং ঘোষণায় স্পষ্ট করে বলা আছে, ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক কোনো অজুহাতেই নারীর মানবাধিকার লঙ্ঘন করা যাবে না।
গতকাল শুক্রবার রাজধানীর একটি হোটেলে ইউএন উইমেন আয়োজিত অ্যাম্বাসেডর ফর চেঞ্জ-এর নেতৃত্বে থাকা প্রতিনিধিরা এ কথা বলেন। তাঁরা নারী নির্যাতন প্রতিরোধে বিভিন্ন কার্যক্রমে বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়টিতে গুরুত্ব দিয়েছেন। নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কার্যক্রমে পুরুষ ও ছেলেদের সম্পৃক্ততা জরুরি বলেও উল্লেখ করেছেন তাঁরা। তাঁরা বলেন, নারী নির্যাতনের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করতে হবে।
১৬ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উপলক্ষে অ্যাম্বাসেডর ফর চেঞ্জের প্রতিনিধিরা বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার ফাঁকে গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। সেখানে বাল্যবিবাহের প্রসঙ্গটি প্রাধান্য পায়।
জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব এবং ইউএন উইমেনের উপনির্বাহী পরিচালক লক্ষ্মী পুরী গতকাল ওই অনুষ্ঠানে বলেন, বাংলাদেশ জেন্ডার লিঙ্গ সমতায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এমডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বিশেষ করে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে ভর্তির ক্ষেত্রে লৈঙ্গিক সমতা আনা, মাতৃমৃত্যু রোধসহ মাতৃস্বাস্থ্য উন্নয়নে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী একজন চ্যাম্পিয়ন। লক্ষ্মী পুরী বর্তমানে বাংলাদেশ সফর করছেন। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, অনেক অর্জনের পরও বাংলাদেশে পারিবারিক নির্যাতনের হার অনেক বেশি। ক্ষতিকারক প্রথা, বিশেষ করে বাল্যবিবাহের হারও অনেক বেশি। বাবা-মা মেয়ের ভালোর জন্য অল্প বয়সে বিয়ে দেন। কিন্তু এ বিয়ের ফলে শিশুটির শারীরিক, মানসিকসহ নানান ক্ষতি হয়। একটি শিশুকে বিয়ে দেওয়ার চেয়ে নিরাপদ পরিবেশে যাতে শিশুটি বেড়ে উঠতে পারে, সে বিষয়ে গুরুত্ব দেন তিনি।

 


শিশুমৃত্যুর শীর্ষ দশ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
দেশে গত বছর বিভিন্ন রোগ এবং নানা কারণে ১ লাখ ১৯ হাজারের বেশি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পৃথিবীর যে ১০টি দেশে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুমৃত্যুর সংখ্যা বেশি, বাংলাদেশ তার একটি। যুক্তরাজ্যভিত্তিক জনস্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সাময়িকী ল্যানসেট-এর ১০ নভেম্বরের সংখ্যায় এ তথ্য দেওয়া হয়েছে।
শিশুমৃত্যুর তালিকার শীর্ষে আছে ভারত। দেশটিতে ২০১৫ সালে ১২ লাখের বেশি শিশুর মৃত্যু হয়। তালিকায় অন্য দেশগুলোর মধ্যে (বেশি থেকে কমের ক্রম) আছে নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, কঙ্গো, ইথিওপিয়া, চীন, অ্যাঙ্গোলা, ইন্দোনেশিয়া ও তানজানিয়া। তানজানিয়ার অবস্থান বাংলাদেশের পরে।
বাংলাদেশের অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বাস্থ্যসচিব মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ল্যানসেট-এর এ তথ্য যাচাইযোগ্য। তিনি বলেন, বাংলাদেশ মাতৃ ও শিশুমৃত্যু কমানোর ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করেছে এবং লক্ষ্য পূরণ করেছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যে (এসডিজি) এ বিষয়ে নতুন যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা পূরণের উদ্যোগ ইতিমধ্যে নেওয়া হয়েছে। ল্যানসেট-এর তথ্যে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে শিশুমৃত্যুর প্রধান কারণ সময়ের আগে জন্মানোর জটিলতা (২০ শতাংশ)। এরপর বেশি শিশু মারা যায় নিউমোনিয়ায় (১৫ শতাংশ)। একই সংখ্যক শিশু মারা যায় জন্মকালীন বা প্রসবকালে নানা জটিলতায় (১৫ শতাংশ)।




 


 

Top
 

 

পুলিশ ও কারাগার সংবাদ

 


 

নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে পার পেল চাপাইনবাবগঞ্জের এসপি


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
আইন ও সংবিধান লঙ্গণ করে নিজের দেয়া বক্তব্যের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে হাইকোর্টে হাজির হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে অব্যাহতি পেয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) টি এম মোজাহিদুল ইসলাম।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের এসপি: ডাকাত হাতেনাতে পেলে পিষে মেরে ফেলুন শিরোনামে একটি দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন বিবেচনায় নিয়ে গত ২৭ নভেম্বর রোববার হাইকোর্ট স্ব:প্রণোদিত হয়ে রুলসহ ওই তলবের আদেশ দিয়েছিলেন।
হাইকোর্টের নির্দেশে আজ আদালতে হাজির হয়ে নিজের দেয়া বক্তব্যের বিষয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে একটি আবেদন করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের এসপি। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের এসপি মোজাহিদুল ইসলামের কাছে আদালত জানতে চান, তিনি যে ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন, ভবিষ্যতে তার পুনরাবৃত্তি হবে কি না। জবাবে মোজাহিদুল ইসলাম বলেন, ভবিষ্যতে এমনটা আর হবে না। পরে মোজাহিদুল ইসলামকে অব্যাহতি দিয়ে বিষয়টি নিষ্পত্তি করে দেন আদালত।
আদালতে আজ মোজাহিদুল ইসলামের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শফিক আহমেদ, এ বি এম আলতাফ হোসেন ও মাহবুব শফিক।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুসারে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ চক্ষু হাসপাতাল চত্বরে গত ২৫ নভেম্বর একটি অনুষ্ঠান হয়। সেখানে এসপি বলেন, ডাকাত যদি হাতেনাতে পান, তো জলজ্যান্ত ওটাকে পিষে মেরে ফেলুন।
আইন ও সংবিধান লঙ্গণ করার দায়ে তলব করার পর হাইকোর্টে হাজির হয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) টি এম মোজাহিদুল ইসলাম। একই সঙ্গে ডাকাত হাতেনাতে পেলে পিষে মেরে ফেলুন-এধরনের বক্তব্য দেয়ায় আদালতে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন তিনি।
৪ ডিসেম্বর সকালে তার আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বিষয়টি আদালতকে জানান। রোববার হাইকার্টের বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ আজ দুপুরে শুনানি জন্য দিন ধার্য করেন।
গত ২৬ নভেম্বর ডাকাত হাতেনাতে পেলে পিষে মেরে ফেলুন শিরোনামে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ চক্ষু হাসপাতাল চত্বরে চক্ষুশিবিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসপি টি এম মোজাহিদুল ইসলাম জনগণের উদ্দেশে বলেন, ডাকাত যদি হাতেনাতে পান, তো জলজ্যান্ত ওটাকে পিষে মেরে ফেলুন।
 

মেলান্দহে পুলিশ হেফাজতে আসামির মৃত্যু


 

মানবাধিকার রিপোর্টঃ

জামালপুরের মেলান্দহ থানা পুলিশ হেফাজতে এক আসামির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। নিহতের নাম সোহেল রানা (৩০)। পরিবারের লোকজন নির্যাতনের অভিযোগ করলেও স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশের দাবি। নিহত সোহেল রানা মেলান্দহ উপজেলার ফুলকোচা ইউনিয়নের পাহাড়িপটল গ্রামের রেহান আলীর ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত রোববার সন্ধ্যায় মেলান্দহ থানা পুলিশের একটি দল ওই গ্রামে অভিযান চালিয়ে ২৫টি ইয়াবা ও ৫ গ্রাম হেরোইনসহ সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে। সন্ধ্যা সাতটার দিকে থানা হেফাজতে থাকা অবস্থায় সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এ সময় তাকে চিকিৎসার জন্য প্রথমে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। গতকাল দুপুরে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, একজন সুস্থ মানুষ কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কীভাবে মারা যায়? পুলিশের নির্যাতনের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে তাদের ধারণা। মেলান্দহ থানার ওসি মাজহারুল করিম জানান, রোববার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে সোহেল রানাসহ তিন জনকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। এর কিছুক্ষণ পরে সোহেল রানা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রত মেলান্দহ হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সোহেল রানার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা ছিল বলে তিনি জানান।
 

 বিনা বিচারে দেড় যুগ কারাবন্দি ৩ জনের জামিন


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
বিনা বিচারে দেড় যুগ ধরে কারাগারে বন্দি থাকা চারজনের মধ্যে তিনজনকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে আদালত ওই তিনজনের মামলা ৯০ দিনের মধ্যে এবং অপর একজনের মামলা ৬০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে বিচারিক আদালতকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের বেঞ্চ হাইকোর্টের নির্দেশে চারজনকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করার পর রোববার এ আদেশ দেন।
জামিনের অপেক্ষায় প্রায় দেড় যুগ ধরে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ওই চারজন হচ্ছেন, চাঁন মিয়া, মকবুল, সেন্টু ও বিল্লাল। এদের মধ্যে চাঁন মিয়া ছাড়া বাকি তিনজনকে জামিন দেওয়া হয়েছে।
একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে ওই চারজনকে নিয়ে প্রতিবেদন প্রচার হওয়ার পর ২০ নভেম্বর প্রতিবেদনটি আদালতের নজরে আনেন সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইডের আইনজীবী আইনুন নাহার সিদ্দিকা।

 

কাশিমপুর কারাগারে ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত বন্দীর মৃত্যু


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
জেলায় কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে ওমর আলী (৬২) নামে ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত এক বন্দীর মৃত্যু হয়েছে। হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে গত ২৪ ডিসেম্বর ২০১৬ সকালে তিনি মারা যান। হাসপাতালের চিকিৎসক সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। তিনি নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় মধ্যসাদী এলাকার রুস্তম আলীর ছেলে।
ওই কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. মিজানুর রহমান জানান, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কারা অভ্যন্তরে হঠাত্ অসুস্থ হয়ে পড়েন ওমর আলী। তাকে প্রথমে কারা হাসপাতালে এবং পরে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে কর্তব্যরত চিকিত্ক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানায় দায়ের করা ১৯৯৮ সালের একটি খুনের মামলায় আদালত ২০০৯ সালে ওমর আলীকে ফাঁসির দন্ড দেয়। ওমর আলীকে এ বছরের জুন মাসে নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক প্রণয় ভূষণ দাস জানান, ওমর আলীকে হাসপাতালে মৃতাবস্থায় আনা হয়। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা গেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

 



নারায়ণগঞ্জ কারাগারে বিএনপি নেতার মৃত্যু


মানবাধিকার রিপোর্টঃ
নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী হোসেন প্রধান (৬৫) মারা গেছেন। গত ২৪ ডিসেম্বর ভোররাতে বুকে ব্যথা অনুভূত হলে কারারক্ষীরা তাঁকে নারায়ণগঞ্জ জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার আসাদুজ্জামান বলেন, ৩ নভেম্বর থেকে আলী হোসেন প্রধান কারাগারে বন্দি ছিলেন। সেই থেকে তাঁকে অসুস্থ দেখেছি। বিভিন্ন ধরনের অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি। শনিবার ভোররাতে বুকে ব্যথার কথা জানালে তাঁকে দ্রুত নারায়ণগঞ্জ ১০০ শয্যা হাসপাতালে প্রেরণ করি। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। নাশকতার মামলায় ৩ নভেম্বর সিদ্ধিরগঞ্জ জালকুড়ি মাঝপাড়া এলাকা থেকে আলী হোসেন প্রধানকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। ওই দিনই তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।
ভারতে ছয় বছরে পুলিশ হেফাজতে ৬০০ মৃত্যু
মানবাধিকার রিপোর্টঃ
ভারতে ২০১০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে পুলিশ হেফাজতে প্রায় ৬০০ মানুষ মারা গেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডাব্লিউ)। এই সময়ের মধ্যে পুলিশি হেফাজতে মৃত্যুর কারণে কোনো পুলিশকেই দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি।
ভারতের পুলিশ প্রায় নিয়মিতই এসব মৃত্যুর কারণ হিসেবে অসুস্থতা, পালানোর চেষ্টা, আত্মহত্যা কিংবা দুর্ঘটনা বলে উল্লেখ করে। কিন্তু মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, এ ধরনের মৃত্যুর একটি বড় অংশই ঘটে হেফাজতে নির্যাতনের কারণে।
 

 

Top



Top
 



 

স্বাস্থ্য সংবাদ

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------


গলায় কাঁটা আটকে গেলে দ্রুত যা করবেন

মানবাধিকার হেলথ ডেস্কঃ
মাছে ভাতে বাঙালি। মাছ তো খাতেই হবে। কিন্তু বিপত্তিটা ঘটে যদি গলায় কাঁটা আটকে যায়। খুবই অস্বস্তি লাগে তখন। চিকিৎসকের কাছে যেতে যেতে অনেক সময়ের দরকার। এতো সময় কি সহ্য করা যায়! তা হলে জেনে নেয়া যাক গলার কাঁটা বিঁধে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে করণীয় ঘরোয়া কিছু উপায়।
১. গলায় কাঁটা আটকে গেলে প্রথমেই পানি পান করুন। এতে কাজ না হলে, হালকা গরম পানির সঙ্গে অল্প লবণ গুলিয়ে পান করুন। কাঁটা নরম হয়ে নেমে যাবে।
২. গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে দেরি না করে পারলে চটজলদি একটি কলা খান। কলা খেতে খেতে কখন যে কাঁটা নেমে যাবে তা আপনি টেরও পাবেন না।
৩. সাদা ভাত ছোট ছোট বল বানিয়ে পানি দিয়ে গিলে ফেলুন। ভাত চিবিয়ে খাবেন না। এতে সহজে গলায় আটকা মাছের কাঁটা নেমে যাবে।
৪. এক টুকুরো লেবুতে লবণ মিশিয়ে চুষে চুষে খেয়ে নিন। দেখবেন কাঁটা নরম হয়ে নেমে গেছে।
৫. পানির সঙ্গে সামান্য পরিমাণ ভিনেগার মিশিয়ে পান করলে গলায় আটকা মাছের কাঁটা খুব সহজে নেমে যায়। এটি ঠিক লেবুর মতো কাজ করে।
৬. একটু অলিভ অয়েলও পান করতে পারেন। কাঁটা পিছলে নেমে যাবে।
৭. গলায় কাঁটা নামানোর আধুনিকতম পদ্ধতি হচ্ছে কোকাকোলা। এক গ্লাস কোক পান করে ফেলুন, কাঁটা নরম হয়ে নেমে যাবে।
এছাড়া শুকনো মুড়ি খেলেও সমাধান পাওয়া যায়। এতো কিছুর পরও যদি কাঁটা নেমে না যায়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।


 ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি নয়


মানবাধিকার হেলথ ডেস্কঃ
মন চাইলেই যাঁরা উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক কেনেন ও বিক্রি করেন তাঁদের জন্য দুঃসংবাদ। নতুন ওষুধনীতিতে জ্বর, সর্দি, মাথা ও পেটব্যথার মতো রোগের ওষুধ ছাড়া অন্য কোনো ওষুধ আর চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া পাওয়া যাবে না।
অ্যান্টিবায়োটিক, হরমোনজনিত সমস্যার ওষুধ, ঘুমের ওষুধের মতো স্পর্শকাতর ওষুধ বিক্রির ক্ষেত্রে জাতীয় ওষুধনীতি ২০১৬-তে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
সোমবার মন্ত্রিসভায় জাতীয় ওষুধনীতি ২০১৬-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই খসড়া নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধপ্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আ ব ম ফারুক বলেন, বাজারে প্রায় ১ হাজার ৩০০ ধরনের জেনেরিক ওষুধ আছে, এর মধ্যে ৩৯টি জেনারের ওষুধ চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় ওষুধনীতি প্রণয়ন উপকমিটির আহ্বায়ক আ ব ম ফারুক আরও জানান, বাজারে ৩৯টি জেনারের প্রায় দুই হাজার ওষুধ রয়েছে।
অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহারের কারণে ওষুধ কার্যকারিতা হারাচ্ছে এবং সহজে রোগ সারছে না। এই প্রেক্ষাপটেই দীর্ঘদিন ধরে পরামর্শপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি নিষেধাজ্ঞার দাবি জানিয়ে আসছিলেন জনস্বাস্থ্যকর্মীরা।
নতুন ওষুধনীতিতে ওষুধের যৌক্তিক ও নিরাপদ ব্যবহারে বেশ কিছু পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। আরও বলা হয়েছে, দেশে পর্যায়ক্রমে সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে স্নাতক ফার্মাসিস্টের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ওষুধের কেনাবেচা হবে। এ ছাড়া ১০০ বা তার বেশি শয্যাবিশিষ্ট সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে অ্যান্টিবায়োটিকের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে নিজস্ব অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার নির্দেশিকা থাকতে হবে, নিয়মিত হালনাগাদ করতে হবে এবং চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সময় তা মানতে হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
নতুন ওষুধনীতিতে জাতীয় ওষুধ নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর লক্ষ্যে হলো নকল, ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ তৈরি ও বিপণন রোধ করা।


 

শীতকালে এই খাবারগুলো খেলে ঠান্ডা কম লাগব


মানবাধিকার হেলথ ডেস্কঃ
শীতকাল মানেই হাড়কাঁপানো ঠান্ডা। বাংলাদেশে এখনও জাঁকিয়ে শীত পড়েনি। শৈত্য প্রবাহ শীতকালের রোজকার ব্যাপার। দিনের বেলায় শীতের প্রভাব তেমন অনুভূত না হলেও, রাতের দিকে ঠান্ডা বারে ক্রমশ। ঠান্ডায় কাবু হয়ে পড়লে কী করতে পারেন আপনি? এমন কিছু খাবার আছে, যেগুলো খেলে শীতের সময় তেমন ঠান্ডা লাগবে না। জেনে নিন কোন খাবার।
গাজর: গাজরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। সর্দি-কাশি থেকে রেহাই পেতে খুব উপকারী।
আপেল: আপেলে রয়েছে প্রায় ৪.৪ গ্রাম ফাইবার। আপেলের সলিউবল এবং ইনসলিউবল ফাইবার আমাদের দেহের উষ্ণতা ধরে রাখতে সক্ষম।
মধু: সর্দি-কাশি বা ফ্লু-র বিরুদ্ধে লড়তে আর এক অনন্য জিনিস হল মধু। শরীরকে গরম রাখতেও ভীষণ ভাল কাজ দেয় মধু।
আদা: শরীরে কোলেস্টরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এ ছাড়া সর্দি-কাশি সারাতেও আদার জুড়ি নেই। শরীর উষ্ণ রাখতে শীতের সময় আদা-চা খেতে পারেন।
বাদাম: বিভিন্ন ধরনের বাদাম থেকে প্রচুর পরিমাণে কোলেস্টেরল, ভিটামিন, ফাইবার পাওয়া যায়। তা ছাড়া, বাদাম খেলে শরীরও গরম থাকে।
রসুন: সর্দি-কাশি বা গলাব্যথা থেকে মুক্তি পেতে খুবই কার্যকরী রসুন। পাশাপাশি, শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে। এরই সঙ্গে শরীরকে উষ্ণ রাখতেও সাহায্য করে রসুন।
মিষ্টি আলু: শীতকালের এই সব্জিটিতে রয়েছে শরীর থেকে ঠান্ডা দূর করার ক্ষমতা।
স্যুপ: শরীর গরম রাখতে গরমাগরম স্যুপ খেতে পারেন।

 

জ্বর, কফ, শরীর ব্যথা দূর করার জন্য যথেষ্ট উপকারী কালিজিরা


মানবাধিকার হেলথ ডেস্কঃ
কালিজিরাকে রোগপ্রতিরোধের মহৌষধ বলা হয়। তাই কালিজিরাকে খাবার না বলে রোগের পথ্য বলা যেতে পারে। এ ঋতুতে আবহাওয়া প্রচন্ড গরম থাকে। তাই এ মৌসুমে গরম ও ঠান্ডাজনিত কারণে অনেকেই ঠান্ডা-কাশি-জ্বরে ভুগছেন। জ্বর, কফ, শরীর ব্যথা দূর করার জন্য কালিজিরা যথেষ্ট উপকারী। এতে রয়েছে ক্ষুধা বাড়ানোর উপাদান। কালিজিরা পেটকে রাখে রোগজীবাণুমুক্ত। আর তাই এটি পেটের দূষিত গ্যাস দূর করে ক্ষুধা বাড়ায়। যারা মোটা হতে চান, তাদের জন্য কালিজিরা যথাযোগ্য পথ্য।
আবার যাদের শরীরে পানি জমে হাত-পা ফুলে যাওয়ার সমস্যা রয়েছে, তাদের পানি জমতে বাধা দেয় এ কালিজিরা। এছাড়া বাচ্চা প্রসবের পর কাঁচা কালিজিরা পিষে খেলে বা কালিজিরার ভর্তা খেলে মায়েদের দুধের পরিমাণ বেড়ে যায়। আর এতে শিশু দুধ খেতে পারে বেশি পরিমাণে। কালিজিরায় রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোরিয়াল এজেন্ট, অর্থাৎ শরীরের রোগজীবাণু ধ্বংসকারী উপাদান। এ উপাদানের জন্য শরীরে সহজে ঘা, ফোঁড়া, সংক্রামক রোগ বা ছোঁয়াচে রোগ হয় না। কালিজিরা মানুষের মেধা বিকাশের কাজ করে দ্বিগুণ হারে। কালিজিরা নিজেই একটি অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিসেপটিক।
দাঁতে ব্যথা হলে কুসুম গরম পানিতে কালিজিরা দিয়ে কুলি করলে ব্যথা কমে এবং জিহ্বা, তালু, দাঁতের মাড়ির জীবাণু মরে। এছাড়া কালিজিরা কৃমি দূর করে; তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং আমাদের কাজ করার শক্তি বাড়িয়ে দেয়। এসব গুণ আছে বলেই আবার সারা দিন খুব বেশি কালিজিরা খাওয়া যাবে না। এতে পেট খারাপ হতে পারে। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পরিমাণমতো কালিজিরা থাকা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

 

ফ্রিজে কাঁচা মাছ রেখেও স্বাদ অটুট রাখার পদ্ধতি জেনে নিন!


মানবাধিকার হেলথ ডেস্কঃ
যারা মাসের বাজার একবারে করেন তাদের অনেক সময়ই ডীপ ফ্রিজে কাঁচা মাছ রাখতে হয়। যার ফলাফল কিছুদিন ফ্রিজে মাছ রেখে দিলেই মাছের স্বাদ পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায়।
খেতে শুকনো লাগে এবং গন্ধ বেশি লাগে। বেশীদিন রেখে দিলে মাছ খাওয়াই যায় না, ফেলে দিতে হয়।
কিন্তু এই সমস্যার রয়েছে খুবই সহজ ছোট্ট একটি সমাধান।আপনি চাইলেই মাছের তাজা ভাব ফিরিয়ে আনতে পারেন খুব সহজে। জানতে চান কীভাবে? মাছের তাজা স্বাদ পুনরায় ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে দুধ। প্রথমে ফ্রিজ থেকে মাছ বের করে ঠাণ্ডা ছাড়িয়ে নিন।
এরপর মাছের পিসগুলো একটি বড় বাটিতে দুধ মিশ্রিত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন প্রায় ৩০ মিনিট। তারপর স্বাভাবিক ভাবে ধুয়ে রান্না করুন।
দেখবেন মাছের তাজা স্বাদ ফিরে এসেছে এবং আঁশটে গন্ধও নেই একেবারেই। দারুণ, তাই না?


ঠিকমতো ঘুম হচ্ছে তো?


প্রতি রাতে কমপক্ষে আট ঘণ্টা ঘুম জরুরি। একটি ভালো ঘুম আপনাকে পরবর্তী দিনের জন্য কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করবে। রাতে ভালোমতো না ঘুমালে পরের দিন শরীর ও মনের দিক থেকে সক্রিয় থাকতে অসুবিধা হবে। তখন বিশ্রাম নেওয়ার চাহিদা অনুভব করবেন।
তবে অনেক বিশেষজ্ঞ বিশ্বাস করেন, আট ঘণ্টা ঘুম সব সময় প্রয়োজন নেই। চার ঘণ্টার ঘুমও কখনো কখনো যথেষ্ট। বিষয়টি নিয়ে অবশ্য যথেষ্ট বিতর্ক রয়েছে। আসুন দেখি শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে আসলেই আপনার কতটুকু ঘুম দরকার?
জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ে প্রকাশিত হয়েছে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন। কতটুকু ঘুম আপনার জন্য প্রয়োজন এটি বুঝতে কিছু বিষয়ের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।
বিছানায় শোয়ার পর ঘুম আসতে আপনার কতটুকু সময় লাগে? সাধারণত বিছানায় শোয়ার ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে অধিকাংশের ঘুম আসে। বিছানায় শোয়ার সঙ্গে সঙ্গেই যদি ঘুম চলে আসে, তাহলে হয়তো পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম হচ্ছে না আপনার। আর যদি বিছানায় শোয়ার আধা ঘণ্টা বা এক ঘণ্টা পরে ঘুম আসে, এর মানে আপনার ঘুমে সমস্যা হচ্ছে।
আপনার যদি মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যায়, এতে ঘুমের পরিমাণ কমে যাবে। এতে হয়তো ঘুমের সমস্যা হয়ে স্লিপ এপনিয়া হতে পারে। এ ক্ষেত্রে বেশি ঘুম প্রয়োজন। আর যদি অ্যালার্ম বাজার আগেই ঘুম ভেঙে যায়, তাহলে বুঝতে হবে আপনার পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম হয়েছে।
সারা দিন আপনার কেমন লাগছে এ বিষয়ে সচেতন হোন। আপনি কি সব সময় ঘুম ঘুম ভাব অনুভব করছেন? আপনার কি সারা দিন শক্তি কম মনে হয় বা অবসন্ন লাগে বা কাজ করতে গেলে ঘুম আসে? এসব সমস্যা হলে বুঝতে হবে হয়তো আপনার রাতের ঘুম ভালো হয়নি। আপনার যদি ঘুম ঘুম ভাব লাগে, তাহলে আপনার আরো ঘুমানো প্রয়োজন।
 


এবার মুখের ব্রণ দূর করবে বেকিং সোডা


রিডার্স ডাইজেস্ট জানিয়েছে সৌন্দর্যচর্চায় কীভাবে ব্যবহার করতে পারেন বেকিং সোডা। জেনে নিন সেগুলো কী কী-
ডিওডরেন্ট হিসেবে
৪ টেবিল চামচ বেকিং সোডার সঙ্গে ১ টেবিল চামচ পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল মেশাতে পারেন। মিশ্রণটি অতিরিক্ত ঘাম সেখানে হয় সেখানে লাগিয়ে রাখুন। ঘাম ও ঘামের দুর্গন্ধ কমে যাবে।
দাঁত ঝকঝকে করতে
ভেজা টুথব্রাশে বেকিং সোডা নিয়ে দাঁত ব্রাশ করুন ২ মিনিট। তারপর সাধারণ টুথপেস্ট দিয়ে পরিষ্কার করে নিন দাঁত। সপ্তাহে দুইবার এটি ব্যবহার করলে দাঁত হবে ঝকঝকে।
রোদে পোড়া ত্বকের যতে
বেকিং সোডার পেস্ট রোদে পুড়ে যাওয়া ত্বকে লাগান। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে মুছে নিন। ধীরে ধীরে দূর হয়ে যাবে রোদে পোড়া কালচে দাগ।
চুল ঝলমলে করতে
হেয়ার স্প্রেসহ বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যালযুক্ত প্রসাধনী ব্যবহারের কারণে চুল হয়ে পড়ে নিষ্প্রাণ। চুল ঝলমলে করতে ১ চা চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন শ্যাম্পুর সঙ্গে। চুল পরিষ্কার ও উজ্জ্বল হবে।
আমাদের শরীরে সবুজ কাঁচা মরিচের ৮ টি স্বাস্থ্য উপকারিতা
জেনে নিন কাচা মরিচের প্রসংশা, প্রতিদিনের মাছ, মাংস, সবজি যেকোন ঝাল রান্নায় কাঁচা মরিচের তুলনা হয়না। তরকারি রান্নায় যদি কাঁচা মরিচ না থাকে সেই রান্নায় কোন স্বাদই পাওয়া যায়না।
এই সবুজ কাঁচা মরিচে আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি যা আমাদের শরীরের জন্য খুব উপকারি। চলুন জেনে নেই কাঁচা মরিচের কিছু উপকারিতা সম্পর্কে।
১। কাঁচা মরিচে আছে প্রচুর পরিমান ভিটামিন সি, যা আমদের শরীরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
২। কাঁচা মরিচে আছে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
৩। সবুজ কাঁচা মরিচে আছে প্রচুর পরিমানে ফাইবার, ফলে এটি আমাদের খাদ্য হজমে সাহায্য করে।
৪। কাঁচা মরিচে আছে ভিটামিন এ যা আমাদের ত্বক ও চোখের জন্য খুব ভালো।
৫। সবুজ কাঁচা মরিচে যেই পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে তা আমাদের ত্বকের ব্রন সমস্যা সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
৬। গবেষণায় পাওয়া গিয়েছে যে, সবুজ কাঁচা মরিচে ক্যাপসিসিন নামের কেমিক্যাল আছে যা ক্যানসার রোগ রোধে সহায়তা করে।
৭। এ ছাড়াও ক্যাপসিসিন মানুষের মস্তিষ্কে একধরণের হরমোন রিলিজ করে যার কারণে মানুষের মেজাজ ভালো থাকে।
৮। গবেষণায় জানা গিয়েছে যে সবুজ কাঁচা মরিচ ফুসফুসের ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে, তবে এখনো এর কোন শক্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 



 


Top

 

 

আইন কনিকা


 

 

স্থাবর সম্পত্তি দখলচ্যুত বা বেদখল হলে প্রতিকার কি?
সাদ্দাম হুসাইন শৈলানী




মানবাধিকার ল ডেস্কঃ

জমির দখল যার কাছে আছে বা যিনি দখলে আছেন তিনি দখলে থাকবেন এটাই সাধারণ নীতি। যার দখল আছে তাকে যদি শক্তির জোরে বেদখল করার ব্যাপারে আইন সমর্থন দিতে তবে সবাই বল প্রয়োগের দিকে ঝুঁকে পড়ত। তাই আইনে বল প্রয়োগকে নিরুৎসাহিত করার জন্য এই আইনটি করা হয়েছে। যার দখল নেই কিন্তু স্বত্ব বা মালিকানা আছে, সে নিজের হাতে আইন তুলে নিতে পারবে না। শক্তির জোরে দখলদার ব্যক্তিকে জমির দখলচ্যুত করা যাবে না। তবে স্বত্ববান ব্যক্তি বেআইনি বল প্রয়োগের বিরুদ্ধে তার দখল বজায় রাখার জন্য আইনি সহায়তা পাবেন। স্বত্ববান ব্যক্তি প্রয়োজনে দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করে জবর-দখলকারকে বিতাড়িত বা দখলচ্যুত করতে পারে। সে জন্য এই আইনটি জানা থাকতে হবে স্থাবর সম্পত্তি থেকে দখলচ্যুত হলে কীভাবে প্রতিকার পাবেন।
দখল কি:
দখল বলতে সাধারণত কোন কিছুর উপর নিয়ন্ত্রণকে বুঝায়? এ ধারার দখল বলতে বর্তমান দখলকেই নির্দেশ করা হয়েছে? দখল প্রত্যক্ষ হয়ে থাকে। তবে এমন সম্পত্তি আছে স্পষ্টতই দখল করা যায় না? যেমন ব্যবসায়ের সুনাম? এতদ্ব্যতীত দখলের আবার বিভিন্ন দিক রয়েছে-
১. ওসসবফরধঃব ঢ়ড়ংংবংংরড়হ ( তাৎক্ষণিক দখল) : যখন কেউ নিজে নিজের জন্য দখল করে রাখে, যেমন, যে বৈধ দখলদার বা মালিক।
২. গবফরধঃব ঢ়ড়ংংবংংরড়হ (মধ্যবর্তী দখল) : যখন কেউ নিজে অন্য কারো হয়ে দখল করে রাখে, যেমন এজেন্ট।
৩.ওহপড়ৎঢ়ড়ৎবধষ ঢ়ড়ংংবংংরড়হ ( অমূর্ত দখল) : এমন কোন বিষয়ের দখল যা বাহ্যিক ভাবে/ বাস্তবে দেখা যায় না, যেমন আইনি অধিকার বা সুনাম ইত্যাদি।
৪. ঈড়হংঃৎঁপঃরাব ঢ়ড়ংংবংংরড়হ ( গঠনমূলক দখল) : যখন কেউ বাস্তবিক / প্রকৃত দখলে না থেকেও কোন কিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এমন ধরনের দখল।
৫. অফাবৎংব ঢ়ড়ংংবংংরড়হ ( প্রতিকূল দখল) : যখন কোন ব্যক্তি অন্য কারো (মালিকানাধীন) স্থাবর সম্পত্তিতে কোন ধরনের চুক্তি বা অভিযোগ ছাড়া ১২ বছর বাহ্যিক ভাবে/ বাস্তবে দখল করে থাকে তখন তা এই দখলকে অফাবৎংব ঢ়ড়ংংবংংরড়হ বা প্রতিকূল দখল বলে, উল্লেখ্য এই দখলদার পরে ঐ সম্পত্তির মালিকানা দাবি করতে পারে। (অৎঃরপষব ১৪২ ড়ভ খরসরঃধঃরড়হ অপঃ)
জমি দখলে রাখার অধিকার:
পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ এক খন্ড জমি দখলে রাখার জন্য সব সময়ই উদগ্রীব থাকে? জমি দখলে রাখার অধিকার বিভিন্নভাবে হতে পারে। যেমন- উত্তরাধিকার সূত্রে, ক্রয় সূত্রে, দান সূত্রে, সরকার কর্তৃক প্রদত্ত খাস জমি পাবার পর, লীজ গ্রহণের মাধ্যমে, জবর দখলের মাধ্যমে, বর্গা চাষের জন্যও জমি দখলে রাখতে পারবে? উপরোক্ত যে কোনো ভাবেই কোনো মানুষ জমি পেয়ে থাকুক না কেন জমি দখলে রাখার অধিকার সকল মানুষেরই রয়েছে? এমন কি ঐ জমিতে যদি তার মালিকানা নাও থাকে তথাপিও সেই জমি দখলে রাখতে পারবে?
জমি বেদখল কি:
জমি বেদখল বলতে বোঝায় প্রকৃত মালিককে তার মালিকানা থেকে জোর করে উচ্ছেদ করে অবৈধভাবে সেখানে তার স্বত্তা প্রতিষ্ঠিত করা ?
জমি বেদখল কিভাবে হয়:
জমি জমা ভোগ দখলে রাখার আশা মানুষের চিরকালের ? তাই জমির দখল নিয়ে সব সময়ই সমস্যার সৃষ্টি হয়ে থাকে ? অসাধু দাঙ্গাটে প্রকৃতির লোকেরা প্রায়ই লোকজনকে জোরপুর্বক বা চাতুরী পন্থায় ভুমি বেদখল করছে
জমি হতে বেদখল হলে প্রতিকার:
জমি হতে বেদখল হলে দখল পুনরুদ্বারের জন্য যে সমস্ত প্রতিকার আছে তা নিম্নে তুলে ধরা হলো:
১) সালিশের মাধ্যমে
২) আদালতে মামলা করার মাধ্যমে (ফৌজদারী আদালত অথবা দেওয়ানী আদালত)
সালিশের মাধ্যমে:
কোন ব্যক্তির জমি বেদখল হলে তার গ্রামের স্থানীয় লোকদের নেতৃত্বে সালিশের মাধ্যমে উক্ত ব্যক্তি তার জমি ফেরত পেতে পারেন ? সালিশে মীমাংসার মাধ্যমে উভয় পক্ষের মধ্যে সমাধান করা হয়ে থাকে ?
আদালতে মামলা করার মাধ্যমে:
যদি জমি হতে বেদখল হওয়া ব্যক্তিটি মনে করেন যে গ্রামের স্থানীয় লোকদের নেতৃত্বে সালিশের মাধ্যমে উপযুক্ত প্রতিকার পাবেন না মর্মে আশংকা করেন কিংবা গ্রামের স্থানীয় লোকদের নেতৃত্বে সালিশে মীমাংসার মাধ্যমে কোনো সমাধান বা প্রতিকার না পান তাহলে সেক্ষেত্রে জমি হতে বেদখল হওয়া ব্যক্তিটি সরাসরি আদালতের আশ্রয় গ্রহণ করতে পারবেন।

 

Top
 

 


 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 
   

                                                     Copy Right : 2001 BHRC  All rights reserved.